বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ লন্ডন মহানগর শাখার নির্বাহী সভা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত :  ০৩:৩৬, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট: ০৩:৪০, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ লন্ডন মহানগর শাখার নির্বাহী সভা অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ লন্ডন মহানগর শাখার নিয়মিত মাসিক নির্বাহী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ৪ ফেব্রুয়ারি পূর্ব লন্ডনের একটি হলরুমে সংগঠনের সভাপতি মাওলানা মুসলেহ উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হাফিজ মাওলানা নোমান হামিদীর পরিচালনায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য ও যুক্তরাজ্য শাখার সহ সভাপতি আলহাজ মাওলানা আতাউর রহমান। 

সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সহ সভাপতি হাফিজ শহির উদ্দিন, সহ সাধারণ সম্পাদক আলহাজ মুহাম্মদ বুলু মিয়া, প্রচার সম্পাদক হাফিজ মাওলানা আহবাবুর রহমান ও বায়তুল মাল সম্পাদক হাফিজ মাওলানা শরীফ আহমদ,প্রমুখ।  সভায় আগামী ২৪ শে মার্চ ২০২৪ রবিবার লন্ডন মহানগরীর উদ্যোগে "রমজানের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা ও ইফতার মাহফিলের"  সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

Leave Your Comments


কমিউনিটি এর আরও খবর

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশীকে ধরার জন্য ২০ হাজার ডলার ঘোষণা

প্রকাশিত :  ১০:৩৩, ০৩ মার্চ ২০২৪

এক বাংলাদেশিকে ধরিয়ে দিতে ২০ হাজার ডলার পুরস্কার ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই)। ওই বাংলাদেশি হলেন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অপহরণ চক্রের সদস্য। 

তার বিরুদ্ধে নিউইয়র্কে দু’জনকে অপহরণ, নির্যাতন, যৌন নিপীড়ন এবং মুক্তিপণের জন্য হুমকি দেয়ার অভিযোগ রয়েছে। গত শুক্রবার (১ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক ডেইলি নিউজ।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছর কুইন্সের রাস্তা থেকে দুই ব্যক্তি অপহৃত হয়। এই ঘটনায় সাতজন জড়িত বলে সন্দেহ করছে এফবিআই। তাদের মধ্যে ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সন্দেহভাজনের মধ্যে ৩৪ বছর বয়সী রুহেল চৌধুরী হচ্ছে শেষ ব্যক্তি। তাকে ধরিয়ে দিতে গত ১ মার্চ এফবিআই একটি পোস্টারও প্রকাশ করে।

এফবিআইয়ের তথ্য অনুসারে, ৩৪ বছর বয়সী আবু চৌধুরী এবং তার স্ত্রী ২৪ বছর বয়সী ইফফাত লুবনাসহ আরও ছয়জন ষড়যন্ত্রকারীকে গত বছর এবং চলতি বছরের জানুয়ারিতে গ্রেফতার করা হয়েছে।

ফেডারেল প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, গত বছরের ২৭ মার্চ জ্যামাইকার হিলসাইড এভিনিউয়ের কাছে ১৮১তম সেন্ট থেকে অপহরণকারীরা প্রথমে এক ব্যক্তিকে তুলে নেয়। রুহেল চৌধুরীর ব্যবহৃত গাড়ির ব্যবসা করেন এবং তার সরবরাহ করা একটি হোন্ডা এসইউভিতে জোর করে ভুক্তভোগীকে তুলে নেন আবু চৌধুরী। পরে আবু চৌধুরী ভুক্তভোগীকে গাড়ির মধ্যে মারধর করেন এবং রুহেল চৌধুরী এ সময় নিজেই ওই গাড়িটি চালাচ্ছিলেন।

সূত্র : নিউইয়র্ক টাইমস


কমিউনিটি এর আরও খবর

img