এবার সুবর্ণচরে ঘরের সিঁদকেটে মা-মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ

প্রকাশিত :  ০৭:৫২, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট: ০৭:৫৮, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

 এবার সুবর্ণচরে ঘরের সিঁদকেটে মা-মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ
সিঁদকাটা ঘর

নোয়াখালীর সুবর্ণচরের আলোচিত গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় ১০ জনের মৃত্যুদণ্ড ও ছয় আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায়ের পর এবার সিঁদকেটে ঘরে ঢুকে মা-মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।

সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ২টায় চরওয়াপদা ইউনিয়নের চরকাজী মোখলেছ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগীদের পরিবার জানিয়েছে, রাতে বাড়িতে মা-মেয়েকে একা পেয়ে সিঁদকেটে একজন দরজা খুলে দেয়। পরে আরও দুইজন ঘরে ঢুকে মা (৩৪) ও মেয়ের (১২) ওপর নির্যাতন চালায়। পরে ৯৯৯-এ কল পেয়ে চরজব্বর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ভুক্তভোগীদের উদ্ধার করে।

আরও পড়ুন:সুবর্ণচরে আলোচিত গৃহবধূ ধর্ষণ মামলায় ১০ জনের ফাঁসি

ভুক্তভোগী ওই নারী তিন সন্তানের জননী এবং মেয়ে স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী। তার স্বামী দিনমজুরের কাজ করেন। কয়েক মাস আগে হাতিয়া থেকে এসে চরকাজী মোখলেছ গ্রামে নতুন বাড়ি করে বসবাস করছিল পরিবারটি।

ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ, সিঁদকেটে একজন ঘরে ঢুকে দরজা খুলে দিলে বাকি দুইজনও ঘরে ঢুকে। পরে তারা তার ও মেয়ের হাত-মুখ বেঁধে ফেলে এবং নির্যাতন চালায়। যাওয়ার সময় স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা নিয়ে যায়।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, তাদের মধ্যে দুইজনকে চেনেন এবং তারা হলেন মুন্সী মেম্বার ও গরু ব্যাপারী হারুন।

নির্যাতনের শিকার ওই নারীর স্বামী (৪২)  বলেন, রাতে অন্যত্র কাজে যাওয়ায় বাড়িতে ছিলেন না। গভীর রাতে তিনজনের সংঘবদ্ধ দল সিঁদকেটে ঘরে ঢুকে স্ত্রী ও বড় মেয়েকে ধর্ষণ করে। ঘর থেকে বের হয়ে যাওয়ার সময় তারা মা ও মেয়ে নাকফুল-কানের দুলসহ নগদ সোয়া ১৭ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায়।

চরজব্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম ঘটনাটির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, খবর পেয়ে রাতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পোঁছায়। মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ভোর পর্যন্ত পুলিশ সেখানেই ছিল। সকালে ভুক্তভোগীদের থানায় আনা হয়েছে। তাদের চিকিৎসা ও পরীক্ষার জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।

Leave Your Comments


আল্লামা লুৎফুর রহমানের ইন্তেকাল

প্রকাশিত :  ০৯:৫০, ০৩ মার্চ ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট: ১০:০৭, ০৩ মার্চ ২০২৪

বাংলাদেশ মাজলিসুল মুফাসসিরিনের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন মোফাসসিরে কোরআন আল্লামা লুৎফুর রহমান মারা গছেনে (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

রোববার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টা ৫৪ মিনিটে রাজধানীর ইবনে সিনা হাসপাতালে তিনি মারা যান। গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার ছোট ছেলে আবু সালমান মোহাম্মদ আম্মার।

এর আগে, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি সকাল পৌনে ১০টায় লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার নিজবাড়িতে ব্রেনস্ট্রোক করেন মাওলানা লুৎফুর রহমান। সঙ্গে সঙ্গে বাড়ির লোকজন তাকে লক্ষ্মীপুর আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান তিনি ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়েছেন। পরে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় আনা হয়।

প্রখ্যাত এ আলেমে আল্লামা লুৎফর রহমান একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ইসলামি বক্তা। একজন স্বনামধন্য বক্তা হিসেবে দেশে-বিদেশে তার অনেক পরিচিতি রয়েছে।

ব্যক্তিজীবনে মাওলানা লুৎফর রহমান ৫ কন্যা ও ২ ছেলের জনক। কর্মজীবনে তিনি রাজখালি আলিয়া মাদরাসার অধ্যক্ষ হিসেবে অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লক্ষ্মীপুর রামগঞ্জ নির্বাচনী এলাকার প্রার্থী হিসেবে অংশ নেন।

img