রমজানে ১৫ দিন নয়, ১০ দিন খোলা থাকবে প্রাথমিক স্কুল

প্রকাশিত :  ১১:১২, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

রমজানে ১৫ দিন নয়, ১০ দিন খোলা থাকবে প্রাথমিক স্কুল

আসন্ন পবিত্র রমজান মাসে প্রথম ১৫ দিন নয় ১০ দিন খোলা থাকবে প্রাথমিক স্কুল।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় রমজানের প্রথম দশদিন প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ।

বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান তুহিন এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণ করতে ২০২৪ শিক্ষাবর্ষের ছুটির তালিকা ও শিক্ষাপঞ্জি আংশিক সংশোধন করে আসন্ন পবিত্র রমজান মাসের প্রথম দশ দিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহে নিয়মিত পাঠদান কার্যক্রম চালু রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পগণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

এর আগে দুপুরে ছুটির তালিকা ও শিক্ষাপঞ্জি আংশিক সংশোধন করে রমজানে ১৫ দিনের জায়গায় ১০ দিন মাধ্যমিক স্কুল খোলা রাখার সিদ্ধান্ত দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।



Leave Your Comments


ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগ দেওয়া হবে

প্রকাশিত :  ১১:০৩, ০২ মার্চ ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট: ১১:০৯, ০২ মার্চ ২০২৪

নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়নে শিক্ষক সংকট মেটাতে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের গণিত ও বিজ্ঞানের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী।

সমাজের গ্র্যাজুয়েট ও নন-গ্র্যাজুয়েট মানসিকতা থেকে থেকে বেরিয়ে দক্ষতামূলক শিক্ষাকে এগিয়ে নিতে এই পদক্ষেপ নেওয়া কথা জানান তিনি।

শনিবার ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স - বাংলাদেশ (আইডিইবি) মিলনায়তনে আইডিইবি’র জেলা ও সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধি সম্মেলন ও বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘এখন আমাদের যে নতুন কারিকুলাম এসেছে, অনেক শিক্ষার্থী পাবো যারা ডিপ্লোমা শিক্ষায় উৎসাহী হবেন। আমাদের শিক্ষাবিদ, মঞ্জুরি কমিশন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয় সবাই মিলে একটা চিন্তা করা যায় যে, একজন ইন্টারমিডিয়েট শিক্ষার্থীর বিএসসি পাস করতে সময় লাগে তিন বছর, ২১ বছর বয়সে প্রায় শেষ হয়। ডিপ্লোমা পাসের ক্ষেত্রেও প্রায় তাই। আর এক বছরের কর্ম-অভিজ্ঞতা থাকলে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীর ২১ প্লাস বয়স হয়। আমাদের ভাবা দরকার সামাজিক সাংস্কৃতিক যে ট্রেন্ডগুলো আছে সেগুলোর ব্যাপারে। যারা ডিপ্লোমা পাস করে এক বছর কর্মরত থাকবে তাদের বিএসসি পাস হিসেবে কীভাবে আমরা মর্যাদা দিতে পারি।’

তিনি বলেন, ‘সরকারি বা বেসরকারি জায়গায় হোক, সেটা প্রস্তাবটা আপনাদের কাছ থেকে আসলে ভালো হয়। সুনির্দিষ্ট কোনও দক্ষতাবিহীন বিষয়ে আমি পড়ে পাস করে গ্র্যাজুয়েট বলছি নিজেকে। সেখানে দক্ষতা নিয়ে পাস করলাম, কর্মসংস্থানও হলো আমার কিন্তু সামাজিক মর্যাদায় গ্র্যাজুয়েট নই, সেটা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যেতে পারে না।’

সমাজের গ্র্যাজুয়েট ও নন-গ্র্যাজুয়েট মানসিকতা ঝেড়ে ফেলতে হবে উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘যেহেতু এই প্রজন্মের মাধ্যমে পাচ্ছি না, তাহলে সমমর্যাদা দিতে হবে। সমমর্যাদা দিলে অনেক সমস্যার সমাধান হবে বলে আমি মনে করি।

img