মেডিকেলের ফল কাল, জানা যাবে যেভাবে

প্রকাশিত :  ১৭:১৮, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

মেডিকেলের ফল কাল, জানা যাবে যেভাবে

কড়া নির্দেশনার মধ্য দিয়েই শেষ হয়েছে ডাক্তার হওয়ার লড়াইয়ের এমবিবিএস ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা। আগামীকাল (১১ ফেব্রুয়ারি) রোববার দেশের মেডিকেল কলেজগুলোতে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হবে। দুপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণা করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. সামন্ত লাল সেন।

শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মাইদুল ইসলাম প্রধান।

তিনি জানান, দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সভাকক্ষে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ হবে। এ নিয়ে ব্রিফ করবেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে ১০৪টি মেডিকেল কলেজের ১১ হাজার ৬৭৫টি আসনের জন্য আবেদন করেন ১ লাখ ৪ হাজার ৩৭৪ জন শিক্ষার্থী। দেশের ৩৭টি সরকারি মেডিকেল কলেজে মোট আসন ৫ হাজার ৩৮০টি এবং বেসরকারি পর্যায়ে অনুমোদিত ৬৭টি মেডিকেল কলেজে মোট আসন ৬ হাজার ২৯৫টি।

গতবারের মতো এবারও এমবিবিএস ও বিডিএস ভর্তি পরীক্ষায় ন্যূনতম নম্বর (পাস নম্বর) ৪০ রাখা হয়েছে। মাইগ্রেশনের জন্য তিনবার সময় পাবেন শিক্ষার্থীরা। বেসরকারি মেডিকেলে ভর্তির জন্য সব কলেজকে উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। অর্থাৎ শিক্ষার্থীরা সব কলেজে চয়েজ একবারে দিতে পারবেন, সরকারি মেডিকেল কলেজগুলোতেও একই নিয়ম বহাল।

এ ছাড়া সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে ভর্তি থাকা দ্বিতীয়বার ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের ১০ নম্বর কাটা হবে। এ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষায় জেলা কোটা বাতিল করা হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নির্ধারিত সময়ে আসন পূরণ করা না গেলে সেসব আসনে সাধারণ শিক্ষার্থীরা ভর্তির সুযোগ পাবেন।

তবে এবারের ভর্তি পরীক্ষা থেকে বাদ পড়েছে ছয়টি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ। এদের মধ্যে চারটি মেডিকেল কলেজ কোনো শিক্ষার্থী ভর্তি করাতে পারবে না, আর বাকি দুটির নিবন্ধনই বাতিল করা হয়েছে।

এদিকে পরীক্ষার ফল প্রকাশের পরই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে জানা যাবে। পাশাপাশি এসএমএসের মাধ্যমেও ফল জানা যাবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।


Leave Your Comments


ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগ দেওয়া হবে

প্রকাশিত :  ১১:০৩, ০২ মার্চ ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট: ১১:০৯, ০২ মার্চ ২০২৪

নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়নে শিক্ষক সংকট মেটাতে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের গণিত ও বিজ্ঞানের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী।

সমাজের গ্র্যাজুয়েট ও নন-গ্র্যাজুয়েট মানসিকতা থেকে থেকে বেরিয়ে দক্ষতামূলক শিক্ষাকে এগিয়ে নিতে এই পদক্ষেপ নেওয়া কথা জানান তিনি।

শনিবার ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স - বাংলাদেশ (আইডিইবি) মিলনায়তনে আইডিইবি’র জেলা ও সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধি সম্মেলন ও বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘এখন আমাদের যে নতুন কারিকুলাম এসেছে, অনেক শিক্ষার্থী পাবো যারা ডিপ্লোমা শিক্ষায় উৎসাহী হবেন। আমাদের শিক্ষাবিদ, মঞ্জুরি কমিশন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয় সবাই মিলে একটা চিন্তা করা যায় যে, একজন ইন্টারমিডিয়েট শিক্ষার্থীর বিএসসি পাস করতে সময় লাগে তিন বছর, ২১ বছর বয়সে প্রায় শেষ হয়। ডিপ্লোমা পাসের ক্ষেত্রেও প্রায় তাই। আর এক বছরের কর্ম-অভিজ্ঞতা থাকলে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীর ২১ প্লাস বয়স হয়। আমাদের ভাবা দরকার সামাজিক সাংস্কৃতিক যে ট্রেন্ডগুলো আছে সেগুলোর ব্যাপারে। যারা ডিপ্লোমা পাস করে এক বছর কর্মরত থাকবে তাদের বিএসসি পাস হিসেবে কীভাবে আমরা মর্যাদা দিতে পারি।’

তিনি বলেন, ‘সরকারি বা বেসরকারি জায়গায় হোক, সেটা প্রস্তাবটা আপনাদের কাছ থেকে আসলে ভালো হয়। সুনির্দিষ্ট কোনও দক্ষতাবিহীন বিষয়ে আমি পড়ে পাস করে গ্র্যাজুয়েট বলছি নিজেকে। সেখানে দক্ষতা নিয়ে পাস করলাম, কর্মসংস্থানও হলো আমার কিন্তু সামাজিক মর্যাদায় গ্র্যাজুয়েট নই, সেটা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যেতে পারে না।’

সমাজের গ্র্যাজুয়েট ও নন-গ্র্যাজুয়েট মানসিকতা ঝেড়ে ফেলতে হবে উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘যেহেতু এই প্রজন্মের মাধ্যমে পাচ্ছি না, তাহলে সমমর্যাদা দিতে হবে। সমমর্যাদা দিলে অনেক সমস্যার সমাধান হবে বলে আমি মনে করি।

img