সারাক্ষণ ব্লুটুথ অন? হ্যাক হতে পারে ফোন

প্রকাশিত :  ০৫:৪২, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট: ০৬:১২, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

সারাক্ষণ ব্লুটুথ অন?  হ্যাক হতে পারে ফোন

সারাক্ষণ ব্লুটুথ অন রাখলে আপনার ফোনটি হ্যাক হতে পারে।   অনেকেই ফোনে ব্লটুথ চালু করে হেডফোন, ইয়ারফোন, ইয়ারবাড কানেক্ট করেন। এগুলো ব্যবহার শেষেও ব্লুটুথ অফ করতে ভুলে যান। এই ভুল কাজটির কারণে আপনার ফোনটি হ্যাক হতে পারে।

যারা সবসময় ব্লুটুথ চালু রাখেন, তাদের ফোন খুব সহজেই হ্যাক করে নিতে পারছে হ্যাকাররা। আর এই স্ক্যামের নাম দেওয়া হয়েছে ব্লুবাগিং। জেনে নিন এই স্ক্যামের মাধ্যমে কীভাবে মানুষকে ঠকাচ্ছে স্ক্যামাররা? আর কীভাবে নিজেকে এই ধরনের স্ক্যাম থেকে থেকে বাঁচাবেন?

ব্লুবাগিং কী?

ব্লুবাগিং এমন একটি শব্দ, যা সম্পর্কে অনেকেই জানেন না। এর মাধ্যমে হ্যাকাররা আপনার ডিভাইস হ্যাক করে। হ্যাকাররা আপনার ব্লুটুথের সাহায্যে আপনার ফোন হ্যাক করে এবং এতে ম্যালওয়্যার ইনস্টল করে। আজকাল প্রায় সবসময়ই ফোনের ব্লুটুথ অন থাকে। স্মার্টওয়াচ ও ইয়ারবাড কানেক্ট করতে ব্লুটুথ অন রাখতে হয় সবসময়ই। ফলে হ্যাকাররা এবার ফোনের ব্লুটুথকে বেছে নিয়েছে।

ডিভাইস হ্যাক হতে পারে

হ্যাকাররা এমন ব্যবহারকারীদের টার্গেট করে, যারা সবসময় তাদের ব্লুটুথ চালু রাখে। তারা বিশেষ করে পাবলিক প্লেস, রেলস্টেশন, বাস স্টেশনের মতো পাবলিক প্লেসে লোকজনকে টার্গেট করে।

এসব ভুল করবেন না

আপনার ব্লুটুথ পাসওয়ার্ড শক্তিশালী রাখুন, বেশিরভাগ ব্যবহারকারী 1234 বা কিছু সাধারণ পাসওয়ার্ড রাখেন, যা হ্যাক করা সহজ। ব্লুটুথ অন করার সঙ্গে সঙ্গে আপনাকে প্রচুর ব্লুটুথ কানেকশন দেখানো হয়। প্রথমে অন করার সঙ্গে সঙ্গে সেটিকে সরিয়ে ফেলুন।

কাজের সময় ব্লুটুথ চালু রাখবেন না এবং বিশেষ করে পাবলিক প্লেসে এই ভুল করবেন না। ব্লুটুথের মাধ্যমে ফোনে আসা যে কোনও ডেটা ভালভাবে পরীক্ষা করুন।

সম্ভব হলে ভিপিএনও ব্যবহার করতে পারেন। তবে এটাও মনে রাখবেন যে, ভিপিএনটি সুরক্ষিত হওয়া উচিত।

Leave Your Comments


ফ্রিতে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স-এর কোর্স করাচ্ছে গুগল

প্রকাশিত :  ১১:০১, ০৩ মার্চ ২০২৪

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা জোয়ার এনেছে প্রযুক্তির জগতে। ইতিমধ্যেই এআই-র দৌলতে চাকরি হারিয়েছেন হাজার হাজার মানুষ। আগামী কয়েক বছর পর চাকরি পেতে গেলে বা চাকরি টিকিয়ে রাখতে গেলে অবশ্যই প্রয়োজন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান।

আমরা ডিজিটাল যুগে রয়েছি। ঘুম থেকে ওঠা থেকে ঘুমোতে যাওয়া অবধি, দৈনন্দিন সমস্ত কাজেই আমরা যন্ত্রনির্ভর হয়ে উঠছি। ডিজিটাল স্ক্রিনে বন্দি সকলে। যত সময় এগোচ্ছে, ততই অত্যাধুনিক হচ্ছে প্রযুক্তি। নিত্যদিনই নতুন নতুন জিনিস আবিষ্কার হচ্ছে। তবে সম্প্রতি প্রযুক্তির জগতে জোয়ার এনেছে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা।  লাখ লাখ টাকা দিয়ে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের কোর্স করাচ্ছে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান, কিন্তু আপনি কি জানেন বিনামূল্যেই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের কোর্স করা যায়?

বিনামূল্যে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের কোর্স করার সুযোগ দিচ্ছে গুগল। চাইলে আপনিও এই কোর্স করতে পারেন। কী কী এই কোর্স, জেনে নিন—

১. ইন্ট্রোডাকশন টু জেনেরেটিভ এআই-জেনেরেটিভ আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের মূল বিষয়বস্তুর সঙ্গে আপনার পরিচয় করায় এই কোর্স। অপারেশনাল মেকানিজম নিয়ে শিক্ষা দেয় এই কোর্স।

২. ইন্ট্রোডাকশন টু লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল—এন্ট্রি লেভেলে মাইক্রো লার্নিং নিয়ে কোর্স এটি।

৩. ইন্ট্রোডাকশন টু রেসপন্সিবল এআই কীভাবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ব্যবহার করা হয় এবং গুগল কীভাবে তাদের বিভিন্ন প্রোডাক্টে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ব্যবহার করে, তা নিয়েই গুগল এই কোর্স  তৈরি করেছে।

৪. জেনারেটিভ এআই ফান্ডামেন্টাল-জেনারেটিভ এআই, লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল ও রেসপন্সিবল এআই নিয়ে তৈরি গুগলের এই কোর্স। কোর্স শেষে গুগলের তরফে একটি ব্যাজও দেওয়া হবে।

৫. ইন্ট্রোডাকশন টু ইমেজ জেনেরেশন—ছবিতে কীভাবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ব্যবহার করা হয়, সে সম্পর্কে শিক্ষা দেবে গুগলের এই কোর্স।

img