নিউইয়র্কে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি দম্পতি নিহত

প্রকাশিত :  ০৯:১০, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট: ০৯:২০, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

নিউইয়র্কে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি দম্পতি নিহত

আমেরিকার নিউইয়র্কে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি দম্পতি নিহত হয়েছেন। দেশটির স্থানীয় সময় শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টার দিকে নিউইয়র্ক সিটি থেকে বিংহামটন শহরে যাওয়ার পথে তারা সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হন। নিহতরা হলেন হাফিজ ও সাকি আহমেদ। গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন তাদের দুই ছেলে-মেয়ে।

আমেরিকার নিউইয়র্ক স্টেট পুলিশ জানিয়েছে, অরেঞ্জ কাউন্টিতে একটি অপরাধীর গাড়ির ধাওয়া করছিল পুলিশ। এ সময় দুষ্কৃতকারীদের গাড়ির সঙ্গে হাফিজ দম্পতির গাড়ির ধাক্কা লাগে। এতে ঘটনাস্থলেই হাফিজ আহম্মেদ অ্যাঞ্জেল (৫২) ও তার স্ত্রী সাথী আহম্মেদ (৪৫) নিহত হন। রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) তাদের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

 আরও পড়ুন: নিউইয়র্ক প্রবাসীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. কামাল চৌধুরীর মতবিনিময়

হাফিজ আহমেদের বাড়ি গাজীপুর ও তার স্ত্রী সাথী আহমেদের বাড়ি বরিশাল। নিউইয়র্কের জ্যামাইকাতে সপরিবারে থাকতেন তারা।
নিহত সাথী নিউইয়র্কের গাজীপুর সোসাইটির সাংস্কৃতিক সম্পাদক ছিলেন। তাদের মৃত্যুতে নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসীদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
জানা যায়, নিউইয়র্ক থেকে বিংহামটনে যাচ্ছিলেন হাফিজ ও সাথী দম্পতি। সঙ্গে ছিল ৮ বছরের মেয়ে রাইদা। দুর্ঘটনায় মারাত্মক আহত রাইদা বর্তমানে হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে আছে। ইসাম নামে তাদের ১৮ বছরের একটি ছেলে রয়েছে।

Leave Your Comments


কমিউনিটি এর আরও খবর

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশীকে ধরার জন্য ২০ হাজার ডলার ঘোষণা

প্রকাশিত :  ১০:৩৩, ০৩ মার্চ ২০২৪

এক বাংলাদেশিকে ধরিয়ে দিতে ২০ হাজার ডলার পুরস্কার ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই)। ওই বাংলাদেশি হলেন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অপহরণ চক্রের সদস্য। 

তার বিরুদ্ধে নিউইয়র্কে দু’জনকে অপহরণ, নির্যাতন, যৌন নিপীড়ন এবং মুক্তিপণের জন্য হুমকি দেয়ার অভিযোগ রয়েছে। গত শুক্রবার (১ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক ডেইলি নিউজ।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছর কুইন্সের রাস্তা থেকে দুই ব্যক্তি অপহৃত হয়। এই ঘটনায় সাতজন জড়িত বলে সন্দেহ করছে এফবিআই। তাদের মধ্যে ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সন্দেহভাজনের মধ্যে ৩৪ বছর বয়সী রুহেল চৌধুরী হচ্ছে শেষ ব্যক্তি। তাকে ধরিয়ে দিতে গত ১ মার্চ এফবিআই একটি পোস্টারও প্রকাশ করে।

এফবিআইয়ের তথ্য অনুসারে, ৩৪ বছর বয়সী আবু চৌধুরী এবং তার স্ত্রী ২৪ বছর বয়সী ইফফাত লুবনাসহ আরও ছয়জন ষড়যন্ত্রকারীকে গত বছর এবং চলতি বছরের জানুয়ারিতে গ্রেফতার করা হয়েছে।

ফেডারেল প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, গত বছরের ২৭ মার্চ জ্যামাইকার হিলসাইড এভিনিউয়ের কাছে ১৮১তম সেন্ট থেকে অপহরণকারীরা প্রথমে এক ব্যক্তিকে তুলে নেয়। রুহেল চৌধুরীর ব্যবহৃত গাড়ির ব্যবসা করেন এবং তার সরবরাহ করা একটি হোন্ডা এসইউভিতে জোর করে ভুক্তভোগীকে তুলে নেন আবু চৌধুরী। পরে আবু চৌধুরী ভুক্তভোগীকে গাড়ির মধ্যে মারধর করেন এবং রুহেল চৌধুরী এ সময় নিজেই ওই গাড়িটি চালাচ্ছিলেন।

সূত্র : নিউইয়র্ক টাইমস


কমিউনিটি এর আরও খবর

img