মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাস ৪৯ হাজার ৯২৩

প্রকাশিত :  ১০:০৫, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাস ৪৯ হাজার ৯২৩

এমবিবিএস ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। পরীক্ষায় পাস করেছেন ৪৯ হাজার ৯২৩ জন। পাসের হার ৪৭ দশমিক ৮২। ফেব্রুয়ারি মাসের ৯ তারিখে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

আজ রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সামন্ত লাল সেন এ ফলাফল ঘোষণা করেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, এ বছর এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় পাস করেছেন ৪৯ হাজার ৯২৩ জন শিক্ষার্থী। পাসের হার ৪৭ দশমিক ৮২ শতাংশ।

গত শুক্রবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকালে দেশের ১৯টি কেন্দ্রের ৪৪টি প্রতিষ্ঠানে এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য ১ লাখ ৪ হাজার ৩৭৪ শিক্ষার্থী আবেদন করেন।

ভর্তি পরীক্ষায় ৯৮ শতাংশ শিক্ষার্থী উপস্থিত থেকে এবারের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেন।

সারাদেশের ৩৭টি সরকারি মেডিকেল কলেজে ৫ হাজার ৩৮০টি ও ৬৭টি বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ৬ হাজার ২৯৫টি আসন আছে।

আবেদনকারী ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার ফল ঘোষণার পর https://result.dghs.gov.bd/mbbs ওয়েবসাইটে ফল জানতে পারছেন।  এ ছাড়া স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের https://dgme.portal.gov.bd/ ওয়েবসাইটেও ফলাফল বিষয়ক তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মুঠোফোনে ক্ষুদে বার্তায় ফল জানিয়ে দেওয়া হবে। আবেদনের সময় দেওয়া মোবাইল নম্বরে ফলাফল পাওয়া যাবে।

Leave Your Comments


ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগ দেওয়া হবে

প্রকাশিত :  ১১:০৩, ০২ মার্চ ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট: ১১:০৯, ০২ মার্চ ২০২৪

নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়নে শিক্ষক সংকট মেটাতে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের গণিত ও বিজ্ঞানের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী।

সমাজের গ্র্যাজুয়েট ও নন-গ্র্যাজুয়েট মানসিকতা থেকে থেকে বেরিয়ে দক্ষতামূলক শিক্ষাকে এগিয়ে নিতে এই পদক্ষেপ নেওয়া কথা জানান তিনি।

শনিবার ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স - বাংলাদেশ (আইডিইবি) মিলনায়তনে আইডিইবি’র জেলা ও সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধি সম্মেলন ও বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘এখন আমাদের যে নতুন কারিকুলাম এসেছে, অনেক শিক্ষার্থী পাবো যারা ডিপ্লোমা শিক্ষায় উৎসাহী হবেন। আমাদের শিক্ষাবিদ, মঞ্জুরি কমিশন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয় সবাই মিলে একটা চিন্তা করা যায় যে, একজন ইন্টারমিডিয়েট শিক্ষার্থীর বিএসসি পাস করতে সময় লাগে তিন বছর, ২১ বছর বয়সে প্রায় শেষ হয়। ডিপ্লোমা পাসের ক্ষেত্রেও প্রায় তাই। আর এক বছরের কর্ম-অভিজ্ঞতা থাকলে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীর ২১ প্লাস বয়স হয়। আমাদের ভাবা দরকার সামাজিক সাংস্কৃতিক যে ট্রেন্ডগুলো আছে সেগুলোর ব্যাপারে। যারা ডিপ্লোমা পাস করে এক বছর কর্মরত থাকবে তাদের বিএসসি পাস হিসেবে কীভাবে আমরা মর্যাদা দিতে পারি।’

তিনি বলেন, ‘সরকারি বা বেসরকারি জায়গায় হোক, সেটা প্রস্তাবটা আপনাদের কাছ থেকে আসলে ভালো হয়। সুনির্দিষ্ট কোনও দক্ষতাবিহীন বিষয়ে আমি পড়ে পাস করে গ্র্যাজুয়েট বলছি নিজেকে। সেখানে দক্ষতা নিয়ে পাস করলাম, কর্মসংস্থানও হলো আমার কিন্তু সামাজিক মর্যাদায় গ্র্যাজুয়েট নই, সেটা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যেতে পারে না।’

সমাজের গ্র্যাজুয়েট ও নন-গ্র্যাজুয়েট মানসিকতা ঝেড়ে ফেলতে হবে উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘যেহেতু এই প্রজন্মের মাধ্যমে পাচ্ছি না, তাহলে সমমর্যাদা দিতে হবে। সমমর্যাদা দিলে অনেক সমস্যার সমাধান হবে বলে আমি মনে করি।

img