মৃত্যুদণ্ড পাওয়া ভারতের ৮ গুপ্তচরকে ছেড়ে দিল কাতার

প্রকাশিত :  ০৪:০১, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট: ০৪:০৮, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

মৃত্যুদণ্ড পাওয়া ভারতের ৮ গুপ্তচরকে ছেড়ে দিল কাতার
গুপ্তচরগিরি করার দায়ে গত বছরের অক্টোবরে ভারতীয় নৌবাহিনীর সাবেক আট কর্মকর্তাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতার । গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া ভারতীয় নৌবাহিনীর সাবেক আট কর্মকর্তাকে ছেড়ে দিয়েছে কাতার।  গত বছরের শেষ দিকে তাদের সাজার মেয়াদ কমিয়েছিল দেশটি। তাদের মধ্যে সাতজন ইতোমধ্যে দেশেও ফিরেছেন।

গত সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ভারত সরকারের পক্ষ থেকে এই তথ্য জানানো হয়। মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতারে দীর্ঘ ১৮ মাস কারাভোগ শেষে দেশে ফেরেন তারা। খবর এনডিটিভির।

ভারতীয় নৌবাহিনীর এই আট কর্মকর্তাকে ২০২২ সালের অক্টোবরে গ্রেফতার করেছিল কাতারের গোয়েন্দা সংস্থা। তারা কাতারের বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত ছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে ইসরায়েলে গুপ্তবৃত্তির অভিযোগ উঠেছিল। পরে দেশটির আদালত তাদের মৃত্যুদণ্ড দেয়।

মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আটজন হলেন- ক্যাপ্টেন নভতেজ সিংহ গিল, ক্যাপ্টেন বীরেন্দ্র কুমার বর্মা, ক্যাপ্টেন সৌরভ বশিষ্ঠ, কমান্ডার অমিত নাগপাল, কমান্ডার পূর্ণেন্দু তিওয়ারি, কমান্ডার সুগুণাকর পাকালা, কমান্ডার সঞ্জীব গুপ্তা এবং নাবিক রাজেশ।

গত বছরের ডিসেম্বরে তাদের মৃত্যুদণ্ডের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করেছিল কাতারের আদালত। সাজা কমিয়ে তাদের কারাবাসের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। ভারত সরকারের পক্ষ থেকে কাতারের আদালতে আনুষ্ঠানিকভাবে সাজা পুনর্বিবেচনার আর্জি জানানো হয়। তারপরেই তাদের মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি।

মুক্তি পাওয়া আটজনকে স্বাগত জানিয়েছে ভারত সরকার। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কাতারের আমিরকে তাদের মুক্তি দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে।

কাতারের কারাগার থেকে ছাড়া পেয়ে দেশে আসার পর নৌবাহিনীর সাবেক এই কর্মকর্তারা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তারা বলেন, ভারতে ফিরতে পেরে আমরা আনন্দিত। এজন্য প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ধন্যবাদ জানাই। তার সহযোগিতায় আমরা ছাড়া পেয়েছি।

Leave Your Comments


গাজার হাসপাতালে ক্ষুধা-অপুষ্টিতে মারা গেল আরও ১৫ শিশু

প্রকাশিত :  ১২:০১, ০৩ মার্চ ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট: ১২:০৯, ০৩ মার্চ ২০২৪

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার কামাল আদওয়ান হাসপাতালে পানিশূন্যতা ও অপুষ্টিতে ভুগে আরও ১৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তীব্র অপুষ্টির বিরুদ্ধে ইউনিসেফ প্রধানের সতর্ক করার পরই গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে। খবর আল-জাজিরার 

অবরুদ্ধ গাজায় বিপর্যয়কর মানবিক পরিস্থিতির আরও অবনতির খবরের মধ্যে এই ১৫ শিশু মৃত্যুর তথ্য জানা গেল।

এর আগে ২৮ ফেব্রুয়ারি কামাল আদওয়ান হাসপাতালে চার শিশুর মৃত্যু হয়। এরপর আল শিফা হাসপাতালে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়।

প্রায় পাঁচমাস ধরে গাজায় হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। দীর্ঘ সময় ধরে চলা এ হামলার কারণে অবরুদ্ধ এ ভূখণ্ডটিতে তীব্র মানবিক সংকট দেখা দিয়েছে। দুর্ভিক্ষের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে কয়েক লাখ বাসিন্দা।

লাখো মানুষ উদ্বাস্তু, খোলা আকাশের নিচে দিন কাটাচ্ছে। ইসরায়েলের বাধায় গাজায় ত্রাণ সহায়তা সরবরাহের গতি আরও মন্থর হয়ে গেছে। ত্রাণ না পৌঁছানোয় ছোট ছোট শিশুরাও অনাহারে থাকছে।

আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খাদ্যের অভাবে শরণার্থী শিবিরে থাকা মায়েরা নবজাতকদের বুকের দুধ খাওয়াতে পারছেন না। তারা দুধের পরিবর্তে নবজাতকদের খেজুর খাওয়াচ্ছেন।

এদিকে জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা সমন্বয়কারী সংস্থা জানিয়েছে, উত্তর গাজামুখী অর্ধেকের বেশি ত্রাণ সহায়তাকে গত মাসে সেখানে প্রবেশের অনুমতি দেয়নি ইসরায়েল। কোথায় ও কীভাবে এই ত্রাণ সহায়তা দেয়া হবে–সে বিষয়েও জাতিসংঘের ওপর খবরদারি করছে ইসরায়েলি সেনারা।


img