রমজানে পুরো মাস বন্ধ থাকবে সরকারি-বেসরকারি মাদ্রাসা

প্রকাশিত :  ০৪:৫৪, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

রমজানে পুরো মাস বন্ধ থাকবে সরকারি-বেসরকারি মাদ্রাসা

রমজানে স্কুল-কলেজ ১৫ দিন এবং প্রাথমিক স্কুল ১০ দিন খোলা থাকলেও পুরো মাস বন্ধ থাকবে মাদ্রাসা। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশোধিত শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী পুরো রমজান মাস বন্ধ থাকবে সরকারি ও বেসরকারি (স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী, দাখিল, আলিম, ফাজিল ও কামিল) মাদ্রাসা।

রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রণালয়ের মাদ্রাসা ও কারিগরি বিভাগের উপসচিব হাসিনা আক্তার স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে ২০২৪ শিক্ষাবর্ষের সংশোধিত ছুটির তালিকা ও শিক্ষাপঞ্জি প্রকাশ করা হয়।

মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন বাস্তবায়নের তাগিদ দিয়ে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. শাহীনুর ইসলাম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনটি প্রকাশ করা হয়।

এতে বলা হয়, আসন্ন রমজানে সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং সরকারি ও বেসরকারি কলেজগুলোতেও শ্রেণি কার্যক্রম সচল রাখার নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ। তবে পুরো রমজান ছুটি পাচ্ছেন মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। প্রজ্ঞাপনে ৭ মার্চ থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত টানা ৩০ দিন ছুটির কথা উল্লেখ রয়েছে। সে অনুযায়ী পুরো রমজান মাস ছুটি পাচ্ছেন তারা।

এর আগে বৃহস্পতিবার শিক্ষা ও প্রাথমিক গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, আসন্ন রমজানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আংশিক খোলা থাকবে। এর মধ্যে মাধ্যমিক পর্যায়ে স্কুল-কলেজ ও সরকারি-বেসরকারি উচ্চ মাধ্যমিক ও স্নাতক পর্যায়ের কলেজগুলো রমজানের প্রথম ১৫ দিন এবং প্রাথমিক পর্যায়ের স্কুল রমজানের প্রথম ১০ দিন খোলা থাকবে।

Leave Your Comments


ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগ দেওয়া হবে

প্রকাশিত :  ১১:০৩, ০২ মার্চ ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট: ১১:০৯, ০২ মার্চ ২০২৪

নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়নে শিক্ষক সংকট মেটাতে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের গণিত ও বিজ্ঞানের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী।

সমাজের গ্র্যাজুয়েট ও নন-গ্র্যাজুয়েট মানসিকতা থেকে থেকে বেরিয়ে দক্ষতামূলক শিক্ষাকে এগিয়ে নিতে এই পদক্ষেপ নেওয়া কথা জানান তিনি।

শনিবার ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স - বাংলাদেশ (আইডিইবি) মিলনায়তনে আইডিইবি’র জেলা ও সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধি সম্মেলন ও বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘এখন আমাদের যে নতুন কারিকুলাম এসেছে, অনেক শিক্ষার্থী পাবো যারা ডিপ্লোমা শিক্ষায় উৎসাহী হবেন। আমাদের শিক্ষাবিদ, মঞ্জুরি কমিশন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয় সবাই মিলে একটা চিন্তা করা যায় যে, একজন ইন্টারমিডিয়েট শিক্ষার্থীর বিএসসি পাস করতে সময় লাগে তিন বছর, ২১ বছর বয়সে প্রায় শেষ হয়। ডিপ্লোমা পাসের ক্ষেত্রেও প্রায় তাই। আর এক বছরের কর্ম-অভিজ্ঞতা থাকলে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীর ২১ প্লাস বয়স হয়। আমাদের ভাবা দরকার সামাজিক সাংস্কৃতিক যে ট্রেন্ডগুলো আছে সেগুলোর ব্যাপারে। যারা ডিপ্লোমা পাস করে এক বছর কর্মরত থাকবে তাদের বিএসসি পাস হিসেবে কীভাবে আমরা মর্যাদা দিতে পারি।’

তিনি বলেন, ‘সরকারি বা বেসরকারি জায়গায় হোক, সেটা প্রস্তাবটা আপনাদের কাছ থেকে আসলে ভালো হয়। সুনির্দিষ্ট কোনও দক্ষতাবিহীন বিষয়ে আমি পড়ে পাস করে গ্র্যাজুয়েট বলছি নিজেকে। সেখানে দক্ষতা নিয়ে পাস করলাম, কর্মসংস্থানও হলো আমার কিন্তু সামাজিক মর্যাদায় গ্র্যাজুয়েট নই, সেটা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যেতে পারে না।’

সমাজের গ্র্যাজুয়েট ও নন-গ্র্যাজুয়েট মানসিকতা ঝেড়ে ফেলতে হবে উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘যেহেতু এই প্রজন্মের মাধ্যমে পাচ্ছি না, তাহলে সমমর্যাদা দিতে হবে। সমমর্যাদা দিলে অনেক সমস্যার সমাধান হবে বলে আমি মনে করি।

img