কীভাবে হ্যাকড হওয়া অ্যাকাউন্ট থেকে ফিরে পেলেন টাকা জানালেন দীঘি

প্রকাশিত :  ০৮:২৯, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

কীভাবে হ্যাকড হওয়া অ্যাকাউন্ট থেকে ফিরে পেলেন  টাকা জানালেন দীঘি

সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের কার্যালয়ে যান চলচ্চিত্র অভিনেত্রী প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। মূলত তার বিকাশ অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে টাকা হাতিয়ে নেয়ার ব্যাপারে ডিবি কার্যালয়ে হাজির হন তিনি। এরপর সেখান থেকে বের হয়ে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন এ অভিনেত্রী। জানান কিভাবে তার টাকা উদ্ধার হলো সে বিষয়ে

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে দীঘি বলেন, গত পরশু ঘটেছে এটি। আমি একটি কাজের জন্য বাইরে বের হয়েছিলাম। বাসায় ড্রাইভার না থাকায় সিএনজি করে যাচ্ছিলাম। পথিমধ্যে আমার কাছে ফোন আসে। তখন আমাকে নানাভাবে ম্যানুপুলেট করে বোঝানো হয়, আমার অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যাবে। তো আমার অ্যাকাউন্টে যেহেতু টাকা রয়েছে, তাই আমি চাইনি অ্যাকাউন্ট বন্ধ হোক।

দীঘি বলেন, আমি সিএনজিতে থাকায় সেভাবে কিছু বুঝতেও পারছিলাম না। তাই অ্যাকাউন্ট যাতে বন্ধ না হয়। তাদের (প্রতারক) আমার পরিচয় দেই। তখন তারা সরি বলে জানায়, অ্যাকাউন্ট সচল রাখতে আমার হেল্প লাগবে তাদের। এই সময়ের মধ্যে তারা আমার ফোনে ওটিপি (ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড) পাঠায়। আমিও সেটি দিয়ে দেই তাদের। আমি শুধু মনে রেখেছিলাম যে, আমার পিন কোড না দিলেই হয়।

আরও পড়ুন:ডিবি কার্যালয়ে যাচ্ছেন দীঘি

পরের ঘটনা জানিয়ে এ অভিনেত্রী বলেন, কিছুক্ষণ পর আমি ঘটনাস্থলে পৌঁছাই। তারপর হঠাৎ অ্যাকাউন্ট চেক করি। তো দেখি আমার অ্যাকাউন্টে কোনো টাকা নেই। অ্যাকাউন্টে দেড় লাখ টাকার বেশি ছিল। এক লাখ ৬০ হাজার টাকা। এরপর আমি সবার সঙ্গে বুঝতে থাকি বিষয়টি নিয়ে। এরপর সবার পরামর্শে আমি শেরে বাংলানগর থানায় গিয়ে জিডি করি।

তিনি জানান, শুরু থেকে ডিবিপ্রধান হারুন অর রশিদ ভাইয়ার কথা মনে পড়ছিল। মনে হচ্ছিল, তিনি হয়তো কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নিতে পারবেন। এ কারণে এখানে আসা।

দীঘি বলেন, ডিবিপ্রধান আমাকে পরদিন দেখা হলে বলেন, আমার আগের রাতে পাঠানো স্ক্রিনশর্ট দেখেই কাজ শুরু করে দিয়েছেন তারা। আর পরদিন রাতে আমাকে জানান, আমার টাকা রিটার্ন করতে পেরেছেন তারা। আগামীকাল আমাকে টাকাটা হ্যান্ডওভার করতে চান। আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ।


Leave Your Comments


স্বামী রকিবের সাথে ভিডিও দিয়ে যা বললেন মাহি

প্রকাশিত :  ০৯:৩৪, ০৩ মার্চ ২০২৪

বেশ কিছুদিন ধরেই আলোচনায় রয়েছেন চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি ও তার স্বামী রকিব সরকার। গত ১৬ ফেব্রুয়ারি হঠাৎ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিচ্ছেদের ঘোষণা দিয়ে বসেন ঢাকাই সিনেমার আলোচিত চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি। তবে স্বামী রকিব সরকারের সঙ্গে সংসার ভাঙার খবর জানালেও কারণ স্পষ্ট করেননি এ নায়িকা। এরপর স্বামীর পদবিও মুছে ফেলেন তিনি। বর্তমানে ছেলেকে নিয়ে আলাদাই থাকছেন এই নায়িকা।  

তবে বিচ্ছেদের ঘোষণা দিলেও স্বামীর প্রতি সম্মান আর ভালোবাসা যেন একই রয়ে গেছে মাহির। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাঝেমধ্যে ঢুঁ মারলেই তার চিহ্ন পাওয়া যায়। আবার অন্যদিকে একাকিত্বে ভুগছেন বলেও প্রতিনিয়ত ফেসবুকে জানান দেন এই নায়িকা।

রোববার (৩ মার্চ) নিজের ফেসবুকে স্বামীর সঙ্গে একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন মাহি। ক্যাপশনে নায়িকা লিখেছেন— ‘যদিও এটি আমাদের মধ্যে শেষ হয়ে গেছে, এবং আমি তোমাকে আমার জীবনে ফিরে পেতে চাই না, এই ভালোবাসা আমাদের ইতিহাসের অংশ হয়ে যাবে। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত স্মৃতি হয়ে থাকবে।’

আগের মতো এখন চলচ্চিত্রে নিয়মিত নন মাহি। রাজনীতিতেও নিজের শক্ত অবস্থান গড়তে পারলেন না। একদিকে দ্বিতীয় সংসারও ভাঙল, অন্যদিকে অভিনেত্রীর ছেলের গায়ের রং নিয়েও রয়েছে নানান সমালোচনা। সব মিলিয়ে বলা যায়, বিষণ্নতায় ভুগছেন মাহি।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ২৪ মে সিলেটের ব্যবসায়ী পারভেজ মাহমুদ অপুকে বিয়ে করেছিলেন মাহি। এর কয়েক বছর পরেই ২০২০ সালে মে মাসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে পারভেজ মাহমুদ অপুর সঙ্গে বিচ্ছেদের কথা জানান তিনি। পরে ২০২১ সালে রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী কামরুজ্জামান সরকার রকিবকে বিয়ে করেন মাহিয়া মাহি।

img