img

ডায়াবেটিসমুক্ত থাকতে নজর দিন ৩ অভ্যাসে

প্রকাশিত :  ১০:৪২, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

ডায়াবেটিসমুক্ত থাকতে নজর দিন ৩ অভ্যাসে

‘সুগার-ফ্রি’ ডায়েটের ধারণাটি আত্মপ্রকাশ করার পর থেকেই ডায়াবেটিস রোগীর মুখে হাসি ফুটতে শুরু করে। অনেকেই মনে করেন, এই সুগার-ফ্রি ডায়েট করলেই মনে হয় ডায়াবেটিসের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে থাকবে। অর্থাৎ, জীবন থেকে চিনি বাদ দিয়ে দিতে পারলেই বোধ হয় ডায়াবেটিসের নাকে দড়ি পরিয়ে ফেলা যায়। বিষয়টি পুরোপুরি ভুল নয়।

তবে আধুনিক চিকিৎসা বলছে, পরিমিত পরিমাণে সব কিছু খেয়েও রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। তবে চিনি খাওয়া বন্ধ করে দেয়া মানেই যে ডায়েট সফল, তা কিন্তু নয়। জীবনযাপনে বেশ কিছু পরিবর্তন আনা জরুরি।

১) নিয়মিত শরীরচর্চা করা

রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখার প্রথম এবং প্রধান শর্তই হলো শরীরচর্চা করা। তা সে সাঁতারই হোক বা হাঁটাচলা- শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকলে ইনসুলিন হরমোনের ক্ষরণ, ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।

আরও পড়ুন: ধুলাবালি থেকে চোখ সুরক্ষিত রাখতে কী করবেন


২) পর্যাপ্ত ঘুমের প্রয়োজন

দিনের পর দিন ঘুম কম হলে, তা ইনসুলিন ক্ষরণ এবং গ্লুকোজ বিপাক হারের উপর প্রভাব ফেলে। তাই রক্তে শর্করার মাত্রায় হেরফের হয়।

৩) মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ

ঘরে-বাইরে কাজের চাপ, ব্যক্তিগত জীবনে সমস্যা মানসিক চাপ, উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলতে পারে। যার ফলে রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে যায়। যেভাবেই হোক মানসিক চাপ বশে রাখতে হবে।

img

গরমে শরীর ঠান্ডা থাকবে যেসব পানীয়তে

প্রকাশিত :  ০৫:২৬, ২২ এপ্রিল ২০২৪

বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় তীব্র দাবদাহে জনজীবন বিপর্যস্ত হবার উপক্রম হয়েছে। বেশি গরমে শারীরিক সমস্যা হওয়া ছাড়াও দীর্ঘস্থায়ীভাবে কিডনির রোগ, ফুসফুসের রোগ, হৃদরোগ, চর্মরোগ ইত্যাদি হতে পারে। এ জন্য শরীরকে যতটা সম্ভব ঠান্ডা রাখা জরুরি।

প্রচণ্ড দাবদাহে নিজেকে সতেজ রাখতে কোন পানীয়কে বেছে নিতে পারেন। 

• আমলকির শরবত: আধা কাপ আমলকির রস একটি গ্লাসে ঢালুন। এক চামচ মধু ও স্বাদ মতো বিট লবণ ভালো করে মিশিয়ে নিন। পরিমাণ মতো পানি মিশিয়ে দিন। খুব সহজেই তৈরি হয়ে যাবে আমলকির শরবত। 

• তরমুজ-অ্যালো ভেরার শরবত: কয়েক টুকরো তরমুজের রসের সঙ্গে কয়েকটি তুলসী পাতা, ২ চামচ অ্যালো ভেরার রস আর কয়েকটা বরফ দিয়ে ভালো করে মিক্সিতে ঘুরিয়ে নিন। এ বার মিশ্রণে সামান্য বিট লবণ, গোলমরিচ আর লেবুর রস দিয়ে দিন। গ্লাসে তরমুজের কুচি আর পুদিনা পাতা দিয়ে ঠান্ডা ঠান্ডা পরিবেশন করুন তরমুজ-অ্যালো ভেরার শরবত। 

• গন্ধরাজ ঘোল: দই, পানি, কিছু পুদিনা পাতা, একটু জিরে গুঁড়া, একটু লাল লঙ্কাগুঁড়ো এবং বিট লবণ দিয়ে মিক্সারে ঘুরিয়ে নিন। এ বার সেই মিশ্রণে গন্ধরাজ লেবুর রস, লেবুর নির্যাস আর কয়েকটি বরফ মিশিয়ে নিন। পরিবেশন করুন গন্ধরাজ ঘোল।  

• শিকঞ্জি: পুদিনা পাতা বেটে নিন। তাতে একে একে পাতিলেবুর রস, বিট লবণ, চিনি আর ভাজা জিরে গুঁড়ো মিশিয়ে নিন। এ বার ওপর থেকে সোডা কিংবা ঠান্ডা পানি ঢেলে অল্প নেড়ে বরফ কুচি সহযোগে পরিবেশন করুন শিকঞ্জি। 

• তেঁতুলের শরবত: তেঁতুলের খোসা ও বীজ ছাড়িয়ে ক্বাথ বার করে রাখুন। গন্ধরাজ লেবুর রস বের করে নিন। এ বার মিক্সিতে একসঙ্গে তেঁতুলের ক্বাথ, লেবুর রস, বরফের কুচি, পুদিনা পাতা কুচি, লবণ আর ভাজা জিরে গুঁড়ো মিশিয়ে নিন। পরিবেশন করার পাত্রে তেঁতুলের শরবত ঢেলে ওপর থেকে পুদিনা পাতা কুচিয়ে ও বরফ দিয়ে পরিবেশন করুন।