img

চার উগ্র ইসরাইলির ওপর ব্রিটেনের নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশিত :  ১৪:৪১, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট: ১৮:২৪, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

চার উগ্র ইসরাইলির ওপর ব্রিটেনের নিষেধাজ্ঞা
ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন

ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে জোরপূর্বক বসতি স্থাপনকারী চার চরমপন্থী ইসরাইলির বিরুদ্ধে নিপীড়ন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে নতুন নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে ব্রিটেন। খবর দ্য গার্ডিয়ানের

ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন এক বিবৃতিতে বলেছেন, আজকের নিষেধাজ্ঞা মানবাধিকারের সবচেয়ে ভয়াবহ লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িতদের উপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। এখানে কী ঘটছে সে সম্পর্কে আমাদের পরিষ্কার হওয়া উচিত। 

তিনি বলেন, চরমপন্থী ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীরা প্রায়ই বন্দুকের নলের মুখে ফিলিস্তিনিদের হুমকি দিচ্ছে এবং তাদের প্রাপ্য ভূমি থেকে তাদের বিতাড়িত করছে। এ আচরণ বেআইনি এবং অগ্রহণযোগ্য।

ক্যামেরন বলেন, ইসরাইলকে অবশ্যই আরও কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে এবং সহিংসতা বন্ধ করতে হবে। চরমপন্থী বসতি স্থাপনকারীরা ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু আক্রমণ করে ইসরাইলি ও ফিলিস্তিন উভয়ের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বিঘ্নিত করছে।

যুক্তরাজ্য এর আরও খবর

img

অভিবাসনপ্রত্যাশীদের জন্য দুঃসংবাদ দিল ব্রিটেন

প্রকাশিত :  ০৮:৫৫, ২৪ এপ্রিল ২০২৪

দুই বছর আটকে থাকার পর বিরোধী দলগুলোর আপত্তির মুখে পাস হয়েছে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাকের প্রস্তাবিত রুয়ান্ডা বিল। সোমবার (২২ এপ্রিল) যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে বিলটি পাস হয়।

মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) সকালে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ঋষি সুনাক জানান, দুর্বল অভিবাসীদের বিপজ্জনক ক্রসিং থেকে বিরত রাখার পাশাপাশি অপরাধী চক্র ভেঙে দিতেই এই পদক্ষেপ। এই বিলের মাধ্যমে এটি স্পষ্ট হলো যে অবৈধভাবে যুক্তরাজ্যে প্রবেশকারী কেউ এখানে অবস্থান করতে পারবে না।

জুলাই মাসের মাঝামাঝি অভিবাসীদের নিয়ে রুয়ান্ডার উদ্দেশে প্রথম ফ্লাইট ছেড়ে যেতে পারে বলেও জানান তিনি। বিরোধী দলগুলোর আপত্তির মুখে পাঁচ মাস ধরে ঝুলে ছিল বিলটি। এখন শুধু এটি আইনে পরিণত হওয়ার অপেক্ষা।

এ নিয়ে ২০২২ সালের এপ্রিলে দেশটির সরকারের সঙ্গে পাঁচ বছরের চুক্তি হয় ব্রিটেনের। চুক্তিতে বলা হয়, যুক্তরাজ্যের সরকারের কাছ থেকে অর্থনৈতিক সহায়তা নেওয়ার বিনিময়ে পাঁচ বছর দেশটিতে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের জায়গা দেবে রুয়ান্ডা। পাশাপাশি তাদের পুনর্বাসন বাবদ বাড়তি অর্থ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় যুক্তরাজ্য। সে বছর অভিবাসীদের নিয়ে প্রথম ফ্লাইটটি যাত্রার কথা থাকলেও পরবর্তীতে ইউরোপের মানবাধিকার আদালতের এক আদেশে বাতিল হয়ে যায় তা।

এদিকে রুয়ান্ডা বিলকে অমানবিক হিসেবে আখ্যা দিয়েছে ব্রিটেনের বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়। মঙ্গলবার জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা এবং ইউরোপ কাউন্সিল উভয়ই যুক্তরাজ্যকে তার পরিকল্পনা পুনর্বিবেচনা করার আহ্বান জানায়। কারণ এই আইনটি মানবাধিকার সুরক্ষাকে ক্ষুণ্ন করে এবং বিশ্বব্যাপী অভিবাসন সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টাকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সূত্র: গার্ডিয়ান, সিএনএন