img

ফার্মা ও রসায়ন খাতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়েছে ২৪ কোম্পানির

প্রকাশিত :  ১১:৩০, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

ফার্মা ও রসায়ন খাতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়েছে ২৪ কোম্পানির

ফার্মা ও রসায়ন খাতে তালিকাভুক্ত ৩৩টি কোম্পানির মধ্যে ৩২টি কোম্পানির বিনিয়োগ তথ্য হালনাগাদ প্রকাশ করা হয়েছে। যার মধ্যে সমাপ্ত অর্থবছরের ডিসেম্বর মাসের তুলনায় চলতি অর্থবছরের জানুয়ারি মাসে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়েছে ২৪টি কোম্পানির। একই সময়ে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ কমেছে ৮টির এবং বিনিয়োগ তথ্য হালনাগাদ প্রকাশ করেনি ১টি কোম্পানি। ডিএসই সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়ে যাওয়া কোম্পানিগুলো হলো- এসিআই লিমিটেড, এসিআই ফর্মূলেশনস, একমি ল্যাবরেটরিজ, একমি পেস্টিসাইডস, এমবি ফার্মা, বিকন ফার্মা, বেক্সিমকো ফার্মা, ফার কেমিক্যাল, ইবনে সিনা ফার্মা, ইমাম বাটন, জেএমআই হসপিটাল, জেএমআই সিরিঞ্জ, কেয়া কসমেটিকস, কোহিনুর কেমিক্যালস, নাভানা ফার্মা, ওরিয়ন ফার্মা, ফার্মা এইডস, রেকিট বেনকিজার, রেনাটা পিএলসি, স্যালভো কেমিক্যাল, সিলকো ফার্মা, সিলভা ফার্মা, স্কয়ার ফার্মা এবং ওয়াটা কেমিক্যালস লিমিটেড।

একমি পেস্টিসাইডস

কোম্পানিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়েছে একিমি পেস্টিসাইডের। ডিসেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ২৪.৭৩ শতাংশ, যা জানুয়ারি মাসে ৩.৩৮ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৮.১১ শতাংশে। একই সময়ে সাধারণ বিনিয়োগ ৪৩.৪৭ শতাংশ থেকে ৩.৩৮ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৪০.০৯ শতাংশে।

এসিআই লিমিটেড

ডিসেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ৪১.২১ শতাংশ, যা জানুয়ারি মাসে ০.১৪ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪১.৩৫ শতাংশে। একই সময়ে সাধারণ বিনিয়োগ ২২.৭২ শতাংশ থেকে ০.১৪ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ২২.৫৮ শতাংশে।

এসিআই ফর্মূলেশনস

ডিসেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ২০.১৯ শতাংশ, যা জানুয়ারি মাসে ০.০৪ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০.২৩ শতাংশে। একই সময়ে সাধারণ বিনিয়োগ ১৩.৭৯ শতাংশ থেকে ০.০৪ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১৩.৭৫ শতাংশে।

একমি ল্যাবরেটরিজ

ডিসেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ৩০.৪৩ শতাংশ, যা জানুয়ারি মাসে ০.৩৩ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০.৭৬ শতাংশে। একই সময়ে সাধারণ বিনিয়োগ ২৯.৫৫ শতাংশ থেকে ০.৩৩ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ২৯.২২ শতাংশে।

কেয়া কসমেটিকস

ডিসেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ৮.৩৪ শতাংশ, যা জানুয়ারি মাসে ০.২৩ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮.৫৭ শতাংশে। একই সময়ে সাধারণ বিনিয়োগ ৪৫.৩৯ শতাংশ থেকে ০.২৩ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৪৫.১৬ শতাংশে।

এমবি ফার্মা

ডিসেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ৬.৩৩ শতাংশ, যা জানুয়ারি মাসে ২.৩১ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮.৬৪ শতাংশে। একই সময়ে সাধারণ বিনিয়োগ ১৬.৪২ শতাংশ থেকে ২.৩১ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১৪.১১ শতাংশে।

বিকন ফার্মা

ডিসেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ৩৬.২৫ শতাংশ, যা জানুয়ারি মাসে ০.২৬ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৬.৫১ শতাংশে। একই সময়ে সাধারণ বিনিয়োগ ২৩.৮৯ শতাংশ থেকে ০.২৬ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ২৩.৬৩ শতাংশে।

বেক্সিমকো ফার্মা

ডিসেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে স্পন্সর বিনিয়োগ ছিল ৩০.১৪ শতাংশ, যা জানুয়ারি মাসে ০.০১ কমে দাঁড়িয়েছে ৩০.১৩ শতাংশে। একই সময়ে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ২৩.৭২ শতাংশ, যা জানুয়ারি মাসে ০.৩৮ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৪.১০ শতাংশে। একই সময়ে বৈদেশিক বিনিয়োগ ছিল ২৮.৮৭ শতাংশ, যা জানুয়ারি মাসে ০.১৯ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ২৮.৬৮ শতাংশে। একই সময়ে সাধারণ বিনিয়োগ ১৭.২৭ শতাংশ থেকে ০.১৮ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১৭.০৯ শতাংশে।

ফার কেমিক্যাল

ডিসেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ৩২.৬৩ শতাংশ, যা জানুয়ারি মাসে ০.২১ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২.৮৪ শতাংশে। একই সময়ে সাধারণ বিনিয়োগ ৩৪.৭৪ শতাংশ থেকে ০.২৬ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৩৪.৫৩ শতাংশে।

ইবনে সিনা ফার্মা

ডিসেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ২৪.১৭ শতাংশ, যা জানুয়ারি মাসে ০.০৫ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৪.২২ শতাংশে। একই সময়ে সাধারণ বিনিয়োগ ৩১.১৬ শতাংশ থেকে ০.০৫ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৩১.১১ শতাংশে।

ইমাম বাটন

ডিসেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ৪.৩৫ শতাংশ, যা জানুয়ারি মাসে ২.৮২ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭.১৭ শতাংশে। একই সময়ে সাধারণ বিনিয়োগ ৬১.৫৩ শতাংশ থেকে ২.৮২ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৫৮.৭১ শতাংশে।

জেএমআই হসপিটাল

ডিসেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ৩৭.৪৯ শতাংশ, যা জানুয়ারি মাসে ০.৩২ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৭.৮১ শতাংশে। একই সময়ে সাধারণ বিনিয়োগ ৩০.১৯ শতাংশ থেকে ০.৩২ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ২৯.৮৭ শতাংশে।

জেএমআই সিরিঞ্জ

ডিসেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে স্পন্সর বিনিয়োগ ছিল ৭৯.৬৫ শতাংশ, যা জানুয়ারি মাসে ০.০১ কমে দাঁড়িয়েছে ৭৯.৬৪ শতাংশে। একই সময়ে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ৩.২৩ শতাংশ, যা জানুয়ারি মাসে ০.৩৬ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩.৫৯ শতাংশে। একই সময়ে সাধারণ বিনিয়োগ ১৬.৭৭ শতাংশ থেকে ০.৩৫ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১৭.১২ শতাংশে।

কোহিনুর কেমিক্যালস

ডিসেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ১৩.৯১ শতাংশ, যা জানুয়ারি মাসে ০.২০ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪.১১ শতাংশে। একই সময়ে সাধারণ বিনিয়োগ ৩৫.৫০ শতাংশ থেকে ০.২০ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৩৫.৩০ শতাংশে।

নাভানা ফার্মা

ডিসেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ৯.১৩ শতাংশ, যা জানুয়ারি মাসে ১.৩৩ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০.৪৬ শতাংশে। একই সময়ে সাধারণ বিনিয়োগ ২৭.৬৫ শতাংশ থেকে ১.৩৩ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ২৬.৩২ শতাংশে।

ওরিয়ন ফার্মা

ডিসেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ২০.৪৮ শতাংশ, যা জানুয়ারি মাসে ০.২১ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০.৬৯ শতাংশে। একই সময়ে বৈদেশিক বিনিয়োগ ছিল ১.১৮ শতাংশ, যা জানুয়ারি মাসে ০.০৩ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১.১৫ শতাংশে। একই সময়ে সাধারণ বিনিয়োগ ৪৬.৩৬ শতাংশ থেকে ০.১৮ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৪৬.১৮ শতাংশে।

ফার্মা এইডস

ডিসেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ১৫.৮৩ শতাংশ, যা জানুয়ারি মাসে ২.৮২ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮.৬৫ শতাংশে। একই সময়ে সাধারণ বিনিয়োগ ৬০.৫৮ শতাংশ থেকে ২.৮২ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৫৭.৭৬ শতাংশে।

রেকিট বেনকিজার

ডিসেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ৪.৬৩ শতাংশ, যা জানুয়ারি মাসে ০.০২ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪.৬৫ শতাংশে। একই সময়ে সাধারণ বিনিয়োগ ৫.৮৬ শতাংশ থেকে ০.০২ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৫.৮৪ শতাংশে।

রেনাটা পিএলসি

ডিসেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ১৯.৬৮ শতাংশ, যা জানুয়ারি মাসে ০.০১ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯.৬৯ শতাংশে। একই সময়ে সাধারণ বিনিয়োগ ৬.৩৬ শতাংশ থেকে ০.০১ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৬.৩৫ শতাংশে।

স্যালভো কেমিক্যাল

ডিসেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ৮.০০ শতাংশ, যা জানুয়ারি মাসে ৩.৭৭ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১.৭৭ শতাংশে। একই সময়ে সাধারণ বিনিয়োগ ৬৬.৮২ শতাংশ থেকে ৩.৭৭ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৬৩.০৫ শতাংশে।

সিলকো ফার্মা

ডিসেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ১৩.৯৪ শতাংশ, যা জানুয়ারি মাসে ০.৫৯ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪.৫৩ শতাংশে। একই সময়ে সাধারণ বিনিয়োগ ৪৭.০৭ শতাংশ থেকে ০.৫৯ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৪৬.৪৮ শতাংশে।

সিলভা ফার্মা

ডিসেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ১৬.১৮ শতাংশ, যা জানুয়ারি মাসে ১.৭৪ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭.৯২ শতাংশে। একই সময়ে সাধারণ বিনিয়োগ ৩২.৮৭ শতাংশ থেকে ১.৭৪ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৩১.১৩ শতাংশে।

স্কয়ার ফার্মা

ডিসেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে স্পন্সর বিনিয়োগ ছিল ৩৪.৯৮ শতাংশ, যা জানুয়ারি মাসে ০.০৩ কমে দাঁড়িয়েছে ৩৫.০১ শতাংশে। একই সময়ে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ১৫.১৫ শতাংশ, যা জানুয়ারি মাসে ০.০৬ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫.২১ শতাংশে। একই সময়ে বৈদেশিক বিনিয়োগ ছিল ১৩.৫৯ শতাংশ, যা জানুয়ারি মাসে ০.১২ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১৩.৭১ শতাংশে। একই সময়ে সাধারণ বিনিয়োগ ৩৬.২৮ শতাংশ থেকে ০.২১ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৩৬.০৭ শতাংশে।

ওয়াটা কেমিক্যালস

ডিসেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ৩৭.০০ শতাংশ, যা জানুয়ারি মাসে ০.০৯ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৭.০৯ শতাংশে। একই সময়ে সাধারণ বিনিয়োগ ২৬.৫৯ শতাংশ থেকে ০.০৯ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ২৬.৫০ শতাংশে।

img

দেশের ইতিহাসে সোনার সর্বোচ্চ দাম

প্রকাশিত :  ১২:১৭, ০৮ এপ্রিল ২০২৪

ঈদুল ফিতরের আগে আবারো বাড়ানো হয়েছে স্বর্ণের দাম। একদিনের ব্যবধানে ভরিতে ১ হাজার ৭৫০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ১৭ হাজার ৫৭৩ টাকা। যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এ দাম সোমবার থেকেই কার্যকর করা হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

এর আগে গত শনিবার সোনার দাম বাড়ানো হয়। সেদিন ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৭৫০ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ১৫ হাজার ৮২৪ টাকা করা হয়।

স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার (পাকা সোনা) দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে নতুন এ দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। 

এর আগে গত ৬ এপ্রিল ঘোষণা দিয়ে ৭ এপ্রিল থেকে ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম ১ লাখ ১৫ হাজার ৮২৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এতে অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে সোনার সর্বোচ্চ দামের নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়। একদিনের ব্যবধানে এখন দাম বাড়ানোর মাধ্যমে আবার নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হল।

সোমবার বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠক করে দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরে কমিটি চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার দাম বেড়েছে। তাই সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বাংলাদেশ জুয়েলারি অ্যাসোসিয়েশন সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করেছে। যা সোমবার বিকেল ৪টা থেকে কার্যকর হবে।

এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৪৫৮ টাকা বাড়িয়ে ৯৬ হাজার ২২৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ২২৫ টাকা বাড়িয়ে ৮০ হাজার ১৯০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

অবশ্য সোনার গহনা কিনতে ক্রেতাদের এরচেয়ে বেশি অর্থ গুনতে হবে। কারণ বাজুস নির্ধারণ করা দামের ওপর ৫ শতাংশ ভ্যাট যোগ করে সোনার গহনা বিক্রি করা হয়। একই সঙ্গে ভরিপ্রতি মজুরি ধরা হয় নূন্যতম ৩ হাজার ৪৯৯ টাকা। ফলে আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার গহনা কিনতে ভ্যাট ও মজুরিসহ ক্রেতাদের ১ লাখ ২৬ হাজার ৯৫১ টাকা গুনতে হবে।

এর আগে ৭ এপ্রিল সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৭৫০ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ১৫ হাজার ৮২৪ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৬৯২ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ১০ হাজার ৫৭৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৪৫৮ টাকা বাড়িয়ে ৯৪ হাজার ৭৭০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। আর সনাতন পদ্ধতির এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ১৬৬ টাকা বাড়িয়ে ৭৮ হাজার ৯৬৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়। সোমবার বিকেল ৪টা পর্যন্ত এ দামে সোনা বিক্রি হবে। আর বিকেল ৪টার পর থেকে বিক্রি হবে নতুন দামে।

সোনার দাম বাড়ানো হলেও অপরিবর্তিত রয়েছে রূপার দাম। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রূপার দাম ২ হাজার ১০০ টাকা, ২১ ক্যারেটের এক ভরি রূপার দাম ২ হাজার ৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রূপার দাম ১ হাজার ৭১৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রূপার দাম ১ হাজার ২৮৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।