img

বিমানবন্দরে ২ কেজি সোনার বারসহ ৪ যাত্রী আটক

প্রকাশিত :  ০২:০৪, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট: ০২:১০, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

বিমানবন্দরে ২ কেজি সোনার বারসহ ৪ যাত্রী আটক

হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ২ কেজি ১০৪ গ্রাম সোনার বার এবং স্বর্ণালঙ্কারসহ চার যাত্রীকে আটক করেছে এনএসআই-কাস্টমস-এপিবিএন।

আটকরা হলেন, আব্দুল কাদির (৪১), মো. জুয়েল হোসেন (৩৪), ইব্রাহিম খলিল (৪০) এবং খোরশেদ আলম (৪২)।

বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাতে এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জিয়াউল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, এনএসআইয়ের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ২১ ফেব্রুয়ারি ভোরে দুবাই থেকে আসা একটি ফ্লাইটের যাত্রীদের নজরদারিতে রাখে। গ্রিন চ্যানেল এবং এর বাইরে অপেক্ষায় ছিল এনএসআই-এপিবিএন-কাস্টমসের একটি যৌথ অপারেশন টিম। একে একে ফ্লাইটের যাত্রী হওয়ার সময় চার যাত্রীকে থামানো হয়।

তাদের কাছে স্বর্ণ বা স্বর্ণালঙ্কার আছে কি না সে ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা কোনো ধরনের স্বর্ণ বহনের কথা অস্বীকার করেন। গোয়েন্দা তথ্য ও যাত্রীদের আচরণে সন্দেহ হওয়ায় তাদের অধিকতর তল্লাশি করে আভিযানিক দল।

এ সময় অভিযানে অংশ নেওয়া সব সংস্থার প্রতিনিধিদের সামনে যাত্রীদের আবার তল্লাশি করলে তাদের প্রত্যেকের জামায় বিশেষ কায়দায় লুকানো অবস্থায় প্রত্যেকের কাছ থেকে ৩১৬ গ্রাম করে ভেজা স্বর্ণের পাউডার, ১টি করে গোল্ড বার ১১৬ গ্রাম এবং ৯৪ গ্রাম করে স্বর্ণের অলঙ্কার পাওয়া যায়।

তিনি আরও জানান, প্রত্যেক যাত্রীই একই মাপের এবং ওজনের স্বর্ণ বহন করছিলেন এবং প্রত্যেকের কাছেই ৫২৬ গ্রাম করে স্বর্ণ পাওয়া যায়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জিয়াউল হক আরও জানান, আটক যাত্রীদের মধ্যে মো. জুয়েল হোসেন পটুয়াখালী জেলার বাসিন্দা, ইব্রাহিম খলিল এবং আব্দুল কাদির মুন্সিগঞ্জের বাসিন্দা এবং খোরশেদ আলম গাজিপুরের বাসিন্দা। আটক যাত্রীদের বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করা হয়েছে।


img

ইউরোপে মৃত্যুঝুঁকিতেও অবৈধ অভিবাসনে এগিয়ে বাংলাদেশিরা

প্রকাশিত :  ১২:৫৪, ১২ এপ্রিল ২০২৪

প্রচণ্ড মৃত্যুঝুঁকিতেও ইউরোপে অনিয়মিত অভিবাসনের ক্ষেত্রে গত কয়েক বছর ধরেই শীর্ষ দেশগুলোর মধ্যে রয়েছেন বাংলাদেশিরা। বলকান, ভূমধ্যসাগর কিংবা ইরান-তুরস্ক হয়ে বাংলাদেশিদের ইউরোপমুখী যাত্রা অব্যাহত ছিল এ বছরও। অনেকে কাঙ্ক্ষিত দেশে পৌঁছালেও আটক, ডিপোর্টের শিকারও হয়েছেন অনেকে। ঘটেছে প্রাণহানির ঘটনাও।

রোমানিয়ায় আসার পর অনিয়মিত উপায়ে দেশটির সীমান্ত পাড়ি দিয়ে শেঙ্গেনভুক্ত দেশে প্রবেশের চেষ্টা করায় শুধু জুলাইতেই ৫১ জন বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এছাড়া রোমানিয়ার জেনারেল ইনস্পেক্টরেট ফর ইমিগ্রেশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের প্রথম ছয় মাসে সর্বোচ্চ দুই হাজার ৯৯ জন ছিলেন বাংলাদেশি দেশটিতে আশ্রয় চেয়ে আবেদন করেছেন।

আর ২০২৩ সালের ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত ভূমধ্যসগার পাড়ি দিয়ে ইতালিতে প্রবেশ করেছেন ১২ হাজার ১০০ জন বাংলাদেশি। শীর্ষ দেশগুলোর তালিকায় চতুর্থ স্থানে আছেন বাংলাদেশিরা। আর গ্রিসে অনিয়মিতভাবে থাকা বাংলাদেশিদের চলতি বছরের ১১ জানুয়ারি থেকে নিয়মিত হওয়ার সুযোগ দেয় দেশটি। এর মাধ্যমে পাঁচ বছর মেয়াদি গ্রিক রেসিডেন্স পারমিটের সুযোগ দেয়ে গ্রিক কর্তৃপক্ষ। দূতাবাসের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক নিবন্ধনকারীদের সংখ্যা ছিল ১০ হাজারেরও বেশি। এর মধ্যে অন্তত ছয় হাজার দ্বিতীয় ধাপ শেষে গ্রিক কর্তৃপক্ষ থেকে বৈধতার সত্যয়ন পেয়েছেন।