img

ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে ট্রেনযাত্রী নিহত

প্রকাশিত :  ০২:১৫, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে ট্রেনযাত্রী নিহত

ময়মনসিংহ রেলস্টেশন এলাকায় ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে এক যাত্রী নিহত হয়েছেন।

বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার দিকে স্টেশনের ৩ নম্বর প্লাটফর্মের কাছে এ ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রেলওয়ে থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) দীপক পাল।

নিহত ব্যক্তির নাম গোপাল পাল। তিনি মোহনগঞ্জ থেকে ঢাকায় যাচ্ছিলেন। তার বাড়ি নেত্রকোণার মোহনগঞ্জ এলাকায়।

এসআই দীপক পাল জানান, ঢাকাগামী মহুয়া কমিউটার ট্রেনটি সন্ধ্যায় ময়মনসিংহ জংশনে প্রবেশ করে। এসময় ট্রেনের যাত্রী গোপাল পাল জরুরি কাজে ৩ নম্বর প্লাটফর্মের বিপরীতে পরিত্যক্ত বগির পেছনে যান। ফেরার পথে তিনি ছিনতাইকারীর কবলে পড়েন। এসময় ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে গোপাল গুরুতর আহত হন। এ সময় তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।


img

ইউরোপে মৃত্যুঝুঁকিতেও অবৈধ অভিবাসনে এগিয়ে বাংলাদেশিরা

প্রকাশিত :  ১২:৫৪, ১২ এপ্রিল ২০২৪

প্রচণ্ড মৃত্যুঝুঁকিতেও ইউরোপে অনিয়মিত অভিবাসনের ক্ষেত্রে গত কয়েক বছর ধরেই শীর্ষ দেশগুলোর মধ্যে রয়েছেন বাংলাদেশিরা। বলকান, ভূমধ্যসাগর কিংবা ইরান-তুরস্ক হয়ে বাংলাদেশিদের ইউরোপমুখী যাত্রা অব্যাহত ছিল এ বছরও। অনেকে কাঙ্ক্ষিত দেশে পৌঁছালেও আটক, ডিপোর্টের শিকারও হয়েছেন অনেকে। ঘটেছে প্রাণহানির ঘটনাও।

রোমানিয়ায় আসার পর অনিয়মিত উপায়ে দেশটির সীমান্ত পাড়ি দিয়ে শেঙ্গেনভুক্ত দেশে প্রবেশের চেষ্টা করায় শুধু জুলাইতেই ৫১ জন বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এছাড়া রোমানিয়ার জেনারেল ইনস্পেক্টরেট ফর ইমিগ্রেশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের প্রথম ছয় মাসে সর্বোচ্চ দুই হাজার ৯৯ জন ছিলেন বাংলাদেশি দেশটিতে আশ্রয় চেয়ে আবেদন করেছেন।

আর ২০২৩ সালের ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত ভূমধ্যসগার পাড়ি দিয়ে ইতালিতে প্রবেশ করেছেন ১২ হাজার ১০০ জন বাংলাদেশি। শীর্ষ দেশগুলোর তালিকায় চতুর্থ স্থানে আছেন বাংলাদেশিরা। আর গ্রিসে অনিয়মিতভাবে থাকা বাংলাদেশিদের চলতি বছরের ১১ জানুয়ারি থেকে নিয়মিত হওয়ার সুযোগ দেয় দেশটি। এর মাধ্যমে পাঁচ বছর মেয়াদি গ্রিক রেসিডেন্স পারমিটের সুযোগ দেয়ে গ্রিক কর্তৃপক্ষ। দূতাবাসের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক নিবন্ধনকারীদের সংখ্যা ছিল ১০ হাজারেরও বেশি। এর মধ্যে অন্তত ছয় হাজার দ্বিতীয় ধাপ শেষে গ্রিক কর্তৃপক্ষ থেকে বৈধতার সত্যয়ন পেয়েছেন।