img

আগুনে পুড়ে ছাই হলো মাধবপুরের মা-মেয়ের পোল্যান্ড যাওয়ার স্বপ্ন

প্রকাশিত :  ১৪:২৫, ০১ মার্চ ২০২৪

 আগুনে পুড়ে ছাই হলো মাধবপুরের মা-মেয়ের পোল্যান্ড যাওয়ার স্বপ্ন

আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে হবিগঞ্জের মাধবপুরের রুবি রায় (৪০) ও তার মেয়ে ভিয়াংকা রায়ের (১৭) পোল্যান্ড যাওয়ার স্বপ্ন। বৃহস্পতিবার রাতে বেইলী রোডে কাচ্ছি ভাইয়ে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় মা-মেয়ে নিহত হন।

রুবি রায় উপজেলার চৌমুহনী ইউনিয়নের বানেশ্বরপুর গ্রামের পোল্যান্ড প্রবাসি প্রকৌশলী উত্তম কুমার রায়ের স্ত্রী। মা-মেয়ের মরদেহ ঢাকার মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে গ্রহন করতে প্রবাসি উত্তম রায় এখন বাংলাদেশে আসার পথে।

উত্তম রায়ের ভাগনে অয়ন রায় মা-মেয়ের মৃত্যু নিশ্চিত করে বলেন, গত বৃহস্পতিবার রাতে মালিবাগ বাসা থেকে মা মেয়ে বেইলি রোডে গিয়েছিলেন কাচ্ছি ভাইয়ে খেতে। খাবার শেষে মা মেয়ে আপন ঠিকানায় ফিরে আসার কথা। কিন্তু সেটি আর সম্ভব হয়নি। আগুনে পুড়ে তাদের স্বপ্ন ছাই করে দিয়েছে। উত্তম রায় দেশে ফিরে এসে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল হিমঘর থেকে মা মেয়ের মরদেহ গ্রামের বাড়ি বানেশ্বরপুর গ্রামে নিয়ে আসবেন।

শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০ টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মা মেয়ের লাশ পরিবারের পক্ষ থেকে শনাক্ত করা হয়েছে। আগুনের ধোয়ায় শ্বাসরোধ হয়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।

উত্তম কুমার রায়ের ভাই বিষ্ণু রায় জানান, পোল্যান্ডের কুরিয়ার হুন্দাই কোম্পানীতে চাকরিকালীন সময়ে ফিলিপাইন নাগরিক রুবি রায়ের সাথে পরিচয় সূত্রে ১৯৯৬ সালে উত্তম ও রুবি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়।  উত্তম কুমার রায় পোল্যান্ড চলে যাওয়ার পর রুবি রায় তার মেয়ে ভিয়াংকা রায়কে নিয়ে ঢাকার মালিবাগে বসবাস করতেন। ভিয়াংকা রায় ঢাকায় এ লেভেলে পড়াশুনা করতেন।

বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকা বেইলি রোডে কাচ্চি ভাইয়ে রাতের খাবার খেতে যনি তারা। খাবার শেষে বাসায় ফেরার কথা ছিল। কিন্তু কাচ্চি ভাইয়ে অগ্নিকান্ডে মা মেয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে শুক্রবার সকালে ঢাকায় গিয়ে মা মেয়ের লাশ শনাক্ত করা হয়েছে।

নিহত রুবি রায় ও মেয়ে ভিয়াংকা রায় উত্তম রায়ের কাছে পোল্যান্ড যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তাদের সেই স্বপ্ন আগুনে পুড়ে  গেছে।


img

সুনামগঞ্জে ট্রাক-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে ১ জন নিহত

প্রকাশিত :  ০৭:৪৮, ২৪ এপ্রিল ২০২৪

ট্রাক-সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে সুনামগঞ্জ পৌর শহরে ১ জন নিহত হয়েছেন। সোমবার (২২ এপ্রিল) রাতে শহরের নতুন হাছননগরের ভুবির পয়েন্ট এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

দুর্ঘটনায় নিহত হন পিরোজপুর গ্রামের বাসিন্দা সুরেশ রবি দাস (৪০)। আহত হন সিএনজি চালক জীবন মিয়া (২০) ও যাত্রী কৃষ্ণ রবি দাস (৩২)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে মোল্লাপাড়া ইউনিয়নের বুড়িস্থল বাজার থেকে ৩ জন যাত্রী নিয়ে একটি সিএনজি সুনামগঞ্জ শহরের দিকে যাওয়ার পথে সিএনজিটি পৌর শহরের ভুবির পয়েন্ট এলাকায় আসলে বিপরীত দিক থেকে বেপরোয়া গতিতে মালহাবী একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে, এতে ট্রাক ও সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে ঘটনাস্থলেই একজন নিহত হন।

সুনামগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদ চৌধুরী বলেন, শহরের ভুবির পয়েন্টে ট্রাকে ও সিএনজি সংঘর্ষ হয়েছে বলে খবর পেয়েছি। ঘটনাস্থল গিয়ে লাশ উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।