img

জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপা যুক্তরাষ্ট্র’র উদ্যোগে পিলখানা ট্রাজেডি দিবস পালন

প্রকাশিত :  ১০:১২, ০৩ মার্চ ২০২৪

জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপা যুক্তরাষ্ট্র’র উদ্যোগে পিলখানা ট্রাজেডি দিবস পালন

জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপা যুক্তরাষ্ট্র শাখার উদ্যোগে নিউইয়র্কে পিলখানা ট্রাজেডি দিবস পালিত হয়েছে। গত ২৭ ফেব্রুয়ারী ব্রুকলীনের নোয়াখালী ভবনে আয়োজিত সভায় জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপার সহ-সভাপতি ও ১২ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতা রাশেদ প্রধান টেলিকনফারেন্সে বক্তব্য রাখেন।

জাগপা যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি এএসএম রহমত উল্যাহ ভঁইয়ার সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক নোমান সিদ্দিকীর পরিচালনায় সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য রীতা রহমান, সাংবাদিক ও লেখক সাঈদ তারেক, যুক্তরাষ্ট্র জাসাসের সদস্য সচিব জাহাঙ্গির শহীদ সোহরাওয়ার্দি, বিএনপি নেতা অধ্যাপক সাইদ আজাদ, বিশিষ্ট রাজনতিবিদ হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন, বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম রহমান, সাংবাদিক চৌধুরী কাজল, বিএনপি নেতা ফারুক, আশরাফুল হাসান, ইকবাল পাটোয়ারী, মাইন উদ্দিন আশরাফ, মাওলানা নূর নবী, ইসমাইল হোছাইন, আব্দুল মান্নান দিদার, ইমরান হোসেন, জোবায়ের হোসেন প্রমুখ।

জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপার সহ-সভাপতি রাশেদ প্রধান বলেনে, শেখ হাসিনার পরিকল্পনায় ও ভিনদেশি অপশক্তির ইশারায় ২০০৯ সালের ২৫শে ফেব্রুয়ারী পিলখানায় নির্মমভাবে সেনা হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়েছিলো। তবে সেই দিন পিলখানা সেনা হত্যার সঙ্গে শেখ হাসিনা সরকার ও আওয়ামী লীগের একাধিক প্রভাবশালী নেতা জড়িত ছিলেন। দেশকে নেতা-সেনা ও মেধাশূন্য করার গভীর ষড়যন্ত্র এখনো অব্যাহত আছে।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা সরকার বাংলাদেশের জনগণের সরকার নয়। এই সরকার দিল্লির ক্রীতদাস সরকার। যার নেতৃত্বে ভারত বাংলাদেশকে বিভিন্ন পন্থায় শোষণ-নিপীড়ন ও লুণ্ঠন চালাচ্ছে। প্রতিনিয়ত ভারতীয় বিএসএফ বাহিনী বাংলাদেশের বিজিবি ও নাগরিকদের পাখির মতো গুলি করে হত্যা করে যাচ্ছে। ‘ভারত’ বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে প্রকাশ্যে হত্যার মদদ দিচ্ছে এবং তারা বাংলাদেশের শিক্ষা-চিকিৎসাকে ধ্বংস করার গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে।

বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য রিতা রহমান বলেন, শেখ হাসিনা সরকার বাংলাদেশের জনগণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। তাই জনগণের ভোটাধিকার, গণতান্ত্রিক অধিকারসহ সকল মৌলিক অধিকার গুলো কেড়ে নিয়েছে।

এই সরকার ভারতের নীল নকশা বাস্তবায়ন করার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। তিনি অবিলম্বে শেখ হাসিনা সরকারকে পদত্যাগের আহ্বান জানিয়ে বলেন, নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচনের ব্যবস্থা করুন।

জাগপা যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি এএসএম রহমত উল্যাহ ভঁইয়া বাংলাদেশের জনগণ ও প্রবাসীদের প্রতি ভারতীয় পণ্য বয়কটের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ভারত বাংলাদেশের বন্ধু নয়! তাদের পররাষ্ট্রনীতি বাংলাদেশের প্রতি শোষণ ও লুণ্ঠনের প্রমাণপত্র। এই ভারত শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের পুতুল সরকার বানিয়ে গত পনের বছর ধরে প্রায় দুইশত বছরের সম্পদ বাংলাদেশ থেকে লুটপাট করে নিয়েছে। তাইভারতকে না বলুন এবং ভারতীয় পণ্য বয়কট করুন।

তিনি বলেন, মরহুম শফিউল আলম প্রধান ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন। তার দেখানো এবং শেখানো পথে জাগপা ও আমাদের রাজনীতি। আগামী দিনে আমরা জাগপা সভাপতি ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান ও সিনিয়র সহ-সভাপতি রাশেদ প্রধান এর নেতৃত্বে ভারত বিরোধী আন্দোলন আরো জোর করবো। জনগণকে সাথে নিয়ে বাংলার মাটিতে ভারতীয় দালালদের প্রতিহত করবো ইনশাআল্লাহ।

কমিউনিটি এর আরও খবর

img

নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট সম্মাননা পেলেন গোলাম ফারুক শাহীন

প্রকাশিত :  ১১:১১, ২৩ এপ্রিল ২০২৪

কমিউনিটি সার্ভিস, নান্দনিক ও মানবিক কাজের জন্য সম্মাননা পেয়েছেন নিউইয়র্কে বাংলাদেশী কমিউনিটি এক্টিভিস্ট গোলাম ফারুক শাহীন। গত এক দশকের বেশী সময় নানাভাবে কমিউনিটির মানুষের জন্য কাজ করছেন এই সংগঠক। কোভিড থেকে শুরু করে রমজান এবং বিভিন্ন সময় কমিউনিটির মানুষের জন্য নিরলসভাবে কাজ করায় এবার নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট  লংআইল্যানড এলাকার নিউইয়র্কের ফোর্থ সিনেট ডিস্ট্রিক্টের সিনেটর মনিকা আর মার্টিনেজের পক্ষ থেকে সম্মাননা দেয়া হয়েছে গোলাম ফারুক শাহীনকে। খবর বাপসনিঊজ ।

নিউইয়র্কের লংআইল্যান্ডের হাগপ্যাক সিটিতে নিউইয়র্ক স্টেট বিল্ডিংয়ে আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানে এই সম্মাননা তুলে দেয়া হয়। কমিউনিটিতে অবদান রাখায় লং আইল্যান্ডের সাফোক কাউন্টিতে প্রথমবারের মত কোন বাংলাদেশী নিউইয়র্ক স্টেটের এমন সম্মাননা পেয়েছেন।

উল্লেখ্য, কোভিডের সময় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কমিউনিটির মানুষকে সেবা দিয়েছিলেন গোলাম ফারুক শাহীন। তাছাড়া প্রতিবারই তিনি পবিত্র রমজানে লংআইল্যান্ডের ব্যাবিলন সিটিতে বিপুল সংখ্যক মানুষের জন্য ইফতারের আয়োজন করে থাকেন গোলাম ফারুক শাহীন ও তাঁর সংগঠন। সেই ধারাবাহিকতায় এবারো পবিত্র রমজানে মুসল্লীদের জন্য ইফতারের আয়োজন করেছেন।

জাতিসংঘের বিভিন্ন কাজে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় গুরুত্বপূর্ন অবদান রাখছেন তিনি। এসব কাজের স্বীকিৃত স্বরুপ তাঁকে এই সম্মাননা দেয়া হয়েছে। নিউইয়র্ক স্টেট বিল্ডিংয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডিরেক্টর অব ডিস্ট্রিক্ট অপারেশন্স এন্ড প্রোগ্রামস মিস আডিনা বিডেনবেন্ডার। এই সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিনেটরের সহকর্মীবৃন্দ।

এমন অসাধারণ মুহুর্তে সবার কাছ থেকে অভিনন্দিত হয়েছেন গোলাম ফারুক শাহীন। এক প্রতিক্রিয়ায় এই সম্মাননা পর গোলাম ফারুক শাহীন জানান, এই সম্মাননা পাওয়ার পর দায়িত্ব বেড়ে গিয়েছে। ভবিষ্যতে আরো মানবিক কাজ করুতে অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে এই সম্মাননা।

এর আগে সেন্সাস অর্থাৎ আদম সুমারীর কাজও করেছেন তিনি। মসজিদে মসজিদে গিয়ে মুসলমানদের নাম অর্ন্তভূক্ত করেছেন। এছাড়া বাংলাদেশী কমিউনিটির উদ্যেগে ফ্রি ফুড বিতরন করেছেন। লংআইল্যান্ড বাংলাদেশীদের প্রথম ফেসটিভ্যাল উপলক্ষ্যে চমৎকার স্মরনিকা প্রকাশিত হয় “হদয়ে লাংআইল্যান্ড নামে। এর সম্পাদক  ছিলেন গোলাম ফারুক শাহীন। প্রতি বছর বাংলাদেশীসহ বিভিন্ন কমিউনিটির মানুষ নিয়ে স্ট্রিট ফেয়ার করে থাকেন গোলাম ফারুক শাহীন।

কমিউনিটি এর আরও খবর