img

ক্যান্সারের আক্রান্ত ব্রিটিশ রাজকুমারী কেট

প্রকাশিত :  ০৯:১৪, ২৩ মার্চ ২০২৪

ক্যান্সারের আক্রান্ত ব্রিটিশ রাজকুমারী কেট

ব্রিটিশ রাজবধূ প্রিন্সেস অব ওয়েলস কেট মিডলটন ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছেন। স্থানীয় সময় গতকাল শুক্রবার এক ভিডিও বার্তায় নিজেই এই তথ্য জানান তিনি। বর্তমানে তিনি প্রতিরোধমূলক কেমোথেরাপি নিচ্ছেন। 

বুধবার উইন্ডসরে বিবিসি স্টুডিওর রেকর্ড করা একটি ভিডিও বার্তায় কেট বলেন, গত জানুয়ারিতে তার পেটে অস্ত্রোপচারের পরে তার ক্যানসার ধরা পড়ে।

তিনি বলেন, ‘অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে। তবে অপারেশনের পর পরীক্ষায় ক্যান্সার পাওয়া গেছে। তাই আমার মেডিকেল টিম পরামর্শ দিয়েছে যে আমাকে প্রতিরোধমূলক কেমোথেরাপির কোর্স করা উচিত এবং আমি এখন সেই চিকিৎসার প্রাথমিক পর্যায়ে আছি।’

তার স্বাস্থ্য সম্পর্কে কয়েক সপ্তাহ ধরে জল্পনা-কল্পনার বিষয়ে কেট আরও বলেন, তিনি এবং তার স্বামী প্রিন্স উইলিয়াম তাদের সন্তানদের পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করার জন্য সময় প্রয়োজন।

তিনি বলেন, ‘অবশ্যই এটি একটি বিশাল ধাক্কা হিসাবে এসেছিল আমাদের কাছে এবং উইলিয়াম এবং আমি আমাদের সন্তান ও পরিবারের স্বার্থে ব্যক্তিগতভাবে এটি প্রক্রিয়াকরণ এবং পরিচালনা করার জন্য আমরা যা যা করতে পারি তা করছি।’

প্রিন্সেস অব ওয়েলস আরও বলেন, ‘আমার কাজ সবসময় আমাকে আনন্দের গভীর অনুভূতি এনেছে এবং আমি যখন সক্ষম হব তখন আমি ফিরে আসার অপেক্ষায় আছি, কিন্তু আপাতত আমাকে এই রোগ থেকে সম্পূর্ণ পুনরুদ্ধারের দিকে মনোনিবেশ করতে হবে।

প্রসঙ্গত, এই নিয়ে গত তিন মাসের মধ্যে ব্রিটিশ রাজপরিবারের তিন সদস্যের ক্যানসারের খবর পাওয়া গেলো। গত ৬ ফেব্রুয়ারি ব্রিটিশ রাজা চার্লস ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। এর আগে জানুয়ারিতে, প্রিস অ্যান্ড্রুর সাবেক স্ত্রী ডাচেস অব ইয়র্ক সারাহ ফার্গুসন স্কিন ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছেন বলেও জানা যায়।

যুক্তরাজ্য এর আরও খবর

img

অভিবাসনপ্রত্যাশীদের জন্য দুঃসংবাদ দিল ব্রিটেন

প্রকাশিত :  ০৮:৫৫, ২৪ এপ্রিল ২০২৪

দুই বছর আটকে থাকার পর বিরোধী দলগুলোর আপত্তির মুখে পাস হয়েছে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাকের প্রস্তাবিত রুয়ান্ডা বিল। সোমবার (২২ এপ্রিল) যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে বিলটি পাস হয়।

মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) সকালে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ঋষি সুনাক জানান, দুর্বল অভিবাসীদের বিপজ্জনক ক্রসিং থেকে বিরত রাখার পাশাপাশি অপরাধী চক্র ভেঙে দিতেই এই পদক্ষেপ। এই বিলের মাধ্যমে এটি স্পষ্ট হলো যে অবৈধভাবে যুক্তরাজ্যে প্রবেশকারী কেউ এখানে অবস্থান করতে পারবে না।

জুলাই মাসের মাঝামাঝি অভিবাসীদের নিয়ে রুয়ান্ডার উদ্দেশে প্রথম ফ্লাইট ছেড়ে যেতে পারে বলেও জানান তিনি। বিরোধী দলগুলোর আপত্তির মুখে পাঁচ মাস ধরে ঝুলে ছিল বিলটি। এখন শুধু এটি আইনে পরিণত হওয়ার অপেক্ষা।

এ নিয়ে ২০২২ সালের এপ্রিলে দেশটির সরকারের সঙ্গে পাঁচ বছরের চুক্তি হয় ব্রিটেনের। চুক্তিতে বলা হয়, যুক্তরাজ্যের সরকারের কাছ থেকে অর্থনৈতিক সহায়তা নেওয়ার বিনিময়ে পাঁচ বছর দেশটিতে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের জায়গা দেবে রুয়ান্ডা। পাশাপাশি তাদের পুনর্বাসন বাবদ বাড়তি অর্থ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় যুক্তরাজ্য। সে বছর অভিবাসীদের নিয়ে প্রথম ফ্লাইটটি যাত্রার কথা থাকলেও পরবর্তীতে ইউরোপের মানবাধিকার আদালতের এক আদেশে বাতিল হয়ে যায় তা।

এদিকে রুয়ান্ডা বিলকে অমানবিক হিসেবে আখ্যা দিয়েছে ব্রিটেনের বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়। মঙ্গলবার জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা এবং ইউরোপ কাউন্সিল উভয়ই যুক্তরাজ্যকে তার পরিকল্পনা পুনর্বিবেচনা করার আহ্বান জানায়। কারণ এই আইনটি মানবাধিকার সুরক্ষাকে ক্ষুণ্ন করে এবং বিশ্বব্যাপী অভিবাসন সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টাকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সূত্র: গার্ডিয়ান, সিএনএন