img

খল অভিনেতা ড্যানিয়েল মারা গেছেন

প্রকাশিত :  ০৯:৪৮, ৩০ মার্চ ২০২৪

খল অভিনেতা ড্যানিয়েল মারা গেছেন

হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ভারতের দক্ষিণী সিনেমার খল অভিনেতা ড্যানিয়েল বালাজি । শুক্রবার (২৯ মার্চ) মধ্যরাতে চেন্নাইয়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন এই অভিনেতা। মৃত্যুর সময় তার বয়স হয়েছিল ৪৮।

শনিবার (৩০ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে হিন্দুস্তান টাইমস। 

প্রতিবেদন অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থতায় ভুগছিলেন ড্যানিয়েল। বুকে ব্যথা অনুভব করায় শুক্রবার তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু এদিন মধ্যরাতে হঠাৎ শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে অভিনেতার। চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান ড্যানিয়েল।

মূলত তামিল সিনেমায় খল অভিনেতার চরিত্রেই বেশি কাজ করেছেন ড্যানিয়েল। কমল হাসানের মারুধুনায়গামে ইউনিট প্রোডাকশন ম্যানেজার হিসেবে নিজের কর্মজীবন শুরু করেন তিনি। টেলিভিশনেও কাজ করেছেন।

২০২২ সালের এপ্রিলে ‘মাধাথিল’ সিনেমার মাধ্যমে রুপালি পর্দায় অভিষেক হয় ড্যানিয়েলের। এরপর একের পর এক সিনেমায় অভিনয় করে খুব অল্প সময়েই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছিলেন তিনি।

শুধু তামিল নয়, মালায়ালাম, তেলেগু এবং কন্নড় সিনেমায়ও অভিনয় করেছেন ড্যানিয়েল। অভিনেতার মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রিতে।

গৌতম মেনন ও সুরিয়া-জ্যোতিকার কাখা কাখার সিনেমাটি তাকে জনপ্রিয়তা দিয়েছে। 


img

‘যেখানেই যাচ্ছি অনেক প্রশংসা পাচ্ছি’

প্রকাশিত :  ১০:২৪, ২৪ এপ্রিল ২০২৪

জনপ্রিয় ইপস্থাপক হানিফ সংকেতের ‘ইত্যাদি’র গানগুলোর কথা, সুর, শিল্পী নির্বাচন ও চিত্রায়ণ বেশ ব্যতিক্রমী হয়। সেই ধারাবাহিকতায় গেল রোজার ঈদের পর্বে একটি গানে কণ্ঠ দেন তাহসান খান ও তাসনিয়া ফারিণ।পেশাদার সংগীতশিল্পী না হয়েও তাহসানের সঙ্গে খুব চমৎকারভাবেই গানটি গেয়েছেন ফারিণ।

অভিনয়ে জনপ্রিয় ফারিণের টিভিতে গাওয়া এটিই প্রথম গান। প্রথম গানেই মাত করে দিয়েছেন তাসনিয়া ফারিণ। সামাজিক মাধ্যমে তাসনিয়া ফারিণের প্রশংসা করছেন নেটিজেনরা।

এ বিষয়ে ফারিণ নিজের ফেসবুকে লিখেছেন, ‘সত্যিই আপনাদের ভালোবাসায় আমি অভিভূত। গানটি এত এত ভালোবাসা পাবে, সেটা ভাবিনি। অনেক রিলস-ভিডিওর পাশাপাশি যেখানেই যাচ্ছি, অনেক প্রশংসা পাচ্ছি। অনেক কৃতজ্ঞতা।’ 

‘রঙে রঙে রঙিন হব’ শিরোনামে তাহসান-ফারিনের গাওয়া এ গানটির কথা লিখেছেন কবির বকুল এবং সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন ইমরান মাহমুদুল।