img

দুইশোর আগেই গুটিয়ে গেলো বাংলাদেশ

প্রকাশিত :  ১০:৫২, ০১ এপ্রিল ২০২৪

দুইশোর আগেই গুটিয়ে গেলো বাংলাদেশ

প্রথম ইনিংসে শ্রীলঙ্কার ৫৩১ রানের জবাবে বাংলাদেশ গুটিয়ে গেছে মাত্র ১৭৮ রানে। তাতে ৩৫৩ রানের লিড পেয়েছে লংকানরা। এ নিয়ে টানা পাঁচ ইনিংসে দুই শর আগে অলআউট হলো বাংলাদেশ। বাংলাদেশকে ফলো-অন করানোর সুযোগ থাকলেও সেটা না করে আবার ব্যাটিং করবে কুশল মেন্ডিসরা।

তাইজুলকে সঙ্গে নিয়ে দিনের শুরুটা ভালোই করেছিল ওপেনার জাকির হাসান। প্রথম ঘন্টায় মাত্র ৩০ রান তুললেও হারাননি কোনো উইকেট। জাকিরের হাফ সেঞ্চুরির পরই টাইগার শিবিরে আঘাত হানে বিশ্ব ফার্নান্ডো। তার ভেতরে ঢোকা বল ডিফেন্স করতে ব্যর্থ হন জাকির। উপড়ে যায় তার লেগ স্টাম্প। এর আগে তিনি করেন ৫৪ রান।

এরপর ক্রিজে আসেন অধিনায়ক নাজমুল হাসান শান্ত। প্রবাত জয়াসুরিয়া ঝুলিয়ে দিয়েছিলেন স্টাম্পের ওপর। ফ্লিক করতে গিয়ে শর্ট মিডউইকেটে দিমুত করুনারত্নের হাতে ক্যাচ তুলেছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। তার আগে তিনি করেন মাত্র ১ রান। পরের ওভারে বিশ্ব ফার্নান্ডোর শিকার হন গতকাল নাইটওয়াচম্যান হিসেবে নামা তাইজুল।

বাংলাদেশের নাইটওয়াচম্যানও হয়েছেন জাকিরের মতো বোল্ড। আবার ভেতরের দিকে ঢোকা বল ছিল, সেটি ভেদ করে তাইজুলের রক্ষণ। ১০৫ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে মধ্যাহ্ন বিরতিতে যায় বাংলাদেশ।

বিরতি থেকে ফিরেই ২৩ বলে ১৫ রান করে আউট হন সাকিব। তার বিদায়ের পর ক্রিজে এসেই সাজঘরের পথ ধরেন লিটন দাস। সিলেটের পর চট্টগ্রামেও ব্যর্থ এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। ৩ বলে ৪ রান করেছেন তিনি।

এরপর ক্রিজে এসে সুবিধা করতে পারেননি শাহদাত হোসেন দিপু। দলীয় ১৫৫ রানে ৩৬ বলে ৮ রান করে ফিরে যান তিনি। দিপুর বিদায়ের পর ক্রিজে আসা মেহেদি হাসান মিরাজকে সঙ্গে নিয়ে ব্যাট করতে থাকেন মুমিনুল হক।

তবে একবার জীবন পেয়েও ব্যর্থ হন মিরাজ। ৩১ বলে মাত্র ৭ রান করে আউট হন তিনি। এরপর একাই লড়াই চালিয়ে যান মুমিনুল। তবে দলীয় ১৭৫ রানে ৮৪ বলে ৩৩ রান করে আউট হন এই বাঁহাতি ব্যাটার।

শেষ ব্যাটার হিসেবে খালেদ আহমেদ আউট হলে ১৭৮ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। শ্রীলঙ্কার পক্ষে আসিথা ফার্নান্দো নিয়েছেন ৪টি উইকেট।

খুলনাকে হারিয়ে প্রথম জয়ের স্বাদ নিল সিলেট

টি-20 বিশ্বকাপ

img

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দাপুটে জয় ইংল্যান্ডের

প্রকাশিত :  ০৯:০১, ২০ জুন ২০২৪

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সুপার এইটে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৪ উইকেটে ১৮০ রানের জবাবে ১৫ বল হাতে রেখে ২ উইকেটে ১৮১ তুলে জয় নিশ্চিত করে ইংল্যান্ড।

বৃহস্পতিবার (২০ জুন) সেন্ট লুসিয়ার ড্যারেন স্যামি জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে জিতে ক্যারিবিয়ানদের ব্যাটিংয়ে পাঠান ইংলিশ অধিনায়ক জস বাটলার। ব্যাট করতে নেমে দলকে ভালো শুরু এনে দেন দুই ওপেনার ব্রান্ডন কিং ও জনসন চার্লস।

তবে দলীয় ৪০ রানে ১৩ বলে ২৩ রান করে রিটার্ড হার্ট হয়ে ফিরে যান কিং। এরপর নিকোলাস পুরানকে সঙ্গে নিয়ে রানের চাকা সচল রাখেন জনসন। জনসন ৩৪ বলে ৩৮ ও পুরান ৩২ বলে ৩৬ রান করেন 

মাঝে অধিনায়ক রোভম্যান পাওয়েল ১৭ বলে ৩৬ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন। শেষ দিকে শেরফান রাদারফোর্ডের ২৫ বলে ২৮ রানে ভর করে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৮০ রান সংগ্রহ করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

১৮১ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে দলকে ভালো শুরু এনে দেন দুই ইংলিশ ওপেনার ফিল সল্ট ও জস বাটলার। উদ্বোধনী জুটিতে ৬৭ রান যোগ করেন এই দুই ব্যাটার। 

তবে এরপর দ্রুতই জোড়া উইকেট হারায় ইংল্যান্ড। বাটলার ২২ বলে ২৫ ও মঈন আলি ১০ বলে ১৩ রান করে সাজঘরে ফিরে যান। তাদের বিদায়ের পর জনি বেয়ারস্টোকে সঙ্গে নিয়ে ক্যারিবিয়ান বোলারদের ওপর চড়াও হন সল্ট।

আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে ফিফটি তুলে নেন সল্ট। এই দুই ব্যাটারের ব্যাটে ১৫ বল হাতে রেখে ৮ উইকেটের জয় পায় ইংল্যান্ড। ক্যারিবিয়ানদের পক্ষে আন্দ্রে রাসেল ও রস্টন চেজ নেন ১টি করে উইকেট।