img

ধরন বদলাচ্ছে ডেঙ্গু, বাঁচতে যা করবেন

প্রকাশিত :  ০৮:১৮, ০২ এপ্রিল ২০২৪

ধরন বদলাচ্ছে ডেঙ্গু, বাঁচতে যা করবেন

বাংলাদেশ ডেঙ্গু ফিভার নামের সঙ্গে পরিচিত হয় ২০০০ সালে। তার আগে ঢাকা ফিভার নামে পরিচিত ছিল। সেই ২০০০ সাল থেকে ডেঙ্গু শুরু হয়ে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা পাওয়া যাচ্ছে। 

২০২৩ সালে জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ছিল ৮১৮, মারা গিয়েছিলেন ৯ জন।

ডেঙ্গু রোগীর আগে যে প্যাটার্নটা ছিল তা হলো কোনো বছর বাড়লে তার পরের বছর কম থাকত। অল্টারনেটিভ বছর এ সংখ্যাটা বেশি থাকত। ২০০০ সালে প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পর তার পরের কয়েকটা বছর ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ওঠানামা করত। মাঝে অনেকটা কমে গিয়েছিল আক্রান্তের সংখ্যা মৃত্যুর সংখ্যা। তার পর ২০১৯ সালে ডেঙ্গু রোগী সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ল। আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখের বেশি।

এরপর কোভিডের সময় ২০২০সালে আক্রান্তের সংখ্যা কমে গিয়েছিল, তার পর ২০২৩ সালে সংখ্যা ভয়াবহ  ধারণ করলো মৃত্যু অনেক বেশি ছিল।

গতবছর ডেঙ্গু তার ধরন পরিবর্তন করেছিল।  আগের মত প্রচন্ড জ্বর মাথাব্যথা ছাড়াই দেখা যেত ডেঙ্গু রোগী। 

এই ধরন পরিবর্তন হওয়ার পরে উপসর্গগুলো নতুন হওয়ার কারণে মানুষ সহজে বুঝতে পারত না এবং চিকিৎসকের শরণাপন্ন দেরি করে আসত, তাই  মৃত্যুর সংখ্যা  অনেক বেশি ছিল।

সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। তাই অবশ্যই অবহেলা করা যাবে না ক্লাসিক্যাল ডেঙ্গু ফিভারে প্রচন্ড জ্বর মাথাব্যথা ব্যথা হতে পারে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় হালকা জ্বর অথবা ডায়রিয়া হচ্ছে। রোগী বুঝতেও পারছে না যে সে জন্য যদি সামান্য জীবনযাত্রার ব্যাহত হয়, যদি অসুস্থ অনুভব করে মাথাব্যথা অথবা অন্য কোনো উপসর্গ তাহলে শুরুতে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে এবং ডেঙ্গু টেস্টটা করে নিতে হবে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় ডেঙ্গু রোগীর জন্য প্রস্তুত করা আছে আলাদা করে ডেঙ্গুকর্নার। দেশের সব সরকারি হাসপাতাল তৈরি করে রাখা আছে।

ডেঙ্গু থেকে বাঁচতে প্রতিটি মানুষকে দায়িত্বশীল হতে হবে। নিজের ঘরবাড়ি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।  বালতির পানি প্রতি ৩ দিন পর পর ফেলে দিতে হবে এবং পানিটা ঢেকে রাখতে হবে এবং কোথাও পানি জমতে দেওয়া যাবে না

ভয় নয়, আতঙ্ক নয়, ডেঙ্গু থেকে বাঁচতে চাই সতর্কতা।



img

মাঝেমধ্যে একা চুপচাপ বসে থাকাও কেন জরুরি

প্রকাশিত :  ১২:৪৭, ২৪ এপ্রিল ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট: ১২:৫৪, ২৪ এপ্রিল ২০২৪

সারাদিন তো কাজ আর কাজ। নিজের জন্য আলাদা করে সময় বের করার সময় পান না। মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে,ভালো থাকতে নিজেকে সময় দেওয়া খুবই জরুরি। এজন্য মাঝেমধ্যে একা একাই বসে থাকার চেষ্টা করবেন। এই বসে থাকা মানে শুধুই বসে থাকা। অর্থাৎ আর কোনও কাজ করা নয়। একদম চুপ করে বসে থাকা। গবেষকরা বলছেন, এর বেশ কিছু উপকার রয়েছে। এতে শরীর ও মন দুই-ই ভালো থাকে। 

চুপচাপ কোনও কাজ না করে বসে থাকলে কী কী উপকার হয়-

মেজাজ ভালো থাকে: মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, এতে মন মেজাজ ভালো থাকে। কোনও কারণে মন বিক্ষিপ্ত ও খারাপ থাকলে এভাবে কিছুক্ষণ বসে থাকতে পারেন। নিজেকে সময় দিলে আবার পুরোনো পরিস্থিতিতে ফিরে আসা যায়। 

কাজ করার ক্ষমতা বাড়ে: চুপচাপ একাকী বসে থাকলে কাজ করার ক্ষমতাও বাড়ে। কারণ এতে মনঃসংযোগ করার ক্ষমতা বাড়ে। পাশাপাশি দক্ষতাও বাড়ে।

যে কোনও শিক্ষা গভীর হয়: প্রতিদিনই আমরা কোনো না কোনো অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে যাই‌। এসব আমাদের নানা শিক্ষা দেয়। কিন্তু এই শিক্ষাগুলি আত্মস্থ করার জন্য নিজের সঙ্গে নিজের বোঝাপড়া জরুরি। চুপটি করে বসে থেকে কোনও কাজ না করলে মন সেই সময়টা পায়। 

সৃজনশীল ক্ষমতা বাড়ে : একা কিছু না করে বসে থাকলে সৃজনশীল ক্ষমতা বাড়ে। মন নতুন কিছু ভাবতে পারে। 

চাপ কমে:  সারাদিন নানা ধরনের কাজের চাপে মন ও শরীর ক্লান্ত হয়ে পড়ে। চুপ করে বসে থাকলে এ ধরনের কমাতে সাহায্য করে। 

নিজেকে সময় দেওয়া: পরিবার, সংসার, অফিস সবকিছু সামলেও নিজেকে সময় দেওয়া খুব জরুরি। এভাবে কিছুক্ষণ কাজ না করে বসে থাকলে নিজেকে সময় দেওয়া যায়। যা নিজেকে ভালোভাবে গড়ে তুলতে ভুলগুলি শুধরে নিতে জরুরি।