img

তাইওয়ানে ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৯, আহত হাজারের বেশি

প্রকাশিত :  ১০:২৩, ০৪ এপ্রিল ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট: ১০:২৮, ০৪ এপ্রিল ২০২৪

তাইওয়ানে ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৯, আহত হাজারের বেশি

তাইওয়ানের পূর্ব উপকূলে ৭ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে নয় জনে দাঁড়িয়েছে। আহত বেড়ে ১ হাজারে পৌঁছেছে। নিখোঁজ এখনও অর্ধশতাধিক। 

তাইওয়ানের ২৫ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পে বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির চিত্র স্পষ্ট হতে শুরু করেছে। 

বৃহস্পতিবার সকালে পাহাড়ী এলাকায় একটি খনি থেকে ৬ জনকে উদ্ধার করে কর্মীরা। ফায়ার সার্ভিস জানায়, হুয়ালিন শহরে উদ্ধার কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। তবে অন্য এলাকায় বিধ্বস্ত ভবনের নিচে এখনও চাপা পড়ে রয়েছে শতাধিক মানুষ। 

এছাড়া তারোকো জাতীয় পার্ক থেকে বাসে করে আসার পথে নিখোঁজ ৩৮ কর্মীরও কোনো সন্ধান পায়নি উদ্ধার কর্মীরা। 

বুধবার সকাল ৮টার দিকে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে তাইওয়ানে। উৎপত্তিস্থল হুয়ালিন শহর থেকে ২৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে।

img

পাপুয়া নিউ গিনিতে ভূমিধসে জীবিত সমাহিত ২ হাজারেরও বেশি মানুষ

প্রকাশিত :  ০৮:৪২, ২৭ মে ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট: ০৮:৪৩, ২৭ মে ২০২৪

পাপুয়া নিউ গিনির একটি গ্রামে ভয়াবহ ভূমিধসে একটি গ্রাম প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। এ ঘটনায় সেখানে জীবিত সমাহিত হয়েছে ২ হাজারেরও বেশি মানুষ। দেশটি জাতিসংঘকে এমন তথ্যই জানিয়েছে।

সোমবার (২৭ মে) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা এএফপি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের একটি প্রত্যন্ত গ্রামে প্রবল ভূমিধসে ২ হাজারেরও বেশি লোক চাপা পড়েছে বলে পাপুয়া নিউ গিনি সোমবার জাতিসংঘকে অবহিত করেছে। মূলত একটি চিঠিতে দেশটি জাতিসংঘকে এই তথ্য জানায় এবং সেই চিঠির একটি অনুলিপি এএফপির হাতে এসেছে।

পাপুয়া নিউ গিনির জাতীয় দুর্যোগ কেন্দ্র রাজধানী পোর্ট মোরেসবিতে অবস্থিত জাতিসংঘের অফিসকে বলেছে, ‘ভূমিধসে ২ হাজারেরও বেশি লোক জীবিত সমাহিত হয়েছে এবং এই ভূমিধস বড় ধরনের ধ্বংসযজ্ঞের সৃষ্টি করেছে।’

গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে পাপুয়া নিউ গিনির এঙ্গা প্রদেশে যে ভূমিধস হয়েছে, তাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রদেশের ৬টিরও বেশি গ্রাম। তবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কাওকালাম নামের একটি গ্রাম।

কাওকালাম গ্রামের বাসিন্দা নিঙ্গা রোলে জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ৩ টায় এই ভূমিধস ঘটেছে। গভীর রাতে সবাই ঘুমিয়েছিলেন, তাই দুর্যোগের সময় অধিকাংশ মানুষই বাড়ি থেকে বের হতে পারেননি।

দুর্যোগ অফিস বলেছে, ভূমিধসের ফলে ভবন, খাবারের গাছের বাগানের বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে এবং দেশের অর্থনৈতিক লাইফলাইনে বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে।

সোমবার সকালে জাতিসংঘের কর্মকর্তারা এই চিঠিটি পেয়েছেন। সেখানে আরও বলা হয়েছে, পোরগেরা মাইনে যাওয়ার প্রধান মহাসড়কটি ‘সম্পূর্ণভাবে অবরুদ্ধ’।

এতে বলা হয়েছে, ‘পরিস্থিতি এখনও অস্থিতিশীল রয়ে গেছে। কারণ ল্যান্ডস্লিপটি ধীরে ধীরে স্থানান্তরিত হচ্ছে, আর এটি উদ্ধারকারী দল এবং বেঁচে থাকা বাসিন্দা উভয়ের জন্যই বিপজ্জনক।’

আন্তর্জাতিক এর আরও খবর