img

বছরের প্রথম সূর্যগ্রহণ আজ

প্রকাশিত :  ০৪:৫৭, ০৮ এপ্রিল ২০২৪

বছরের প্রথম সূর্যগ্রহণ আজ

বছরের প্রথম ও বিরল সূর্যগ্রহণ আজ। এরই মধ্যে বিষয়টি আলোড়ন সৃষ্টি করেছে বিশ্বজুড়ে । সূর্য ও পৃথিবীর মধ্যকার কক্ষপথে চাঁদ এসে পড়লে পৃথিবীর একটা অংশ সম্পূর্ণ ঢেকে যায় সেই ছায়ায়। আর এতেই অন্ধকারে দিন হয়ে যায় রাতের মতো। মহাজাগতিক এ ঘটনাকে বলে পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ।

সূর্যগ্রহণ হলো এমন একটি অবস্থা, যখন চাঁদ সূর্য ও পৃথিবীর মাঝখানে চলে আসে। এ কারণে সূর্যের প্রতিচ্ছবি কিছুক্ষণের জন্য চাঁদের পেছনে আবৃত থাকে, একে সূর্যগ্রহণ বলা হয়। সূর্যগ্রহণ তিন রকম হতে পারে। আংশিক বা খণ্ডগ্রাস, বলয়গ্রাস এবং পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ।

এ বছর অর্থাৎ ২০২৪ সালের প্রথম সূর্যগ্রহণ হতে যাচ্ছে আজ। এটি মেক্সিকো, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা অতিক্রম করবে এটি। পরে উত্তর আমেরিকা ঘুরে যাবে এ পূর্ণ সূর্যগ্রহণ। মহাজাগতিক এ ঘটনা ঘিরে যুগ যুগ ধরে নানা কথা রটেছে। তবে এখনকার বিজ্ঞান অনেক কুসংস্কার ভেঙে দিয়েছে।

সবচেয়ে মজার ব্যাপার হচ্ছে, ৫০ বছরের মধ্যে এত দীর্ঘতম সূর্যগ্রহণ আর হয়নি। মনে করা হচ্ছে বছরের প্রথম সূর্যগ্রহণ ৭.৫ মিনিট স্থায়ী হবে। গ্রহণের সময় সূর্যকে চাঁদ ঢেকে ফেলবে। দিনের আলো খুব কম পৌঁছবে পৃথিবীতে। একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০৪৪ সাল পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তেমনভাবে আর সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে না।

আজ ৮ এপ্রিল বছরের প্রথম সূর্যগ্রহণ ঘটবে। দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের উপর দিয়ে শুরু হয়ে এটি একটি সম্পূর্ণ সূর্যগ্রহণ হতে চলেছে। এটি উত্তর আমেরিকা ও মেক্সিকো হয়ে কানাডায় পৌঁছাবে। এটি কোস্টারিকা, কিউবা, ডোমিনিকা, ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া এবং জ্যামাইকার মতো দেশেও আংশিকভাবে দেখা যাবে। এই সূর্যগ্রহণ পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল প্রভৃতি দেশ সহ ভারত ও বাংলাদেশে দেখা যাবে না। কারণ সেই সময় এদেশে রাত হবে।

তবে বাংলাদেশে এই সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে না। চাইলে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে দেখতেই পারেন। আপনি যদি সেইসব দেশে থাকেন, যেখানে সূর্যগ্রহণ সরাসরি দেখা যাচ্ছে, তাহলে এক্স-রে প্লেট, সানগ্লাস ব্যবহার করেই দেখবেন। নাহলে চোখের উপর খারাপ প্রভাব পড়ে। সূর্যগ্রহণ নিয়ে আমাদের মধ্যে অনেক কুসংস্কার আছে। তবে বিজ্ঞানে এর বেশিরভাগই ভিত্তিহীন।

img

পাপুয়া নিউ গিনিতে ভূমিধসে জীবিত সমাহিত ২ হাজারেরও বেশি মানুষ

প্রকাশিত :  ০৮:৪২, ২৭ মে ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট: ০৮:৪৩, ২৭ মে ২০২৪

পাপুয়া নিউ গিনির একটি গ্রামে ভয়াবহ ভূমিধসে একটি গ্রাম প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। এ ঘটনায় সেখানে জীবিত সমাহিত হয়েছে ২ হাজারেরও বেশি মানুষ। দেশটি জাতিসংঘকে এমন তথ্যই জানিয়েছে।

সোমবার (২৭ মে) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা এএফপি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের একটি প্রত্যন্ত গ্রামে প্রবল ভূমিধসে ২ হাজারেরও বেশি লোক চাপা পড়েছে বলে পাপুয়া নিউ গিনি সোমবার জাতিসংঘকে অবহিত করেছে। মূলত একটি চিঠিতে দেশটি জাতিসংঘকে এই তথ্য জানায় এবং সেই চিঠির একটি অনুলিপি এএফপির হাতে এসেছে।

পাপুয়া নিউ গিনির জাতীয় দুর্যোগ কেন্দ্র রাজধানী পোর্ট মোরেসবিতে অবস্থিত জাতিসংঘের অফিসকে বলেছে, ‘ভূমিধসে ২ হাজারেরও বেশি লোক জীবিত সমাহিত হয়েছে এবং এই ভূমিধস বড় ধরনের ধ্বংসযজ্ঞের সৃষ্টি করেছে।’

গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে পাপুয়া নিউ গিনির এঙ্গা প্রদেশে যে ভূমিধস হয়েছে, তাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রদেশের ৬টিরও বেশি গ্রাম। তবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কাওকালাম নামের একটি গ্রাম।

কাওকালাম গ্রামের বাসিন্দা নিঙ্গা রোলে জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ৩ টায় এই ভূমিধস ঘটেছে। গভীর রাতে সবাই ঘুমিয়েছিলেন, তাই দুর্যোগের সময় অধিকাংশ মানুষই বাড়ি থেকে বের হতে পারেননি।

দুর্যোগ অফিস বলেছে, ভূমিধসের ফলে ভবন, খাবারের গাছের বাগানের বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে এবং দেশের অর্থনৈতিক লাইফলাইনে বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে।

সোমবার সকালে জাতিসংঘের কর্মকর্তারা এই চিঠিটি পেয়েছেন। সেখানে আরও বলা হয়েছে, পোরগেরা মাইনে যাওয়ার প্রধান মহাসড়কটি ‘সম্পূর্ণভাবে অবরুদ্ধ’।

এতে বলা হয়েছে, ‘পরিস্থিতি এখনও অস্থিতিশীল রয়ে গেছে। কারণ ল্যান্ডস্লিপটি ধীরে ধীরে স্থানান্তরিত হচ্ছে, আর এটি উদ্ধারকারী দল এবং বেঁচে থাকা বাসিন্দা উভয়ের জন্যই বিপজ্জনক।’

আন্তর্জাতিক এর আরও খবর