img

তিউনিশিয়া উপকূলে নৌকাডুবিতে ১৩ অভিবাসীর মৃত্যু

প্রকাশিত :  ০৭:৩৪, ০৮ এপ্রিল ২০২৪

তিউনিশিয়া উপকূলে নৌকাডুবিতে ১৩ অভিবাসীর মৃত্যু

তিউনিশিয়া উপকূলে ভূমধ্যসাগর পেরিয়ে ইতালি যাওয়ার পথে  নৌকা ডুবে অন্তত ১৩ জন অভিবাসীর মৃত্যু হয়েছে। রোববার তিউনিশিয়ার জাতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী এই তথ্য জানিয়েছে।

তিউনিশিয়ার উপকূলীয় এলাকায় কয়েকটি পৃথক নৌকাডুবির ঘটনায় আরও ১ হাজার ৮৬৭ জনকে উদ্ধার করেছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। 

সম্প্রতি আবহাওয়া পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় তিউনিসিয়া থেকে ইতালীয় উপকূলে অভিবাসীদের বহনকারী নৌকার সংখ্যা উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে।

দেশটির কর্তৃপক্ষ মানবপাচারের ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে ইতিমধ্যে ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। তিউনিশিয়ার সরকারি কর্মকর্তারা বলেছেন, ছোট ছোট নৌকায় চেপে হাজার হাজার অভিবাসী ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করছেন। এ সময় কয়েকটি নৌকা ডুবে যায়। এসব নৌকায় নারী-শিশুসহ অভিবাসনপ্রত্যাশীরা ছিলেন।

পরে তিউনিশিয়া উপকূল থেকে ১৩ জন অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এছাড়া উপকূলীয় এলাকা থেকে ১৬টি লোহার নৌকা ও ৪৭টি সামুদ্রিক যান জব্দ করা হয়েছে।

দারিদ্র্য ও সংঘাত থেকে পালিয়ে ইউরোপে উন্নত জীবনের আশায় আফ্রিকা, এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের হাজার হাজার মানুষ প্রায়ই ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করেন। বর্তমানে অভিবাসীদের ইউরোপে যাওয়ার অন্যতম প্রস্থান পয়েন্ট হয়ে উঠছে তিউনিশিয়া। দেশটি নজিরবিহীন অভিবাসন সংকটের মুখোমুখি হয়েছে।

দেশটির স্থানীয় মানবাধিকার সংস্থা তিউনিশীয় ফোরাম ফর ইকোনমিক অ্যান্ড সোশ্যাল রাইটস বলেছে, গত বছর রেকর্ডসংখ্যক অভিবাসী তিউনিসিয়ার উপকূল থেকে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়েছিল। ওই সময় সমুদ্র পাড়ি দিতে গিয়ে নৌকাডুবিতে প্রাণ যায় ১ হাজার ৩০০ জনের বেশি অভিবাসীর।

উপকূল থেকে বিপুলসংখ্যক অভিবাসীর ইউরোপগামী যাত্রা বন্ধ করার বিষয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) দেশগুলোর চাপে রয়েছে তিউনিসিয়া। তবে দেশটির প্রেসিডেন্ট কাইস সাইয়েদ বলেছেন, তার দেশ সীমান্তরক্ষী হিসাবে কাজ করবে না।

img

পাপুয়া নিউ গিনিতে ভূমিধসে জীবিত সমাহিত ২ হাজারেরও বেশি মানুষ

প্রকাশিত :  ০৮:৪২, ২৭ মে ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট: ০৮:৪৩, ২৭ মে ২০২৪

পাপুয়া নিউ গিনির একটি গ্রামে ভয়াবহ ভূমিধসে একটি গ্রাম প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। এ ঘটনায় সেখানে জীবিত সমাহিত হয়েছে ২ হাজারেরও বেশি মানুষ। দেশটি জাতিসংঘকে এমন তথ্যই জানিয়েছে।

সোমবার (২৭ মে) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা এএফপি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের একটি প্রত্যন্ত গ্রামে প্রবল ভূমিধসে ২ হাজারেরও বেশি লোক চাপা পড়েছে বলে পাপুয়া নিউ গিনি সোমবার জাতিসংঘকে অবহিত করেছে। মূলত একটি চিঠিতে দেশটি জাতিসংঘকে এই তথ্য জানায় এবং সেই চিঠির একটি অনুলিপি এএফপির হাতে এসেছে।

পাপুয়া নিউ গিনির জাতীয় দুর্যোগ কেন্দ্র রাজধানী পোর্ট মোরেসবিতে অবস্থিত জাতিসংঘের অফিসকে বলেছে, ‘ভূমিধসে ২ হাজারেরও বেশি লোক জীবিত সমাহিত হয়েছে এবং এই ভূমিধস বড় ধরনের ধ্বংসযজ্ঞের সৃষ্টি করেছে।’

গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে পাপুয়া নিউ গিনির এঙ্গা প্রদেশে যে ভূমিধস হয়েছে, তাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রদেশের ৬টিরও বেশি গ্রাম। তবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কাওকালাম নামের একটি গ্রাম।

কাওকালাম গ্রামের বাসিন্দা নিঙ্গা রোলে জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ৩ টায় এই ভূমিধস ঘটেছে। গভীর রাতে সবাই ঘুমিয়েছিলেন, তাই দুর্যোগের সময় অধিকাংশ মানুষই বাড়ি থেকে বের হতে পারেননি।

দুর্যোগ অফিস বলেছে, ভূমিধসের ফলে ভবন, খাবারের গাছের বাগানের বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে এবং দেশের অর্থনৈতিক লাইফলাইনে বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে।

সোমবার সকালে জাতিসংঘের কর্মকর্তারা এই চিঠিটি পেয়েছেন। সেখানে আরও বলা হয়েছে, পোরগেরা মাইনে যাওয়ার প্রধান মহাসড়কটি ‘সম্পূর্ণভাবে অবরুদ্ধ’।

এতে বলা হয়েছে, ‘পরিস্থিতি এখনও অস্থিতিশীল রয়ে গেছে। কারণ ল্যান্ডস্লিপটি ধীরে ধীরে স্থানান্তরিত হচ্ছে, আর এটি উদ্ধারকারী দল এবং বেঁচে থাকা বাসিন্দা উভয়ের জন্যই বিপজ্জনক।’

আন্তর্জাতিক এর আরও খবর