img

ইরান-ইসরাইলের মধ্যে উত্তেজনা, যা বলল রাশিয়া

প্রকাশিত :  ১২:৩৭, ১২ এপ্রিল ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট: ১২:৩৮, ১২ এপ্রিল ২০২৪

ইরান-ইসরাইলের মধ্যে উত্তেজনা, যা বলল রাশিয়া

সিরিয়ার ইরানি দূতাবসে বর্বর  ইসরাইলি হামলায় ইরান- ইসরাইলের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। এ অবস্থায় সবাইকে সংযত থাকার আহ্বান জানিয়েছে রাশিয়া, জার্মানি ও যুক্তরাজ্য। 

এদিকে, ইরান ও ইসরায়েলের বিরোধের কারণে পুরো মধ্যপ্রাচ্যেই উত্তেজনা ছড়ানোর শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

গত ১ এপ্রিল সিরিয়ার দামেস্কে ইরানি দূতাবাসে ইসরাইলি হামলার প্রতিশোধ নিতে একের পর এক হুমকি দিয়ে আসছে ইরান। আবার, ইরানের নাম না নিলেও, হামলা হলে পাল্টা হামলার হুঁশিয়ারি ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর। 

সম্প্রতি ইসরাইলের প্রধাোনমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ‘আমরা চ্যালেঞ্জিং সময় পার করছি। গাজায় অভিযান অব্যাহত রেখে জিম্মিদের ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছি। অন্যান্য জায়গা থেকে চ্যালেঞ্জের জন্যও প্রস্তুতি নিচ্ছি। আমাদের ওপর হামলা হলে, পাল্টা হামলা করবো’।

এ পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে বাড়ছে উত্তেজনা। ইসরাইলের জেরুজালেম ও তেল আবিবের বাইরে না যেতে নিজ দেশের কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। উত্তেজনা না বাড়াতে ইরানের প্রতি আহ্বান জানাতে চীন, তুরস্ক, সৌদি আরবকে অনুরোধ জানিয়েছে দেশটি। 

মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার বলেন, ‘আমরা মধ্যপ্রাচ্যে ঝুঁকি ইস্যুতে উদ্বিগ্ন। সম্প্রতি ইসরায়েল ও দেশটির জনগণের বিরুদ্ধে হুমকি দিচ্ছে ইরান। উত্তেজনা কমাতে ইরানকে অনুরোধ করার জন্য বিভিন্ন দেশের সাথে কথা বলেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্থনি ব্লিনকেন।’

এছাড়া সংযত থাকার জন্য ইরানকে আহ্বান জানিয়েছে জার্মানিও। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আনালেনা বেয়ারবক বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমাতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় কাজ করছে। এর মধ্যে কেউ আগুনে ঘি ঢালার কাজ করবেন না। বিবাদমান সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানাচ্ছি।’

মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে, রুশ নাগরিকদের ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে ক্রেমলিন। আর, মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের সংঘাত এড়াতে ইরানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাজ্যও। 


img

পাপুয়া নিউ গিনিতে ভূমিধসে জীবিত সমাহিত ২ হাজারেরও বেশি মানুষ

প্রকাশিত :  ০৮:৪২, ২৭ মে ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট: ০৮:৪৩, ২৭ মে ২০২৪

পাপুয়া নিউ গিনির একটি গ্রামে ভয়াবহ ভূমিধসে একটি গ্রাম প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। এ ঘটনায় সেখানে জীবিত সমাহিত হয়েছে ২ হাজারেরও বেশি মানুষ। দেশটি জাতিসংঘকে এমন তথ্যই জানিয়েছে।

সোমবার (২৭ মে) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা এএফপি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের একটি প্রত্যন্ত গ্রামে প্রবল ভূমিধসে ২ হাজারেরও বেশি লোক চাপা পড়েছে বলে পাপুয়া নিউ গিনি সোমবার জাতিসংঘকে অবহিত করেছে। মূলত একটি চিঠিতে দেশটি জাতিসংঘকে এই তথ্য জানায় এবং সেই চিঠির একটি অনুলিপি এএফপির হাতে এসেছে।

পাপুয়া নিউ গিনির জাতীয় দুর্যোগ কেন্দ্র রাজধানী পোর্ট মোরেসবিতে অবস্থিত জাতিসংঘের অফিসকে বলেছে, ‘ভূমিধসে ২ হাজারেরও বেশি লোক জীবিত সমাহিত হয়েছে এবং এই ভূমিধস বড় ধরনের ধ্বংসযজ্ঞের সৃষ্টি করেছে।’

গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে পাপুয়া নিউ গিনির এঙ্গা প্রদেশে যে ভূমিধস হয়েছে, তাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রদেশের ৬টিরও বেশি গ্রাম। তবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কাওকালাম নামের একটি গ্রাম।

কাওকালাম গ্রামের বাসিন্দা নিঙ্গা রোলে জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ৩ টায় এই ভূমিধস ঘটেছে। গভীর রাতে সবাই ঘুমিয়েছিলেন, তাই দুর্যোগের সময় অধিকাংশ মানুষই বাড়ি থেকে বের হতে পারেননি।

দুর্যোগ অফিস বলেছে, ভূমিধসের ফলে ভবন, খাবারের গাছের বাগানের বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে এবং দেশের অর্থনৈতিক লাইফলাইনে বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে।

সোমবার সকালে জাতিসংঘের কর্মকর্তারা এই চিঠিটি পেয়েছেন। সেখানে আরও বলা হয়েছে, পোরগেরা মাইনে যাওয়ার প্রধান মহাসড়কটি ‘সম্পূর্ণভাবে অবরুদ্ধ’।

এতে বলা হয়েছে, ‘পরিস্থিতি এখনও অস্থিতিশীল রয়ে গেছে। কারণ ল্যান্ডস্লিপটি ধীরে ধীরে স্থানান্তরিত হচ্ছে, আর এটি উদ্ধারকারী দল এবং বেঁচে থাকা বাসিন্দা উভয়ের জন্যই বিপজ্জনক।’

আন্তর্জাতিক এর আরও খবর