img

উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে ইসরায়েলকে যে পরামর্শ দিল ব্রিটেন

প্রকাশিত :  ১৬:১০, ১৭ এপ্রিল ২০২৪

উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে ইসরায়েলকে যে পরামর্শ দিল ব্রিটেন

ইসরায়েলে ইরানের হামলার ইস্যু নিয়ে বিশ্ব রাজনীতি অঙ্গন উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। তেল আবিবকে পাল্টা হামলা না চালাতে জোর দিচ্ছে বিভিন্ন দেশ। যদিও প্রতিশোধ নিতে বায়না ধরে আছে ইসরায়েল। এ অবস্থায় বন্ধু হিসেবে তেল আবিবকে কিছু পরামর্শ দিয়েছে যুক্তরাজ্য।

আজ বুধবার ইসরাইল সফরে দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে দেখা করেন ব্রিটেনের পররাষ্ট্র সচিব ডেভিড ক্যামেরন। তিনি নেতানিয়াহুকে ইরানের বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া সীমিত করার আহবান জানান।

জেরুজালেমে পৌঁছার পর ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রীকে ডেভিড ক্যামেরন বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এখন খুবই উদ্বেগজনক, তাই উত্তেজনা যাতে আর না বাড়ে সেদিকে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে। 

জেরুজালেম পৌঁছার পর সাংবাদিকদের ডেভিড ক্যামেরন আরও বলেন, ইরানের ভয়াবহ হামলার সংহতি জানাতেই আমি এখানে এসেছি। পরবর্তীতে কী ঘটতে পারে সেই সম্পর্কে আমাদের সজাগ থাকতে হবে। 

তিনি আরও বলেন, আমরা আশা করি এমন একটি উপায় বের করতে পারব, যাতে উত্তেজনা কমানো যায়। এক্ষেত্রে আমাদের আরও স্মার্ট হতে হবে। 

ক্যামেরন বলেন, আমার মনে হয় ইরান ইস্যু বাদ দিয়ে হামাসের দিকে ফিরে আসা উচিত, জিম্মিদের দিকে ফিরে আসা উচিত, তাদের কিভাবে মুক্ত করা যায়, তাদের কিভাবে সাহায্য করা যায় সেদিকে খেয়াল রাখা উচিত এবং গাজার সংঘাত কিভাবে সমাধান করা যায় সেই চিন্তা করা উচিত। 

ডেভিড ক্যামেরন ইসরাইল সফরে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর সাথে দেখা করার আগে, প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজোগ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসরাইল কাটজের সাথে দেখা করেন। 

যুক্তরাজ্য এর আরও খবর

ইংলিশ চ্যানেলে নৌকা ডুবে শিশুসহ নিহত ৫ | JANOMOT | জনমত

ব্রিটেনে আগাম নির্বাচন

img

সরে দাঁড়ালেন ৭৮ ব্রিটিশ এমপি, বিপাকে ঋষি সুনাক

প্রকাশিত :  ১৮:৩১, ২৬ মে ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট: ১৮:৩৪, ২৬ মে ২০২৪

আগাম নির্বাচনের ঘোষণা দিয়ে বড় সমস্যায় পড়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক। ভোটের আগে তার দলের ৭৮ জন সংসদ সদস্য বলেছেন, তারা আগামী নির্বাচনে লড়বেন না। এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া নেতাদের মধ্যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরাও রয়েছেন।

যুক্তরাজ্যের আইন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জানুয়ারির মধ্যে সাধারণ নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। কিন্তু সুনাকের কনজারভেটিভ পার্টি নির্বাচন স্থগিত করার দাবি জানিয়ে আসছিল। কারণ গত কয়েক মাসে দলটির নেতাদের প্রতি ভোটারদের আস্থা প্রায় তলানিতে পৌঁছেছে। একের পর এক জরিপে দেখা গেছে, ব্রিটিশ রাজনীতির ইতিহাসে রক্ষণশীল পার্টির সবচেয়ে খারাপ ফলাফল হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে পরাজয় নিশ্চিত বলে মনে করছেন দলের একটি বড় অংশ।

কিন্তু কার্যত দলকে উড়িয়ে দিয়ে দ্রুত নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছেন ঋষি সুনক। তিনি বলেন, আগামী ৪ জুলাই দেশটির সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সেখানে প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

পার্টি লাইনের "বিরুদ্ধে" একটি স্ন্যাপ নির্বাচনের ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেছিলেন, যুক্তরাজ্যের ভবিষ্যত বেছে নেওয়ার সময় এসেছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর দাবি, তার নেতৃত্বে দেশ আর্থিক সংকট থেকে মুক্তি পাবে।

তবে নির্বাচনের দিন ঘোষণার পর থেকে একের পর এক কনজারভেটিভ এমপিরা আগামী নির্বাচনে লড়তে চান না বলে জানিয়েছেন। এই তালিকায় প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে, প্রাক্তন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী বেন ওয়ালেস, প্রাক্তন চ্যান্সেলর নাদিম জাহাভি এবং সাজিদ জাভিদের মতো নেতারা রয়েছেন।

ব্রিটিশ দৈনিক দ্য টেলিগ্রাফ জানিয়েছে যে ১৯৯৭ সালের সাধারণ নির্বাচন থেকে সরে আসা টোরি এমপির সংখ্যা রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। স্যার টনি ব্লেয়ারের নেতৃত্বে লেবার পার্টি নির্বাচনে বিপুল বিজয় লাভ করে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কনজারভেটিভ পার্টির নেতারা ধরেই নিয়েছেন, নির্বাচনে তাদের পরাজয় নিশ্চিত। তাই বিব্রত এড়াতে আগাম নাম প্রত্যাহার করা হচ্ছে।

এমন পরিস্থিতিতে অনেকটা আত্মগোপনে চলে গেছেন ঋষি সুনক। সপ্তাহান্তে বিরোধীরা যখন প্রচারণায় ব্যস্ত, তখন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী তার বাসভবনে উপদেষ্টাদের সঙ্গে বৈঠকে ব্যস্ত।

দ্য গার্ডিয়ানকে সূত্র জানায়, নির্বাচনী প্রচারণার প্রথম সপ্তাহান্তে ঋষি সুনক 'অস্বাভাবিক পদক্ষেপ' নিচ্ছেন। প্রকাশ্য অনুষ্ঠানের পরিবর্তে ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টাদের সঙ্গে নির্বাচনী কৌশল নিয়ে আলোচনায় সময় কাটাবেন তিনি।