img

অ্যাটলাস রোবটের বৈদ্যুতিক সংস্করণ কতটা কাজের?

প্রকাশিত :  ১২:৪৬, ২০ এপ্রিল ২০২৪

অ্যাটলাস রোবটের বৈদ্যুতিক সংস্করণ কতটা কাজের?

মানবাকৃতির রোবট অ্যাটলাসের ‘অল-ইলেক্ট্রিক’ বা বৈদ্যুতিক সংস্করণ কেমন হবে, তা দেখাল মার্কিন কোম্পানি বস্টন ডাইনামিক্স। কোম্পানির দাবি, অ্যাটলাসের নতুন মডেলটি এর আগের মডেলের তুলনায় শক্তিশালী হবে, যার মাধ্যমে মানবাকৃতির রোবট বানিজ্যিকীকরণের বিষয়টিও নিশ্চিত করা যাবে।

মঙ্গলবার নতুন মডেলটি উন্মোচনের একদিন আগে বস্টন ডাইনামিক্স ঘোষণা দেয়, তারা অ্যাটলাস মডেলের ‘হাইড্রোলিক’ সংস্করণটি অবসরে পাঠাচ্ছে।

অ্যাটলাস তৈরির প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল তল্লাশি ও উদ্ধারের কাজে নিয়োজিত রোবট হিসেবে ব্যবহার করা। তবে, বস্টন ডাইনামিক্সের দাবি, বাস্তব জগতের কাজ করার বিষয়টি মাথায় রেখে তাদের সর্বশেষ মডেলটি নকশা করা হয়েছে।

অ্যাটলাসকে ‘বিশ্বের সবচেয়ে ডাইনামিক হিউম্যানয়েড রোবট’ দাবি করছে কোম্পানিটি। এক ভিডিওতে দেখা গেছে, অ্যাটলাস উপুর হয়ে শুয়ে আছে এবং দাঁড়ানোর জন্য নিজের পা ভাঁজ করছে। রোবটটি নিজের মাথা ১৮০ ডিগ্রি ঘোরানোর পর নিজের শরীরও ঘোরাতে পারছে।

জনপ্রিয় প্রযুক্তি সাইট এনগ্যাজেট লিখেছে, এ রোবটের পা ও বাকি শরীরের গতিবিধি দেখতে কিছুটা বিরক্তিকর মনে হলেও এর ভারসাম্য রাখার ক্ষমতা ও নমনীয়তা বেশ ভালো।

অ্যাটলাসের বৈদ্যুতিক সংস্করণটি দেখতে এর পূর্বসূরীর চেয়ে মসৃণ। আগের মডেলটি দেখলে মনে হত, কেউ বুঝি এক্সোস্যুট পরে আছে। আর এর মাথা দেখতে কিছুটা রিং লাইটের মত, সেখানে মানুষের মত অঙ্গপ্রত্যঙ্গ নেই।

বস্টন ডাইনামিক্স বলছে, আগামী দিনগুলোতে এ রোবটের বিভিন্ন সক্ষমতা সবার সামনে তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।

অ্যাটলাসকে যেন বিভিন্ন বাণিজ্যিক কারখানার কাজে লাগানো যায়, তা নিশ্চিত করতে এর আগের মডেল তৈরির সময়ই নতুন গ্রিপার সিস্টেম যোগ করার কথা বিবেচনায় রেখেছিল বস্টন ডাইনামিক্স। এই গ্রিপার সিস্টেম রোবটকে ভারী বস্তু তুলতে সুবিধা দেবে।

কোম্পানির দাবি, অ্যাটলাসের নতুন মডেলটি এর আগের মডেলের তুলনায় শক্তিশালী হবে, যার মাধ্যমে মানবাকৃতির রোবটের বাণিজ্যিক ব্যবহারের বিষয়টিও এগিয়ে নেওয়া যাবে।

“অ্যাটলাসে মানুষের কিছু বৈশিষ্ট্য থাকতে পারে, তবে আমরা রোবটটিকে এমনভাবে সাজাচ্ছি যাতে এটি সবচেয়ে কার্যকর উপায়ে বিভিন্ন কাজ শেষ করতে পারে। একে শুধু মানুষের মত বিভিন্ন কাজে সীমাবদ্ধ রাখার বদলে আমরা চাই, এটি যেন মানুষের সক্ষমতাকেও ছাড়িয়ে যায়,” এক ব্লগ পোস্টে লিখেছে বস্টন ডাইনামিক্স।

img

সেটিংস পরিবর্তনে বাঁচবে ইন্টারনেট খরচ

প্রকাশিত :  ১০:৪৪, ২০ জুন ২০২৪

ইন্টারনেটের ব্যবহার বাড়ছে দৈনন্দিন কাজে। একই গতিতে স্মার্টফোনে ডেটা ব্যবহারকারীদের বাড়ছে খরচ, যা অনেকের ক্ষেত্রে বাড়তি চাপের কারণ। কাজ শেষ হওয়ার আগেই ডেটা শেষ হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যা এড়াতে পরিবর্তন করা প্রয়োজন কিছু সেটিংস। এতে অ্যান্ড্রয়েড ফোনে ডেটা কম ব্যবহার হবে। বাঁচবে ইন্টারনেট খরচ।

অ্যান্ড্রয়েড ফোনের এ ফিচারের নাম ‘ডেটা সেভার মোড’। যা ডেটা ব্যবহারে মিতব্যয়ী হতে শেখায়। স্মার্টফোন ওয়াইফাই-এর সঙ্গে সংযুক্ত না থাকলে ব্যাকগ্রাউন্ডে অ্যাপগুলোর  ডেটা ব্যবহার সীমিত করে।

মূলত ডেটা সেভার চালু থাকলে, ব্যাকগ্রাউন্ডে চলমান অ্যাপগুলো ইন্টারনেটের সঙ্গে সংযোগ করতে সক্ষম হবে না। এ সময়ে অ্যাপগুলো আপডেট হবে না। এতে করে পুশ নোটিফিকেশন পাঠাতে পারবে না। হবে না  ডেটার ব্যবহার। এছাড়া ফোনে পর্যাপ্ত ব্যাটারি ব্যাকআপেও দারুণ কাজ করে। কারণ-অ্যাপগুলো ব্যাকগ্রাউন্ডে কম আপডেট হওয়ায়, সেগুলোও কম শক্তি ব্যবহার করে।

এই মোড চালু করলে যে অ্যাপটি খুব সক্রিয়ভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে, সেটিও কম ইন্টারনেট ব্যবহার করবে। যেমন—কিছু অ্যাপের ছবি ততক্ষণ পর্যন্ত লোড হবে না, যদি না তাদের ওপর ক্লিক করা হয়।

ডেটা সেভার মোড চালু করবেন যেভাবে

অ্যান্ড্রয়েড ফোনের সেটিংস ওপেন করুন। এরপর নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেটে ক্লিক করুন। তারপরে ডেটা সেভার অপশনে যেতে হবে। এরপর ইউজ ডেটা সেভারে অপশনে ক্লিক করে এটি চালু করতে হবে। কেউ যদি এটি বন্ধ করতে চান, তাহলে বাঁ দিকে থাকা ডেটা সেভার অপশন ব্যবহার করতে হবে।