img

মোবাইল ইন্টারনেটের গতিতে ৬ ধাপ পেছালো বাংলাদেশ

প্রকাশিত :  ১৩:২৬, ২৫ এপ্রিল ২০২৪

মোবাইল ইন্টারনেটের গতিতে ৬ ধাপ পেছালো বাংলাদেশ

মোবাইল ইন্টারনেটের গতিতে বৈশ্বিক র‌্যাংকিংয়ে ৬ ধাপ পিছিয়েছে বাংলাদেশ। সবশেষ মার্চ মাসে বাংলাদেশের অবস্থান ১১২তম। এর আগের মাস অর্থাৎ, ফেব্রুয়ারিতে এ তালিকায় দেশের অবস্থান ছিল ১০৬তম। একই সময়ে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটেও এক ধাপ পিছিয়ে ১০৭তম থেকে ১০৮-এ নেমে গেছে বাংলাদেশ।

অন্যদিকে, প্রতিবেশী দেশ ভারত মোবাইল ইন্টারনেটে ১৬তম অবস্থানে রয়েছে। এই ইন্টারনেট সেবায় মিয়ানমার, জিম্বাবুয়ে, ইরাক ও নাইজেরিয়ার মতো দেশগুলো বাংলাদেশের ওপরে অবস্থান করছে।

সূচক অনুসারে, মার্চে বাংলাদেশে মোবাইল ইন্টারনেটে ডাউনলোডের গড় গতি পাওয়া গেছে ২৪ দশমিক ৫৯ এমবিপিএস। পাশপাশি আপলোডের স্পিড ছিল ১১ দশমিক ৫৩ এমবিপিএস। এছাড়া ব্রডব্যান্ডে ডাউনলোডের গতি ছিল ৪৪ দশমিক ২৫ এমবিপিএস। যেখানে প্রতিবেশী দেশ ভারতে ডাউনলোডের গড় গতি ১০৫.৮৫ এমবিপিএস।

মধ্যপ্রাচ্যের তিন দেশ মোবাইল ইন্টারনেট গতি সূচকে শীর্ষে অবস্থান করছে। ৩১৩.৩০ এমবিপিএস গতি নিয়ে কাতার ১ নম্বরে, ২৯৬ এমবিপিএস গতি নিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত ২ নম্বরে এবং ২২৮.৬৪ এমবিপিএস গতি নিয়ে কুয়েত তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে।

প্রসঙ্গত, স্পিডটেস্ট গ্লোবাল ইনডেক্স নিজেদের স্পিডটেস্ট অ্যাপের মাধ্যমে পাওয়া লাখ লাখ ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেটওয়ার্ক পারফরম্যান্স সম্পর্কে ধারণা দেয়।



img

পৃথিবীর দুই মেরুর অবস্থান কি বদলাচ্ছে

প্রকাশিত :  ১২:১৬, ১৩ জুন ২০২৪

পৃথিবীর উত্তর মেরু আর দক্ষিণ মেরু নিয়ে অনেকেই অনেক কিছু জানি। সেই মেরুর অবস্থান বদলে যাওয়ার কথা জানিয়েছে বিজ্ঞানীরা। সাধারণভাবে উত্তর মেরু প্রতিবছর প্রায় ১৫ কিলোমিটার গতিতে জায়গা বদল করে। ৯০ দশক থেকে এই গতি বেড়েছে। উত্তর মেরু এখন সাইবেরিয়ার দিকে প্রতিবছর প্রায় ৪৫ কিলোমিটার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। বিজ্ঞানীরা চৌম্বকক্ষেত্রের বিপরীত অবস্থান সম্পর্কে পূর্বাভাস দিয়েছে। এই অবস্থায় পৃথিবীর চৌম্বকীয় উত্তর ও দক্ষিণ মেরু অবস্থান পরিবর্তন করে।

আমরা জানি, পৃথিবীর একটি তরল গলিত কেন্দ্র আছে। সেই কেন্দ্রের বাইরে পুরোটাই লোহা ও নিকেল দ্বারা গঠিত। কেন্দ্র উত্তর ও দক্ষিণ মেরুর মাধ্যমে বিস্তৃত একটি বিদ্যুৎ-চৌম্বকীয় ক্ষেত্র তৈরি করে। এর মাধ্যমে পৃথিবী ক্ষতিকর সৌরকণার বিকিরণ থেকে  রক্ষা পায়। পৃথিবীর চৌম্বকক্ষেত্রের যে শক্তি তা নানা কারণে ওঠানামা করে। সৌরঝড়ের কারণে ভূ-চৌম্বকীয় ক্ষেত্র স্থির থাকে। এতে উপগ্রহ, বিমান, জাহাজ ও গাড়ির নেভিগেশন যন্ত্রে সমস্যা তৈরি হয়। সাম্প্রতিক বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে চৌম্বকক্ষেত্রের বাঁকবদলের কারণে মেরুর আচরণ বদলে যাচ্ছে। ‘জিওফিজিক্যাল রিসার্চ: স্পেস ফিজিকস’ জার্নালে মেরুর আচরণ নিয়ে একটি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে।

নিম্ন থেকে মাঝারি মাত্রার ভূ-চৌম্বকীয় অবস্থার মধ্যে পার্থক্য বোঝার চেষ্টা করে গবেষকরা। প্রায় ৯৮ শতাংশ এলাকাজুড়ে এমন ধরনের ভূ-চৌম্বকীয় প্রভাব থাকে। পৃথিবীর ওপর থেকে উপগ্রহ পর্যবেক্ষণ বিশ্লেষণ করা হয়। পৃথিবীর চৌম্বক মেরুতে বিভিন্ন পরিবর্তন এসব উপগ্রহ পর্যবেক্ষণ করে। নতুন তথ্য বলছে, উত্তর মেরু প্রতিবছর প্রায় ৪৫ কিলোমিটার উত্তর-উত্তর পশ্চিমে স্থানান্তরিত হচ্ছে।

বিজ্ঞানীদের একজন বলেছে, ‘আমরা সব সময় উত্তর ও দক্ষিণ মেরু অঞ্চলকে স্থির মনে করি। প্রতিসাম্য চৌম্বকীয় ক্ষেত্র বলে অনুমান করি। আসলে দুই মেরু বেশ আলাদা। উত্তর মেরুর অবস্থান প্রায় ৮৪ ডিগ্রি চৌম্বক অক্ষাংশ থেকে ১৬৯ ডিগ্রি চৌম্বক দ্রাঘিমাংশ। দক্ষিণ মেরুর অবস্থান মাইনাস ৭৪ ডিগ্রি থেকে ১৯ ডিগ্রি চৌম্বক দ্রাঘিমাংশ। সোয়ার্ম স্যাটেলাইটের তথ্য বলছে, মেরু চৌম্বকক্ষেত্র গত এক দশক বা তারও বেশি সময় ধরে দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে। চৌম্বকক্ষেত্রের নড়াচড়ার কারণে অনেক জটিলতা তৈরি হতে পারে। আমরা যে জিপিএস ব্যবহার করি তা সঠিকভাবে কাজ নাও করতে পারে।