img

গরমে ‘ওভারহিট’ হচ্ছে স্মার্টফোন? জানুন ঠান্ডা করার উপায়

প্রকাশিত :  ০৯:০৮, ২৯ এপ্রিল ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট: ০৯:১১, ২৯ এপ্রিল ২০২৪

 গরমে ‘ওভারহিট’ হচ্ছে স্মার্টফোন? জানুন ঠান্ডা করার উপায়

এই গরমে হাতে থাকা স্মার্টফোনটিও গরম হয়ে যাচ্ছে । অনেক সময় তা ওভারহিট বা অত্যাধিক গরম হচ্ছে। ফলে ঘন ঘন হ্যাং করে সেই সাথে থাকে নষ্ট হওয়ারও  ঝুঁকি। 

আসুন জেনে নেই এই সমস্যার সমাধান কীভাবে ঠান্ডা রাখা যায় ফোনটি। গরমে স্মার্টফোন ওভারহিটের সমস্যা অত্যন্ত সাধারণ। মেনে চলুন সহজ কিছু টিপস। ফোনের ব্যাটারি থাকবে ভালো।


১. সবসময় 'ফার্স্ট পার্টি' চার্জার অর্থাৎ ডিভাইসের সঙ্গে পাওয়া তার নিজস্ব চার্জার ব্যবহার করা উচিত।

২. যদি ডিভাইস বেশি গরম হয়ে যায়, তাহলে কিছুক্ষণ তাকে বিশ্রাম দিন। ঠান্ডা হতে দিন।

৩. পুরোপুরি ব্যাটারি শেষ হতে দেবেন না, তার আগেই চার্জে বসান।

৪. প্রয়োজনের অতিরিক্ত চার্জ করবেন না। যদিও এখন তা অনেকটাই সুরক্ষিত।

৫. ডিভাইসে অর্থাৎ আপনার স্মার্টফোনে কোনও ড্যামেজ বা সমস্যা নেই তা নিশ্চিত করতে হবে।

৬. ফোনের কেস বা কভার খুলে রাখলেও তা ডিভাইসকে দ্রুত ঠান্ডা হতে সাহায্য করে।

৭. বাইরে থেকে কোনও বেশি চাপ প্রয়োগ করবেন না ফোনের ওপর।

৮. ফোনে যদি পানি লেগে ভিজে যায় তবে আগে শুকিয়ে তারপর চার্জ দিবেন।

img

পৃথিবীর দুই মেরুর অবস্থান কি বদলাচ্ছে

প্রকাশিত :  ১২:১৬, ১৩ জুন ২০২৪

পৃথিবীর উত্তর মেরু আর দক্ষিণ মেরু নিয়ে অনেকেই অনেক কিছু জানি। সেই মেরুর অবস্থান বদলে যাওয়ার কথা জানিয়েছে বিজ্ঞানীরা। সাধারণভাবে উত্তর মেরু প্রতিবছর প্রায় ১৫ কিলোমিটার গতিতে জায়গা বদল করে। ৯০ দশক থেকে এই গতি বেড়েছে। উত্তর মেরু এখন সাইবেরিয়ার দিকে প্রতিবছর প্রায় ৪৫ কিলোমিটার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। বিজ্ঞানীরা চৌম্বকক্ষেত্রের বিপরীত অবস্থান সম্পর্কে পূর্বাভাস দিয়েছে। এই অবস্থায় পৃথিবীর চৌম্বকীয় উত্তর ও দক্ষিণ মেরু অবস্থান পরিবর্তন করে।

আমরা জানি, পৃথিবীর একটি তরল গলিত কেন্দ্র আছে। সেই কেন্দ্রের বাইরে পুরোটাই লোহা ও নিকেল দ্বারা গঠিত। কেন্দ্র উত্তর ও দক্ষিণ মেরুর মাধ্যমে বিস্তৃত একটি বিদ্যুৎ-চৌম্বকীয় ক্ষেত্র তৈরি করে। এর মাধ্যমে পৃথিবী ক্ষতিকর সৌরকণার বিকিরণ থেকে  রক্ষা পায়। পৃথিবীর চৌম্বকক্ষেত্রের যে শক্তি তা নানা কারণে ওঠানামা করে। সৌরঝড়ের কারণে ভূ-চৌম্বকীয় ক্ষেত্র স্থির থাকে। এতে উপগ্রহ, বিমান, জাহাজ ও গাড়ির নেভিগেশন যন্ত্রে সমস্যা তৈরি হয়। সাম্প্রতিক বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে চৌম্বকক্ষেত্রের বাঁকবদলের কারণে মেরুর আচরণ বদলে যাচ্ছে। ‘জিওফিজিক্যাল রিসার্চ: স্পেস ফিজিকস’ জার্নালে মেরুর আচরণ নিয়ে একটি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে।

নিম্ন থেকে মাঝারি মাত্রার ভূ-চৌম্বকীয় অবস্থার মধ্যে পার্থক্য বোঝার চেষ্টা করে গবেষকরা। প্রায় ৯৮ শতাংশ এলাকাজুড়ে এমন ধরনের ভূ-চৌম্বকীয় প্রভাব থাকে। পৃথিবীর ওপর থেকে উপগ্রহ পর্যবেক্ষণ বিশ্লেষণ করা হয়। পৃথিবীর চৌম্বক মেরুতে বিভিন্ন পরিবর্তন এসব উপগ্রহ পর্যবেক্ষণ করে। নতুন তথ্য বলছে, উত্তর মেরু প্রতিবছর প্রায় ৪৫ কিলোমিটার উত্তর-উত্তর পশ্চিমে স্থানান্তরিত হচ্ছে।

বিজ্ঞানীদের একজন বলেছে, ‘আমরা সব সময় উত্তর ও দক্ষিণ মেরু অঞ্চলকে স্থির মনে করি। প্রতিসাম্য চৌম্বকীয় ক্ষেত্র বলে অনুমান করি। আসলে দুই মেরু বেশ আলাদা। উত্তর মেরুর অবস্থান প্রায় ৮৪ ডিগ্রি চৌম্বক অক্ষাংশ থেকে ১৬৯ ডিগ্রি চৌম্বক দ্রাঘিমাংশ। দক্ষিণ মেরুর অবস্থান মাইনাস ৭৪ ডিগ্রি থেকে ১৯ ডিগ্রি চৌম্বক দ্রাঘিমাংশ। সোয়ার্ম স্যাটেলাইটের তথ্য বলছে, মেরু চৌম্বকক্ষেত্র গত এক দশক বা তারও বেশি সময় ধরে দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে। চৌম্বকক্ষেত্রের নড়াচড়ার কারণে অনেক জটিলতা তৈরি হতে পারে। আমরা যে জিপিএস ব্যবহার করি তা সঠিকভাবে কাজ নাও করতে পারে।