img

নর্থাম্পটনশায়ারের নতুন পুলিশ, ফায়ার ও ক্রাইম কমিশনার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ড্যানিয়েল স্টোন

প্রকাশিত :  ০১:১১, ০৯ মে ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট: ১০:১৫, ০৯ মে ২০২৪

নর্থাম্পটনশায়ারের নতুন পুলিশ, ফায়ার ও ক্রাইম  কমিশনার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ড্যানিয়েল স্টোন

এহসানুল ইসলাম চৌধুরী শামীম, নর্থাম্পটনশায়ারঃ ২ মে যুক্তরাজ্যের নর্থাম্পটনশায়ারে পুলিশ, ফায়ার এন্ড ক্রাইম কমিশনার পদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

নির্বাচনে নর্থাম্পটনশায়ারের নতুন পুলিশ, ফায়ার অ্যান্ড ক্রাইম কমিশনার হিসেবে লেবার দলের প্রার্থী কাউন্সিলর  ড্যানিয়েল স্টোন নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৪৩,৬৮৪ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী কনজারভেটিভ প্রার্থী মার্টিন এমবারসন ৩৯,৭৪০ ভোট পেয়েছেন এবং লিবডেম প্রার্থী আনা স্যাভেজ গুন পেয়েছেন ২৭,৭৯৯ ভোট।

কাউন্সিলর স্টোন, যিনি ২০১১ সাল থেকে কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন এবং বর্তমানে ওয়েস্ট নর্থাম্পটনশায়ার কাউন্সিলে নিজ এলাকার প্রতিনিধিত্ব করছেন। 

নবনির্বাচিত ড্যানিয়েল পিএফসিসি স্টিফেন মোল্ডের কাছ থেকে দায়িত্ব নেবেন, যিনি ২০১৬ সাল থেকে দুই মেয়াদে কাউন্টির দায়িত্ব পালন করেছেন। 

এই বছর নির্বাচনে ভোটদানে কিছুটা ভিন্নতা ছিল। পূর্ববর্তী পিএফসিসি নির্বাচনে একটি সম্পূরক ভোট ব্যবস্থা ব্যবহার করা হয়েছিল যেখানে ভোটাররা প্রথম এবং দ্বিতীয় পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতেন। এবার ‘ফাস্টর্ পাস্ট দ্য পোস্ট’ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে, যেখানে ভোটাররা একটি ভোট দিয়েছেন এবং সর্বাধিক ভোট প্রাপ্ত প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন।

ফলাফল ঘোষণার আগে ড্যানিয়েল স্টোন বলেছিলেন: “আমার মনে হচ্ছে আমি এখানে আসার জন্য মাইল মাইল হেঁটেছি। আমি মনে করি কমিউনিটির মধ্যে, প্রার্থীদের ব্যাপারে উচ্চ প্রত্যাশা রয়েছে এবং আমি আশা করি আমি হতাশ হতে যাচ্ছি না।”

নির্বাচনের সময় তার পর্যবেক্ষণ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন: “সবচেয়ে বড় যে বিষয়টি আমাকে উদ্বিগ্ন করছে তা হলো মানুষ তাদের দৈনন্দিন জীবনে নিরাপদ বোধ করে না।

আমরা গুরুতর অপরাধের শিকারদের সম্পর্কেও কথা বলছি না। লোকেরা খুব অসহায় বোধ করে এবং তারা দৃশ্যমান পুলিশিং হারানোর জন্য অনুতপ্ত।”

জয় লাভের পর ড্যানিয়েল বলেন, “আমি খুব আনন্দিত। আমি আমার দায়িত্ব সফলভাবে করে যাবো।


যুক্তরাজ্য এর আরও খবর

ইংলিশ চ্যানেলে নৌকা ডুবে শিশুসহ নিহত ৫ | JANOMOT | জনমত

ব্রিটেনে আগাম নির্বাচন

img

সরে দাঁড়ালেন ৭৮ ব্রিটিশ এমপি, বিপাকে ঋষি সুনাক

প্রকাশিত :  ১৮:৩১, ২৬ মে ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট: ১৮:৩৪, ২৬ মে ২০২৪

আগাম নির্বাচনের ঘোষণা দিয়ে বড় সমস্যায় পড়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক। ভোটের আগে তার দলের ৭৮ জন সংসদ সদস্য বলেছেন, তারা আগামী নির্বাচনে লড়বেন না। এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া নেতাদের মধ্যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরাও রয়েছেন।

যুক্তরাজ্যের আইন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জানুয়ারির মধ্যে সাধারণ নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। কিন্তু সুনাকের কনজারভেটিভ পার্টি নির্বাচন স্থগিত করার দাবি জানিয়ে আসছিল। কারণ গত কয়েক মাসে দলটির নেতাদের প্রতি ভোটারদের আস্থা প্রায় তলানিতে পৌঁছেছে। একের পর এক জরিপে দেখা গেছে, ব্রিটিশ রাজনীতির ইতিহাসে রক্ষণশীল পার্টির সবচেয়ে খারাপ ফলাফল হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে পরাজয় নিশ্চিত বলে মনে করছেন দলের একটি বড় অংশ।

কিন্তু কার্যত দলকে উড়িয়ে দিয়ে দ্রুত নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছেন ঋষি সুনক। তিনি বলেন, আগামী ৪ জুলাই দেশটির সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সেখানে প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

পার্টি লাইনের "বিরুদ্ধে" একটি স্ন্যাপ নির্বাচনের ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেছিলেন, যুক্তরাজ্যের ভবিষ্যত বেছে নেওয়ার সময় এসেছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর দাবি, তার নেতৃত্বে দেশ আর্থিক সংকট থেকে মুক্তি পাবে।

তবে নির্বাচনের দিন ঘোষণার পর থেকে একের পর এক কনজারভেটিভ এমপিরা আগামী নির্বাচনে লড়তে চান না বলে জানিয়েছেন। এই তালিকায় প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে, প্রাক্তন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী বেন ওয়ালেস, প্রাক্তন চ্যান্সেলর নাদিম জাহাভি এবং সাজিদ জাভিদের মতো নেতারা রয়েছেন।

ব্রিটিশ দৈনিক দ্য টেলিগ্রাফ জানিয়েছে যে ১৯৯৭ সালের সাধারণ নির্বাচন থেকে সরে আসা টোরি এমপির সংখ্যা রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। স্যার টনি ব্লেয়ারের নেতৃত্বে লেবার পার্টি নির্বাচনে বিপুল বিজয় লাভ করে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কনজারভেটিভ পার্টির নেতারা ধরেই নিয়েছেন, নির্বাচনে তাদের পরাজয় নিশ্চিত। তাই বিব্রত এড়াতে আগাম নাম প্রত্যাহার করা হচ্ছে।

এমন পরিস্থিতিতে অনেকটা আত্মগোপনে চলে গেছেন ঋষি সুনক। সপ্তাহান্তে বিরোধীরা যখন প্রচারণায় ব্যস্ত, তখন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী তার বাসভবনে উপদেষ্টাদের সঙ্গে বৈঠকে ব্যস্ত।

দ্য গার্ডিয়ানকে সূত্র জানায়, নির্বাচনী প্রচারণার প্রথম সপ্তাহান্তে ঋষি সুনক 'অস্বাভাবিক পদক্ষেপ' নিচ্ছেন। প্রকাশ্য অনুষ্ঠানের পরিবর্তে ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টাদের সঙ্গে নির্বাচনী কৌশল নিয়ে আলোচনায় সময় কাটাবেন তিনি।