img

এক ভিসায় যাওয়া যাবে মধ্যপ্রাচ্যের ৬ দেশে

প্রকাশিত :  ১০:৫২, ১৫ মে ২০২৪

এক ভিসায় যাওয়া যাবে মধ্যপ্রাচ্যের ৬ দেশে

উপসাগরীয় অঞ্চলের ছয়টি দেশে একক ভিসা পদ্ধতির অনুমোদন দিয়েছে দেশগুলোর জোট গালফ কো-অপারেশন কাউন্সিল (জিসিসি)। দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক বাড়ানোর পাশাপাশি পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 

ইউরোপের শেনজেন ভিসার আদলে ‘জিসিসি গ্রান্ড ট্যুর’ নামে নতুন ভিসা চালু করতে যাচ্ছে এই ছয় দেশ। এগুলো হলো সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, কাতার, সৌদি আরব, বাহরাইন এবং কুয়েত। শেনজেন ভিসায় যেমন ইউরোপের ২৭টি দেশ ঘোরা যায়, তেমনি এই ভিসায়ও জিসিসিভুক্ত দেশগুলো অনায়াসে ঘুরে বেড়াতে পারবেন। খবর দ্য ইকোনোমিক্স টাইমের

জিসিসি গ্র্যান্ড ট্যুর ভিসা এ বছরের শেষের দিকে চালু হবে। ভিসাটি হবে শেনজেন ভিসার মতো।

অ্যারাবিয়ান ট্রাভেল মার্কেটের এক প্যানেল আলোচনায় আরব আমিরাতের অর্থনীতি বিষয়ক মন্ত্রী আবদুল্লাহ বিন তৌক আল মারি জানান, এর লক্ষ্য হলো জিসিসি অঞ্চলজুড়ে ভ্রমণকে আরও সুবিধাজনক করা এবং পর্যটনকে উৎসাহিত করা।

ভ্রমণ সংক্রান্ত সেবাদানকারী সংস্থা ট্রাভেজির সহযোগী নির্বাহী আনাস আনানে এই ভিসা সম্পর্কে বলেন, একটি দেশের জন্য ফ্লাইট ও দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখতে জনপ্রতি এক হাজার ৫০০ দিরহাম থেকে ভ্রমণ প্যাকেজ শুরু হবে। প্যাকেজে সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার এবং সৌদি আরবে কয়েক দিন থাকা ও ভ্রমণের জন্য প্রায় চার হাজার থেকে ৫ হাজার দিরহাম খরচ হবে। এই খরচে রাত্রিযাপনসহ ফ্লাইট, হোটেল, যাতায়াত এবং ভ্রমণ—সব খরচ অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

সংযুক্ত আরব আমিরাত কর্তৃপক্ষের হিসাব মতে, এই ভিসা চালু হলে রেকর্ড সংখ্যক পর্যটকের এই অঞ্চল ভ্রমণ করার সম্ভাবনা রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ২০৩০ সাল নাগাদ ভ্রমণকারীর এই সংখ্যা দাঁড়াতে পারে ১২৮ দশমিক ৭ মিলিয়নে।

অ্যারাবিয়ান ট্রাভেল মার্কেট-এর আওতাভুক্ত নতুন এই ভিসায় এই ছয় দেশে ৩০ দিনের বেশি অবস্থান করা যাবে।


img

পাপুয়া নিউ গিনিতে ভূমিধসে জীবিত সমাহিত ২ হাজারেরও বেশি মানুষ

প্রকাশিত :  ০৮:৪২, ২৭ মে ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট: ০৮:৪৩, ২৭ মে ২০২৪

পাপুয়া নিউ গিনির একটি গ্রামে ভয়াবহ ভূমিধসে একটি গ্রাম প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। এ ঘটনায় সেখানে জীবিত সমাহিত হয়েছে ২ হাজারেরও বেশি মানুষ। দেশটি জাতিসংঘকে এমন তথ্যই জানিয়েছে।

সোমবার (২৭ মে) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা এএফপি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের একটি প্রত্যন্ত গ্রামে প্রবল ভূমিধসে ২ হাজারেরও বেশি লোক চাপা পড়েছে বলে পাপুয়া নিউ গিনি সোমবার জাতিসংঘকে অবহিত করেছে। মূলত একটি চিঠিতে দেশটি জাতিসংঘকে এই তথ্য জানায় এবং সেই চিঠির একটি অনুলিপি এএফপির হাতে এসেছে।

পাপুয়া নিউ গিনির জাতীয় দুর্যোগ কেন্দ্র রাজধানী পোর্ট মোরেসবিতে অবস্থিত জাতিসংঘের অফিসকে বলেছে, ‘ভূমিধসে ২ হাজারেরও বেশি লোক জীবিত সমাহিত হয়েছে এবং এই ভূমিধস বড় ধরনের ধ্বংসযজ্ঞের সৃষ্টি করেছে।’

গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে পাপুয়া নিউ গিনির এঙ্গা প্রদেশে যে ভূমিধস হয়েছে, তাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রদেশের ৬টিরও বেশি গ্রাম। তবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কাওকালাম নামের একটি গ্রাম।

কাওকালাম গ্রামের বাসিন্দা নিঙ্গা রোলে জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ৩ টায় এই ভূমিধস ঘটেছে। গভীর রাতে সবাই ঘুমিয়েছিলেন, তাই দুর্যোগের সময় অধিকাংশ মানুষই বাড়ি থেকে বের হতে পারেননি।

দুর্যোগ অফিস বলেছে, ভূমিধসের ফলে ভবন, খাবারের গাছের বাগানের বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে এবং দেশের অর্থনৈতিক লাইফলাইনে বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে।

সোমবার সকালে জাতিসংঘের কর্মকর্তারা এই চিঠিটি পেয়েছেন। সেখানে আরও বলা হয়েছে, পোরগেরা মাইনে যাওয়ার প্রধান মহাসড়কটি ‘সম্পূর্ণভাবে অবরুদ্ধ’।

এতে বলা হয়েছে, ‘পরিস্থিতি এখনও অস্থিতিশীল রয়ে গেছে। কারণ ল্যান্ডস্লিপটি ধীরে ধীরে স্থানান্তরিত হচ্ছে, আর এটি উদ্ধারকারী দল এবং বেঁচে থাকা বাসিন্দা উভয়ের জন্যই বিপজ্জনক।’

আন্তর্জাতিক এর আরও খবর