img

ঢাকায় ব্যাটারি চালিত রিকশা বন্ধের নির্দেশ

প্রকাশিত :  ১১:৩১, ১৫ মে ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট: ১৩:১৩, ১৫ মে ২০২৪

ঢাকায় ব্যাটারি চালিত রিকশা বন্ধের নির্দেশ

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ব্যাটারি চালিত রিকশা এবং মোটরসাইকেল রাজধানীতে সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ। তিনি রাজধানী শহর ঢাকায় ব্যাটারি চালিত রিকশা যেন চলতে না পারে সে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন।

বুধবার (১৫ মে) বনানীতে বিআরটিএর সদর কার্যালয়ে আয়োজিত 'সড়ক পরিবহন উপদেষ্টা পরিষদের সভা'য় তিনি এ নির্দেশ দেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ব্যাটারি চালিত কোন গাড়ি (তিন চাকার) যেন ঢাকা সিটিতে না চলে।

আমরা ২২টি মহাসড়কে নিষিদ্ধ করেছি। শুধু নিষেধাজ্ঞা নয়, চলত্ব যেন না পারব সে ব্যবস্থা নিতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, ঈদের আগে ও পরে অনেক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এগুলো মন্ত্রী নয়, মানুষ হিসেবে আমাদের কষ্ট দেয়।

আমাদের দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর প্রধান কারণ মোটরসাইকেল ও অটোরিকশা। এক অটোরিকশায় ৭ থেকে ৮ জন থাকে। একটা দুর্ঘটনা হলে অটোরিকশার সকলেই মারা যায়। আর মোটরসাইকেল তো আরেক উপদ্রব।

দুর্ঘটনা হলে তো কাউকে কেউ কিছু বলে না। শুনতে হয় আমাকে। কেউ বলে না বিআরটিএ চেয়ারম্যান কী করছে, সবাই আমাকে বলে। ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ২০ বছরের পুরোনো বাস কীভাবে সড়কে চলাচল করে।  সড়কে শৃঙ্খলা না ফিরলে কখনোই দুর্ঘটনা কমবে না।

এর আগে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের মেয়র ঢাকার মধ্যে অটোরিকশা বন্ধে সম্মত্তি জানান।

সভায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, ভয়াবহ ব্যাপার যখন রিকসা চালকরা দুপা ওপরে উঠিয়ে বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালায়। অনেক প্রতিবন্ধী আছেন যারা চোখে কিছুটা কম দেখেন তারাও এই রিকশা নিয়ে নেমে পড়েন।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম, সিদ্ধান্তে আসা দরকার যে ঢাকায় ইজি বা অটোরিকশা চলবে না। এটি অতন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। 

সভায় বাংলাদেশ শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি শাজাহান খান, সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সচিব এ বি এম আমিন উল্লাহ নূরী, বিআরটিএ চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ মজুমদার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সড়ক পরিবহন ও শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি শাহজাহান খান মেয়াদোত্তীর্ণ ও লক্করঝক্কর গাড়িগুলোকে ডাম্পিং নয়, সম্পূর্ণভাবে ধ্বংসের সুপারিশ করেন।

img

ভারী বর্ষণে ডুবল চট্টগ্রাম, দুর্ভোগে নগরবাসী

প্রকাশিত :  ১০:৩৬, ২৭ মে ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট: ১০:৩৮, ২৭ মে ২০২৪

প্রবল ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে টানা দুই দিনের ভারি বর্ষণ ও জোয়ারের পানিতে নগরীর নিম্নাঞ্চলসহ অনেক এলাকা ডুবে গেছে। এর মধ্যে চকবাজার, বহদ্দারহাট, আগ্রাবাদ, বেপারিপাড়া, নয়াবাজার, ফইল্যাতলী, বড়পুল, হাজিপাড়া, পান্নাপাড়া, মোগলটুলি, কমার্স কলেজ রোড, বসুন্ধরা আবাসিক, মুরাদপুর, জিইসি, ষোলশহর দুই নম্বর গেট, বাকলিয়া, প্রবর্তক মোড়, বাঁদুরতলাসহ বিভিন্ন এলাকায় কোথাও হাঁটু পানি আবার কোথাও কোমর পানিতে থৈ থৈ করছে।

আজ সোমবার সরেজমিনে দেখা গেছে, বাসা বাড়ির নিচতলায় বসবাসকারীদের আসবাবপত্র পানিতে ভাসছে। জ্বলছে চুলা। দোকানঘর থেকে হাত দিয়ে পানি সেচছেন দোকানিরা। সড়কে রিকশা ছাড়া চার চাকার যানবাহন নেই। অফিসগামী ও শ্রমজীবী মানুষরা দুর্ভোগে পড়েছেন। সুযোগ বুঝে রিকশাচালকরা ডবল ভাড়া হাঁকাচ্ছেন।

নগরীর চকবাজার এলাকার বাসিন্দা সৈয়দ মাহমুদ জামিল বলেন, আমার বাসার ভেতরে-বাইরে কোমর পানি। বাথরুমেও পানি উঠে গেছে। বাচ্চারা বাথরুমেও যেতে পারেনি। সোফা, খাট সব পানিতে ডুবে গেছে। বাচ্চাকে স্কুলে নিয়ে যেতে কোনোভাবে বের হয়েছি। পানি আরও ওঠার সম্ভাবনা আছে।

আগ্রাবাদে প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানে চাকরিজীবী মো. শফিক বলেন, চট্টগ্রামকে জলাবদ্ধতা, জলজট মুক্ত করার কোনো উদ্যোগ আজ পর্যন্ত দৃশ্যমান হয়নি। সামান্য বৃষ্টিতে এখানে হাঁটু পানি-কোমর পানি হয়। সামনে বর্ষা, তখন নগরবাসীকে যাতায়াতের জন্য নৌকার ওপর ভরসা রাখতে হবে।