img

‘ট্যাক্স হ্যাভেন’ দেশগুলাতে বাংলাদেশিদের ৭০ হাজার কোটি টাকার সম্পদ

প্রকাশিত :  ১৮:৫৫, ১৭ মে ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট: ১৯:০৫, ১৭ মে ২০২৪

‘ট্যাক্স হ্যাভেন’ দেশগুলাতে বাংলাদেশিদের ৭০ হাজার কোটি টাকার সম্পদ

নিজ দেশ থেকে অন্য দেশে গোপনে অর্থ জমা রাখার সুযোগ রয়েছে যেসব দেশে, সেগুলোর পরিচিতি ‘ট্যাক্স হ্যাভেন’ হিসেবে।  লুক্সেমবার্গ, কেম্যান দ্বীপপুঞ্জ, ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ বা বারমুডার মতো দেশগুলিকে অর্থের উত্স সম্পর্কে রিপোর্ট করার বিষয়ে চিন্তা করতে হবে না; ট্যাক্সের কোন হিসাব নেই। এ ধরনের ট্যাক্স হেভেন দেশে বিদেশি ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কর ফাঁকি দিয়েই ডলার বা সম্পদ ক্রয় করতে পারেন। আর ওই সম্পদকে বলা হয় অফশোর সম্পদ।

ট্যাক্স হ্যাভেন হিসেবে পরিচিত দেশগুলোতে ২০২২ সালে কী পরিমাণ অফশোর সম্পদ রয়েছে, এর প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। ইইউ ট্যাক্স অবজারভেটরি প্রকাশিত অ্যাটলাস অব অফশোর ওয়ার্ল্ড নামের ওই প্রতিবেদনে উঠে এসেছে সেখানে থাকা বাংলাদেশিদের সম্পদের পরিমাণও।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্যাক্স হ্যাভেন নামে পরিচিত দেশগুলোতে বাংলাদেশিদের সম্পদ রয়েছে ৫৯১ কোটি ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ৭০ হাজার কোটি টাকা। এটি বাংলাদেশের মোট জিডিপির প্রায় ১.০৩ শতাংশ।

এতে আরো বলা হয়েছে, এসব অর্থের একটি অংশ ব্যয় হয়েছে আবাসন খাতে। এই খাতে ব্যয় প্রায় ৬৬ কোটি ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ৭ হাজার ৮শ’ কোটি টাকা।

লন্ডন, প্যারিস, দুবাইয়ের মতো বিভিন্ন শহরে কেনা হয়েছে এসব সম্পদ। তবে প্রতিবেদনে সম্পদের মালিকদের নাম-পরিচয় গোপন রাখা হয়েছে।

২০২০ ও ২১ সালের তুলনায় ২০২২ সালে ট্যাক্স হ্যাভেন দেশগুলোতে বাংলাদেশিদের সম্পদের পরিমাণ কমেছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়। ২০২১ সালে বাংলাদেশিদের অফশোর সম্পদের পরিমাণ ছিল ৮শ’ কোটি ডলারের বেশি।

এদিকে, এসব অর্থের উৎস খতিয়ে দেখার তাগিদ দিয়েছেন অর্থনীতিবিদরা। পাশাপাশি সংশ্লিষ্টদের এ বিষয়ে খোঁজখবর নেয়ারও পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে অর্থনীতি সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আইনুল ইসলাম বলেন, টাকা পাচার থেকে শুরু করে দেশে আয় করা অবৈধ টাকা সেখানে নিয়ে যাওয়াকে কেউ কেউ বেশি নিরাপদ মনে করে।

এছাড়া তারা ভাবে এটিতে লাভও বেশি। এমনটি দেশের অর্থনীতির জন্য মোটেও সুখকর নয়। তাদের কারণে দেশের টাকা বাইরে চলে যাচ্ছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কঠোর হতে হবে।

img

বুধবার ব্লকে পাঁচ কোম্পানির বড় লেনদেন

প্রকাশিত :  ১৯:২৭, ১৯ জুন ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট: ১৯:২৯, ১৯ জুন ২০২৪

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে  সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবস বুধবার ২২টি কোম্পানি লেনদেনে অংশ নিয়েছে। এসব কোম্পানির মোট ১৩ কোটি ৫২ লাখ ২০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হতে দেখা গেছে পাঁচ কোম্পানির শেয়ার। ডিএসই সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

কোম্পানিগুলো হলো- প্রগতি লাইফ ইন্সুরেন্স, দেশ জেনারেল ইন্সুরেন্স, শমরিতা হসপিটাল, স্কায়ার ফার্মা এবং রূপালী লাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড। আজ এই পাঁচ কোম্পানির মোট শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৯ কোটি ৫০ লাখ টাকারও বেশি।

জানা গেছে, কোম্পানিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে প্রগতি লাইফ ইন্সুরেন্স। এদিন কোম্পানিটির ২ কোটি ৭০ লাখ ২৩ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দেশ জেনারেল ইন্সুরেন্সের ১ কোটি ৯৫ লাখ ২৭ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

আর ১ কোটি ৭২ লাখ ২৭ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন করে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে শমরিতা হসপিটাল।

অন্য দুইটি কোম্পানির মধ্যে- স্কায়ার ফার্মার ১ কোটি ৫৯ লাখ ১০ হাজার টাকা এবং রূপালী লাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের ১ কোটি ৫৩ লাখ ৯২ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।