img

মেসির চুক্তির সেই ন্যাপকিনের দাম ১১ কোটি

প্রকাশিত :  ০৬:৪৬, ১৮ মে ২০২৪

মেসির চুক্তির সেই ন্যাপকিনের দাম ১১ কোটি

নিলামে বিক্রি হয়েছে বার্সেলোনার সঙ্গে লিওনেল মেসির চুক্তির বিখ্যাত সেই ন্যাপকিন পেপার । পেপারটি নিলামে ৯ লাখ ৬৫ হাজার ডলারে বিক্রি হয়েছে। যার বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১১ কোটি ২৯ লাখ টাকা। 

শুক্রবার (১৮ মে) ন্যাপকিনটি নিলামে বিক্রয় হয়েছে।

ব্রিটিশ নিলাম হাউস বোনহামসে নিলাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। নিলামে ন্যাপকিন পেপারের ভিত্তিমূল্য ছিল ৩ লাখ ডলার। ধারণা চেয়েও বেশি দামে বিক্রি হয়েছে এই নেপকিন পেপারটি।

আর্জেন্টাইন এজেন্ট হোরাশিও গ্যাগিওলি প্রথমে মেসির নাম সুপারিশ করেছিলেন। তার উপস্থিতিতে ন্যাপকিন পেপারে এই চুক্তি সম্পন্ন হয়। বোনহামস জানিয়েছে, ন্যাপকিন পেপারটি গ্যাগিওলির কাছ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। এটি নিলামে যে দামে বিক্রি হয়েছে, সেখান থেকে একটি অংশ অনলাইন নিলামের প্রশাসনিক ফি হিসেবে দিতে হবে—এটি ‘ক্রেতার প্রিমিয়াম’।

ঐতিহাসিক সেই ন্যাপকিন পেপার। বার্সার সঙ্গে মেসির প্রথম চুক্তিপত্র হিসেবে এই ন্যাপকিন পেপারকে বিবেচনা করা হয়।

১৩ বছর বয়সী মেসি এই ন্যাপকিন পেপারে বার্সেলোনার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলেন। ২০০০ সালের সেপ্টেম্বরে ট্রায়ালের জন্য পরিবারের সঙ্গে বার্সেলোনায় যান মেসি। সঙ্গে ছিলেন দুই আর্জেন্টাইন প্রতিনিধি ফাবিয়ান সোলদিনি ও মার্তিন মনতেরো এবং গাজ্জোলি। ট্রায়ালে সবাইকে চমকে দেন মেসি। তাই চুক্তির আশা নিয়ে রোসারিওতে ফেরে তার পরিবার।

সেই সময়ের বার্সেলোনা সভাপতি হুয়ান গাসপার্ত অবশ্য হরমোনজনিত সমস্যায় ভোগা ১৩ বছর বয়সী একটি ছেলের সঙ্গে চুক্তিতে যাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ মনে করেছিলেন। তাকে রাজি করানোর জন্য বার্সেলোনার তখনকার টেকনিক্যাল সেক্রেটারি কার্লো রেক্সাসকে চাপ দেন গাজ্জোলি ও মিনগেলা। শেষ পর্যন্ত চুক্তির কথা লেখা হয়েছিল ওই ন্যাপকিন পেপারে।

খুলনাকে হারিয়ে প্রথম জয়ের স্বাদ নিল সিলেট

টি-20 বিশ্বকাপ

img

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দাপুটে জয় ইংল্যান্ডের

প্রকাশিত :  ০৯:০১, ২০ জুন ২০২৪

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সুপার এইটে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৪ উইকেটে ১৮০ রানের জবাবে ১৫ বল হাতে রেখে ২ উইকেটে ১৮১ তুলে জয় নিশ্চিত করে ইংল্যান্ড।

বৃহস্পতিবার (২০ জুন) সেন্ট লুসিয়ার ড্যারেন স্যামি জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে জিতে ক্যারিবিয়ানদের ব্যাটিংয়ে পাঠান ইংলিশ অধিনায়ক জস বাটলার। ব্যাট করতে নেমে দলকে ভালো শুরু এনে দেন দুই ওপেনার ব্রান্ডন কিং ও জনসন চার্লস।

তবে দলীয় ৪০ রানে ১৩ বলে ২৩ রান করে রিটার্ড হার্ট হয়ে ফিরে যান কিং। এরপর নিকোলাস পুরানকে সঙ্গে নিয়ে রানের চাকা সচল রাখেন জনসন। জনসন ৩৪ বলে ৩৮ ও পুরান ৩২ বলে ৩৬ রান করেন 

মাঝে অধিনায়ক রোভম্যান পাওয়েল ১৭ বলে ৩৬ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন। শেষ দিকে শেরফান রাদারফোর্ডের ২৫ বলে ২৮ রানে ভর করে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৮০ রান সংগ্রহ করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

১৮১ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে দলকে ভালো শুরু এনে দেন দুই ইংলিশ ওপেনার ফিল সল্ট ও জস বাটলার। উদ্বোধনী জুটিতে ৬৭ রান যোগ করেন এই দুই ব্যাটার। 

তবে এরপর দ্রুতই জোড়া উইকেট হারায় ইংল্যান্ড। বাটলার ২২ বলে ২৫ ও মঈন আলি ১০ বলে ১৩ রান করে সাজঘরে ফিরে যান। তাদের বিদায়ের পর জনি বেয়ারস্টোকে সঙ্গে নিয়ে ক্যারিবিয়ান বোলারদের ওপর চড়াও হন সল্ট।

আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে ফিফটি তুলে নেন সল্ট। এই দুই ব্যাটারের ব্যাটে ১৫ বল হাতে রেখে ৮ উইকেটের জয় পায় ইংল্যান্ড। ক্যারিবিয়ানদের পক্ষে আন্দ্রে রাসেল ও রস্টন চেজ নেন ১টি করে উইকেট।