img

শিরোপায় এমবাপ্পেকে বিদায় দিল পিএসজি

প্রকাশিত :  ১১:১৩, ২৬ মে ২০২৪

শিরোপায় এমবাপ্পেকে বিদায় দিল পিএসজি

২০২৩-২৪ মৌসুম শেষে প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি) ছাড়বেন কিলিয়ান এমবাপ্পে, সেটা আরও আগেই জানা ছিল। ঘোষণা অনুযায়ী, গত রাতে ফ্রেঞ্চ কাপের ফাইনালে পিএসজির হয়ে লিওঁর বিপক্ষে শেষ ম্যাচ খেলতে নেমেছিলেন এই তারকা ফরওয়ার্ড। ২-১ ব্যবধানে ম্যাচ জেতে ডেম্বেলে-এমবাপ্পেরা। এ জয়ে রেকর্ড ১৫ বারের মতো ফ্রেঞ্চ কাপ ঘরে তুললো পিএসজি। ক্লাবে নিজের শেষ ম্যাচটি ট্রফি জয়ের সাথে রাঙালেন কিলিয়ান এমবাপ্পে।

ম্যাচ শুরুর আগে স্বয়ং ফরাসি প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোকে দেখা গেছে পিএসজির ড্রেসিং রুমে। হয়ত শেষবারের মতো নিজেদের তারকাকে দেশের লিগে ধরে রাখার শেষ প্রচেষ্টা ছিলো এটি। কিন্তু এতেও ব্যর্থ ফ্রেঞ্চ প্রেসিডেন্ট। ঘোষণা অনুযায়ী মৌসুম শেষে ক্লাব ছাড়ার কথা ছিলো এমবাপ্পের। আর ফ্রেঞ্চ কাপের ফাইনালই ছিলো চলতি মৌসুমে পিএসজির শেষ ম্যাচ। খেলা শেষে এমবাপ্পেকে নিয়ে সতীর্থদের শুন্যে ভাসানো সেলেব্রেশনই বলে দিচ্ছিলো শেষ আনন্দের উপলক্ষে মাতছেন তিনি।

ফাইনাল ম্যাচে পিএসজির দুটি গোলই হয়েছে প্রথমার্ধে। ম্যাচের ২২ মিনিটে উসমান ডেম্বেলের গোলে লিড পায় প্যারিস। ১২ মিনিট পরে ব্যবধান দ্বিগুন করেন স্প্যানিশ মিডফিল্ডার ফ্যাবিয়ান রুইজ। ২-০ তে লিড নিয়ে বিরতিতে যায় পিএসজি।

দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণাত্বক ভঙ্গিতে খেলতে থাকে লিও। ৫৫ মিনিটে গোল করে ব্যবধান কমান লিওর জেইক ও’ব্রায়েন। শেষ পর্যন্ত আরও কয়েকটি আক্রমণ চালায় তারা। কিন্তু প্রতিপক্ষের রক্ষণভগকে ফাঁকি দিয়ে বল জালে পাঠাতে ব্যর্থ হয় লিও। শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধানে ম্যাচ জেতে পিএসজি।

উল্লেখ্য, পিএসজির হয়ে ক্যারিয়ারে ১৫টি শিরোপা জিতেছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। তবে অধরা রয়ে গেছে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ।

খুলনাকে হারিয়ে প্রথম জয়ের স্বাদ নিল সিলেট

টি-20 বিশ্বকাপ

img

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দাপুটে জয় ইংল্যান্ডের

প্রকাশিত :  ০৯:০১, ২০ জুন ২০২৪

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সুপার এইটে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৪ উইকেটে ১৮০ রানের জবাবে ১৫ বল হাতে রেখে ২ উইকেটে ১৮১ তুলে জয় নিশ্চিত করে ইংল্যান্ড।

বৃহস্পতিবার (২০ জুন) সেন্ট লুসিয়ার ড্যারেন স্যামি জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে জিতে ক্যারিবিয়ানদের ব্যাটিংয়ে পাঠান ইংলিশ অধিনায়ক জস বাটলার। ব্যাট করতে নেমে দলকে ভালো শুরু এনে দেন দুই ওপেনার ব্রান্ডন কিং ও জনসন চার্লস।

তবে দলীয় ৪০ রানে ১৩ বলে ২৩ রান করে রিটার্ড হার্ট হয়ে ফিরে যান কিং। এরপর নিকোলাস পুরানকে সঙ্গে নিয়ে রানের চাকা সচল রাখেন জনসন। জনসন ৩৪ বলে ৩৮ ও পুরান ৩২ বলে ৩৬ রান করেন 

মাঝে অধিনায়ক রোভম্যান পাওয়েল ১৭ বলে ৩৬ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন। শেষ দিকে শেরফান রাদারফোর্ডের ২৫ বলে ২৮ রানে ভর করে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৮০ রান সংগ্রহ করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

১৮১ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে দলকে ভালো শুরু এনে দেন দুই ইংলিশ ওপেনার ফিল সল্ট ও জস বাটলার। উদ্বোধনী জুটিতে ৬৭ রান যোগ করেন এই দুই ব্যাটার। 

তবে এরপর দ্রুতই জোড়া উইকেট হারায় ইংল্যান্ড। বাটলার ২২ বলে ২৫ ও মঈন আলি ১০ বলে ১৩ রান করে সাজঘরে ফিরে যান। তাদের বিদায়ের পর জনি বেয়ারস্টোকে সঙ্গে নিয়ে ক্যারিবিয়ান বোলারদের ওপর চড়াও হন সল্ট।

আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে ফিফটি তুলে নেন সল্ট। এই দুই ব্যাটারের ব্যাটে ১৫ বল হাতে রেখে ৮ উইকেটের জয় পায় ইংল্যান্ড। ক্যারিবিয়ানদের পক্ষে আন্দ্রে রাসেল ও রস্টন চেজ নেন ১টি করে উইকেট।