img

এই গরমে শিশুর যত্ন কীভাবে নেবেন

প্রকাশিত :  ১৫:৩১, ০৮ জুন ২০২৪

এই গরমে শিশুর যত্ন কীভাবে নেবেন

দেশজুড়ে বয়ে যাচ্ছে প্রচণ্ড তাপদাহ। এই গরমে সবচেয়ে বেশি কষ্ট পায় পরিবারের ছোট্ট সোনামণি। গরমে ঘেমে শিশুদের ঠাণ্ডা লেগে যায়। শরীরে অনেক সময় র‌্যাশ বের হয়, ঘামাচি হয়। শিশুদের কিছু অসুস্থতার সঙ্গে তাদের মেজাজও খিটটিটে হয়ে যায়। গরমে শিশুদের সুস্থ রাখতে প্রয়োজন বাড়তি যত্ন।

জেনে নিন সোনামণিকে সুস্থ রাখতে প্রয়োজনীয় কিছু পরামর্শ:

• শিশুকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখুন,

• নিয়মিত সাবান দিয়ে গোসল করান,

• গোসলের পর শিশুর শরীর ভালো করে মুছে পাউডার দিন,

• গরমে শিশুর খাবার নির্বাচনে সচেতন হতে হবে, শিশুকে পুষ্টিকর এবং শরীরকে ঠাণ্ডা রাখে এমন খাবার দিতে হবে,

• অন্যান্য খাবারের সঙ্গে গরমে শিশুকে প্রচুর পরিমাণে পানি ও ফলের জুস খাওয়ান, 

• গরমে শিশুর দুর্বলতা কাটাতে মাঝে মাঝে খাওয়ার স্যালাইন খেতে দিন,

• সুতি পাতলা কাপড়ের নরম পোশাক পরান,

• বাইরের গরমে শিশুকে কম বের করুন,

• তাকে ধুলাবালি থেকে দূরে রাখুন,

• শিশু ঘেমে গেলে ঘাম মুছে দিতে হবে, 

• শরীরে ঘাম শুকিয়ে গেলে শিশুর জ্বর হতে পারে, অনেক সময় এমন জ্বর অল্পদিনে এমনিতেই সেরে যায়, কিন্তু বেশি দিন গড়ালে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ মতো ব্যবস্থা নিন,

• গরমের সময় শিশুর চুল ছোট করে ছেঁটে রাখুন,

• বড় চুল শুকাতে সময় লাগে, আর ঘামও বেশি হয়,    

• শিশুর যেন পর্যাপ্ত ঘুম হয় সেদিকেও লক্ষ্য রাখতে হবে,

• ঘরে ফ্যান বা এসির তাপমাত্রা শিশু যতটায় স্বস্তিবোধ করে ততটুকুই রাখুন।

img

মাংস খাওয়ার পর ভুলেও যে খাবার খাবেন না

প্রকাশিত :  ০৬:৫৪, ১৭ জুন ২০২৪

পবিত্র ঈদুল আজহা আজ। ঈদুল আজহায় পশু কোরবানি দেওয়ার বিধান থাকায় সকল ধর্মপ্রাণ মুসলমানই ধর্মীয় রীতি আর সামর্থ্য অনুযায়ী পশু কোরবানি ও এর মাংস বণ্টন করে থাকেন। স্বাভাবিকভাবেই তাই বছরের অন্য সময়ের তুলনায় এসময় মাংস বেশি খাওয়া হয়। তবে এই মাংস খেতে হবে বুঝেশুনে। নয়তো দেখা দিতে পারে স্বাস্থ্য জটিলতা।

সাধারণত গরু, মহিষ, ছাগল, খালি, ভেড়া, উট, দুম্বা ইত্যাদি প্রাণী কুরবানি দেওয়া হয়। এসব পশুর মাংসে রয়েছে উচ্চমাত্রার প্রোটিন। তার সঙ্গে আরও অনেক ভারি খাবারের আয়োজন থাকে। ফলে স্বাস্থ্যঝুঁকি আরও বেড়ে যায়।

গরুর মাংস খাওয়ার পর একটি খাবার খাওয়া উচিত নয় বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। এটি কোন খাবার, চলুন জেনে নেই- ভারতের বিখ্যাত আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক নিকিতা কোহলি সম্প্রতি এক গণমাধ্যমে এই সম্পর্কে উপদেশ দিয়েছেন। তার মতে, মাংস খাওয়ার সঙ্গে বা খাওয়ার পর একটি খাবার খাওয়ার প্রবণতা আমাদের শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকারক হতে পারে। এটি হলো দুধ। মাংস খাওয়ার পর দুধ বা দুধজাতীয় কোনো খাবার খাওয়া মোটেও উচিত নয়। কেননা, দুধ হজম হতে অনেক বেশি সময় নেয়।

অন্যদিকে মাংসও সহজে হজম বা শোষণ হয় না। তাই দুটি খাবার একসঙ্গে খেলে পেটে গ্যাস বা হাই ব্লাড প্রেশারের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এছাড়া মাংস আর দুধ দুটো খাবার পাচনক্ষমতার বিরুদ্ধে কাজ করে, যা পরিপাক তন্ত্রকে দুর্বল করার পাশাপাশি এর ক্ষতিসাধন করতে শুরু করে। এটি ত্বকের নানা সমস্যা, অ্যালার্জি, স্টমাক সমস্যা, হজমের সমস্যা, গ্যাস হওয়া, আলসারের সমস্যা, কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে শুরু করে অ্যাসিড বা আরও রোগের কারণ হতে পারে। কোরবানির ঈদে ডেজার্ট হিসেবে দুধের পায়েস, ফিরনি থাকলে তা মাংস খাওয়ার পর পর খাবেন না। মাংস রান্নায় তরল দুধ ব্যবহার না করাই ভালো।