img

গরমে ত্বকের যত্ন নেবে পাকা পেঁপে

প্রকাশিত :  ১২:৩৯, ০৯ জুন ২০২৪

গরমে ত্বকের যত্ন নেবে পাকা পেঁপে

গ্রীষ্মের প্রখর গরমে ত্বকের যাচ্ছেতাই অবস্থা। তার উপর আবার রয়েছে ট্যানিংয়ের মতো সমস্যা। গরমেও ত্বক উজ্জ্বল ও সতেজ রাখতে চাইলে পাকা পেঁপের ফেস প্যাক ব্যবহার করতে পারেন। প্রতিদিনের রূপচর্চায় পাকা পেঁপে ব্যবহার করলে ত্বক শুধু উজ্জ্বল হবে না, ত্বকের নানান সমস্যাও দূর হবে। চলুন জেনে নিই পাকা পেঁপের ব্যবহার:

সপ্তাহে ৩-৪ বার পেঁপের নরম পাকা অংশ হাতের তালুতে চটকে নিয়ে মুখে, ঘাড়ে, হাতে ও পায়ে ভালো করে মেখে নিন। কিছুক্ষণ রেখে দিন। শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। ত্বকের জেল্লা ফেরাতে দারুণ কাজ করবে।

পাকা পেঁপের সঙ্গে সামান্য মধু, লেবুর রস, একটু অলিভ অয়েল ও অ্যালোভেরা জেল মিশিয়ে একটি প্যাক তৈরি করুন। এবার এই প্যাক মুখে ও গলায় ম্যাসাজ করুন। অল্প দিনেই ট্যান আর দাগছোপ দূর হবে। ত্বকের উজ্জ্বলতাও বাড়বে। ডার্ক সার্কেলের সমস্যাও দূর হবে এই ফেসপ্যাকের সাহায্যে।

পেঁপের বিভিন্ন উপকারি এনজাইম মুখের রোদে পোড়া দাগ দূর করে। কালো ভাব দূর করতে সাহায্য করে। নাক বা থুতনির কালো দাগ, কনুই বা হাঁটুর কালো দাগসহ বিভিন্ন দাগ দূর করে পেঁপের এনজাইম।

পাকা পেঁপের সাহায্যে বাড়িতেই বানিয়ে নিতে পারেন ফেসস্ক্রাব। পাকা পেঁপের সঙ্গে মিশিয়ে নিতে পারেন ওটস বা সামান্য ময়দা আর অল্প পাতিলেবুর রস। এই মিশ্রণ গোসলের আগে লাগিয়ে স্ক্রাব করে নিন। তারপর ১৫-২০ মিনিট লাগিয়ে রেখে পরিষ্কার ঠান্ডা পানিতে মুখে ধুয়ে নিতে হবে।

মুলতানি মাটি কিংবা চন্দনের গুঁড়োর সঙ্গে পাকা পেঁপের পাল্প মিশিয়ে সেই মিশ্রণ দিয়ে নিয়মিত মুখে স্ক্রাব ও ম্যাসাজ করুন। ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন। অল্প দিনের দূর হবে ট্যান। ফিকে হবে ত্বকের কালচে দাগছোপ আর চোখের নীচের কালচে ভাব।


img

মাংস খাওয়ার পর ভুলেও যে খাবার খাবেন না

প্রকাশিত :  ০৬:৫৪, ১৭ জুন ২০২৪

পবিত্র ঈদুল আজহা আজ। ঈদুল আজহায় পশু কোরবানি দেওয়ার বিধান থাকায় সকল ধর্মপ্রাণ মুসলমানই ধর্মীয় রীতি আর সামর্থ্য অনুযায়ী পশু কোরবানি ও এর মাংস বণ্টন করে থাকেন। স্বাভাবিকভাবেই তাই বছরের অন্য সময়ের তুলনায় এসময় মাংস বেশি খাওয়া হয়। তবে এই মাংস খেতে হবে বুঝেশুনে। নয়তো দেখা দিতে পারে স্বাস্থ্য জটিলতা।

সাধারণত গরু, মহিষ, ছাগল, খালি, ভেড়া, উট, দুম্বা ইত্যাদি প্রাণী কুরবানি দেওয়া হয়। এসব পশুর মাংসে রয়েছে উচ্চমাত্রার প্রোটিন। তার সঙ্গে আরও অনেক ভারি খাবারের আয়োজন থাকে। ফলে স্বাস্থ্যঝুঁকি আরও বেড়ে যায়।

গরুর মাংস খাওয়ার পর একটি খাবার খাওয়া উচিত নয় বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। এটি কোন খাবার, চলুন জেনে নেই- ভারতের বিখ্যাত আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক নিকিতা কোহলি সম্প্রতি এক গণমাধ্যমে এই সম্পর্কে উপদেশ দিয়েছেন। তার মতে, মাংস খাওয়ার সঙ্গে বা খাওয়ার পর একটি খাবার খাওয়ার প্রবণতা আমাদের শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকারক হতে পারে। এটি হলো দুধ। মাংস খাওয়ার পর দুধ বা দুধজাতীয় কোনো খাবার খাওয়া মোটেও উচিত নয়। কেননা, দুধ হজম হতে অনেক বেশি সময় নেয়।

অন্যদিকে মাংসও সহজে হজম বা শোষণ হয় না। তাই দুটি খাবার একসঙ্গে খেলে পেটে গ্যাস বা হাই ব্লাড প্রেশারের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এছাড়া মাংস আর দুধ দুটো খাবার পাচনক্ষমতার বিরুদ্ধে কাজ করে, যা পরিপাক তন্ত্রকে দুর্বল করার পাশাপাশি এর ক্ষতিসাধন করতে শুরু করে। এটি ত্বকের নানা সমস্যা, অ্যালার্জি, স্টমাক সমস্যা, হজমের সমস্যা, গ্যাস হওয়া, আলসারের সমস্যা, কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে শুরু করে অ্যাসিড বা আরও রোগের কারণ হতে পারে। কোরবানির ঈদে ডেজার্ট হিসেবে দুধের পায়েস, ফিরনি থাকলে তা মাংস খাওয়ার পর পর খাবেন না। মাংস রান্নায় তরল দুধ ব্যবহার না করাই ভালো।