img

শেখ হাসিনাসহ অতিথিদের মঞ্চে ডেকে নিলেন মোদি

প্রকাশিত :  ১৮:৫২, ০৯ জুন ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট: ১৯:০৭, ০৯ জুন ২০২৪

শেখ হাসিনাসহ অতিথিদের মঞ্চে ডেকে নিলেন মোদি

তৃতীয়বারের মতো ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন নরেন্দ্র মোদি। আজ রবিবার রাজধানী নয়াদিল্লির রাষ্ট্রপতি ভবনে জঁমকালো আয়োজনের মধ্যে টানা তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী মোদি ছাড়াও এদিন ভারতের নতুন জোট সরকারের ৭২ জন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী শপথ নেন।

শপথ গ্রহণ শেষে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আমন্ত্রিত অতিথিদের মঞ্চে ডেকে নেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং প্রেসিডেন্ট দ্রৌপদী মুর্মু। এরপর তারা একসঙ্গে সবাই ছবি তোলেন।

শেখ হাসিনাসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা এর আগে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় দিল্লির রাষ্ট্রপতি ভবনে উপস্থিত হন। এ সময় তারা মঞ্চের সামনে আসন গ্রহণ করেন।

 প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকালই ভারতে যান। ভারতে অবতরণের পর উষ্ণ অভ্যর্থনায় তাকে বরণ করে নেয়া হয়।

এই ৭২ জনের মধ্যে ৩০ জন পূর্ণমন্ত্রী, ৩৬ জন প্রতিমন্ত্রী এবং পাঁচজন ইন্ডিপেনডেন্ট চার্জ। তবে কাকে কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হবে সেটি আজ নির্ধারণ করা হয়নি। পরে যে কোনো সময় এ ব্যাপারে ঘোষণা দেওয়া হবে।

তৃতীয়বারের মতো ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। আজ রবিবার নয়াদিল্লির রাষ্ট্রপতি ভবনে শপথ নেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে একইদিনে শপথ নিয়েছেন নতুন জোট সরকারের ৭২ জন মন্ত্রী।

এই ৭২ জনের মধ্যে ৩০ জন পূর্ণমন্ত্রী, ৩৬ জন প্রতিমন্ত্রী এবং পাঁচজন ইন্ডিপেনডেন্ট চার্জ। তবে কাকে কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হবে সেটি আজ নির্ধারণ করা হয়নি। পরে যে কোনো সময় এ ব্যাপারে ঘোষণা দেওয়া হবে।


 যারা মন্ত্রিত্ব পেয়েছেন তারা হলেন—

 রাজনাথ সিং

অমিত শাহ

নিতিন গড়করি

জেপি নাড্ডা

শিবরাজ সিং চৌহান

নির্মলা সীতারমন

এস জয়শঙ্কর

মনোহর লাল খট্টর

এইচডি কুমারস্বামী

পীযূষ গয়াল

ধর্মেন্দ্র প্রধান

জিতন রাম মাঞ্জি

রাজীব রঞ্জন সিং ওরফে লালন সিং

সর্বানন্দ সোনোয়াল

ডাঃ বীরেন্দ্র কুমার

কিঞ্জরাপু রাম মোহন নাইডু

প্রহ্লাদ জোশী

জুয়াল ওরাম

গিরিরাজ সিং

অশ্বিনী বৈষ্ণব

জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া

ভূপেন্দর যাদব

গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াত

অন্নপূর্ণা দেবী

কিরেন রিজিজু

হরদীপ সিং পুরী

মনসুখ মান্ডাভিয়া

জি কিষাণ রেড্ডি

চিরাগ পাসওয়ান

সি আর পাতিল

রাও ইন্দ্রজিৎ সিং

জিতেন্দ্র সিং

অর্জুন রাম মেঘওয়াল

প্রতাপরাও গণপতরাও যাদব

জয়ন্ত চৌধুরী

জিতিন প্রসাদা

শ্রীপাদ নায়েক

পঙ্কজ চৌধুরী

কৃষাণ পাল গুর্জর

রামদাস আটওয়ালে

রাম নাথ ঠাকুর

নিত্যানন্দ রাই

অনুপ্রিয়া প্যাটেল

ভি সোমান্না

ডাঃ চন্দ্র সেখর পেমমাসানি

এসপি সিং বাঘেল

শোভা করন্দলাজে

কীর্তি বর্ধন সিং

বিএল ভার্মা

শান্তনু ঠাকুর

সুরেশ গোপী

এল মুরুগান

অজয় তমটা

বন্দী সঞ্জয় কুমার

কমলেশ পাসোয়ান

ভগীরথ চৌধুরী

সতীশ চন্দ্র দুবে

সঞ্জয় শেঠ

রবনীত সিং বিট্টু

দুর্গা দাস উইকে

রক্ষা খাডসে

সুকান্ত মজুমদার

সাবিত্রী ঠাকুর

এদিকে মোদির নেতৃত্বে এবার ভারতের গঠিত হয়েছে জোট সরকার। কারণ তার দল বিজেপি এবারের নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি।


img

উইঘুর মুসলিমদের ৬৩০ গ্রামের নাম পালটে দিলো চীন

প্রকাশিত :  ১৫:২৪, ১৯ জুন ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট: ১৮:৪৮, ১৯ জুন ২০২৪

চীনের উইঘুর মুসলিম অধ্যুষিত শিনজিয়াং প্রদেশে ধর্মীয়, ঐতিহাসিক বা সাংস্কৃতিক চিহ্ন সম্মিলিত শত শত গ্রামের নাম বদলে দিয়েছে চীনা কর্তৃপক্ষ। এসব গ্রামের নাম পরিবর্তন করে সেখানে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আদর্শের সঙ্গে মিল রয়েছে এমন নাম রাখা হয়েছে। মূলত মুসলিম সংস্কৃতির চিহ্ন মুছে ফেলতে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে চীনা কর্তৃপক্ষ।

দীর্ঘদিন ধরে উইঘুর মুসলিমদের নিয়ে কাজ করা নরওয়ের একটি সংস্থা এবং মানবাধিকার বিষয়ক সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ একত্রে একটি প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানিয়েছে। ২০০৯ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে জাতীয় পরিসংখ্যান বিভাগে নথিভুক্ত ২৫ হাজার গ্রামের নাম নিয়ে গবেষণা চালিয়েছে সংস্থা দুইটি।

সেখানে তারা দেখতে পেয়েছে, তিন হাজার ৬০০ গ্রামের নাম বদলে দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ মতে, এর মধ্যে প্রায় ৬৩০টি গ্রাম উইঘুর মুসলিম অধ্যুষিত। তাদের গ্রামের নামের সঙ্গে উইঘুর বা মুসলিম সংস্কৃতি সংশ্লিষ্ট শব্দ যুক্ত ছিল। সেই শব্দগুলো বাদ দিয়ে নতুন নামকরণ করা হয়েছে।

কয়েকটি উদাহরণও দেওয়া হয়েছে প্রতিবেদনে। কোনো কোনো গ্রামের নামের সঙ্গে দুতার শব্দটি যুক্ত ছিল। যা একটি উইঘুর বাদ্যযন্ত্রের নাম। আবার কোনো কোনো নামের সঙ্গে মাজার শব্দটি যুক্ত ছিল। তা বদলে ঐক্য, সম্প্রীতি, ও আনন্দের মতো শব্দ বসানো হয়েছে। এ ধরনের শব্দ চীনের শাসকগোষ্ঠী বিভিন্ন উপলক্ষে ব্যবহার করে। এই শব্দগুলোর সঙ্গে কমিউনিস্ট শাসনের যোগ আছে বলে বিশেষজ্ঞরা মত দিয়েছেন।

এখানেই শেষ নয়, সুফি শব্দ হোজা, হানিকা কিংবা বকসির মতো শব্দও বদলে দেওয়া হয়েছে। অবলুপ্ত করা হয়েছে ১৯৪৯ সালের আগের উইঘুর ইতিহাস।

শিনজিয়াং অঞ্চলে এভাবে আরো বহু গ্রামের নাম বদলে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এর মধ্যে বেশ কিছু অন্যান্য ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী অধ্যুষিত গ্রাম আছে বলেও মনে করা হচ্ছে। মূলত ঐতিহ্য ধ্বংস করতেই একাজ করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে চীনের প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা হলেও তারা বিষয়টি নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে চায়নি বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

চীন-কাজাখস্তান সীমান্তে প্রায় এক কোটি উইঘুর মুসলিম বসবাস করেন। দীর্ঘদিন ধরে তাদের ওপর অত্যাচারের অভিযোগ সামনে আসছে। এ নিয়ে চীনকে সতর্ক করেছে পশ্চিমা বিশ্ব। কিন্তু এখনো পর্যন্ত পরিস্থিতির বড় কোনো পরিবর্তন ঘটেনি বলে মনে করা হচ্ছে।