img

ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় পাকিস্তানের অবিশ্বাস্য হার

প্রকাশিত :  ২০:৪৬, ০৯ জুন ২০২৪

 ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় পাকিস্তানের অবিশ্বাস্য হার

চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের বিপক্ষে ১২০ বলে ১২০ রানের মামুলি স্কোর তাড়া করেও জয় পায়নি পাকিস্তান। পাওয়ারপ্লে শেষের পরেও জয়ের সম্ভাব্যতায় দেখানো হয়েছিল পাকিস্তানের জয়ের সম্ভাবনা ৯২ শতাংশ। ব্যাটে-বলে সমান রান দরকার ছিল জয়ের জন্য। ১২ ওভারে ৭২ রান করে সেই লক্ষ্যে ঠিকই টিকে ছিল তারা। পরের ৩০ বল থেকে উঠেছে মোটে ১৭ রান। উইকেট হারিয়েছে ৩টি। নাসাউ কাউন্টির বোলিং সহায়ক পিচে আরও একবার দেখা গেল বোলারদের কারিশমা। 

পাকিস্তান কেন আনপ্রেডিক্টেবল, তা বোঝা গেল আরও একবার। ১২০ রানের ক্ষুদ্র টার্গেটে এসেও পাকিস্তানকে থামতে হয়েছে ১১৪ রানে এসে। ৬ রানের এই অবিশ্বাস্য হারে পাকিস্তানের বিদায়টাও প্রায় অনিবার্য হয়ে পড়েছে এবারের বিশ্বকাপ থেকে। হার্দিক পান্ডিয়া-জাসপ্রিত বুমরাহরা ভারতকে এনে দিয়েছেন মনে রাখার মতো এক জয়। এটি ভারতের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে সবচেয়ে কম রান ডিফেন্ড করে জয়। 

ইনিংসের ১৯তম ওভারে জাসপ্রিত বুমরাহ করেছেন স্মরণীয় এক ডেথ ওভার। জয়ের ক্ষণিক আশাও পাকিস্তান হারিয়ে ফেলে সেখানেই। ১৯তম ওভারে এসেছে মোটে ৩ রান। শেষ ওভারে বাকি ১৮ রান তোলা হয়নি গ্যারি কার্স্টেন শিষ্যদের। আর্শদ্বীপ সিংয়ের ওভারের প্রথম বলে আউট হলেন ইমাদ ওয়াসিম। পরের ৫ বলে তারা নিয়েছে ১০ রান। এই নিয়ে বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ৮ম ম্যাচের মধ্যে ৭ম পরাজয়ের স্বাদ পেল পাকিস্তান।

খুলনাকে হারিয়ে প্রথম জয়ের স্বাদ নিল সিলেট

img

বাবর আজমকে নিয়ে কঠোর মন্তব্য আফ্রিদির

প্রকাশিত :  ০৮:৪০, ১৮ জুন ২০২৪

ক্রিকেটের কিংবদন্তি শহীদ আফ্রিদি পাকিস্তানের হতাশাজনক টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বেরিয়ে আসার পর এবার বাবর আজমের নেতৃত্ব নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছেন । তিনি পরামর্শ দিয়ে বলেছেন, আজম চাইলে অধিনায়কত্ব ছেড়ে দেওয়ার কথা বিবেচনা করতে পারেন। আফ্রিদি মনে করেন টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের জন্য আরও সক্রিয় অধিনায়কের প্রয়োজন হতে পারে। খবর সামা টিভির। 

আফ্রিদি বলেন, এতগুলো বিশ্বকাপে অধিনায়কত্ব করার সৌভাগ্য হয়েছে বাবরের। সম্ভবত এখনই সময় এসেছে শুধু তার ব্যাটিংয়ে মনোযোগ করার।

যখন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তান বিদায় নিয়েছে ঠিক সে সময় এমন মন্তব্য করেছেন আফ্রিদি। 

প্রতিবেদনে বলা হয়, বাবর আজমের অধিনায়কত্ব ছাড়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) হাতে। বোর্ড আফ্রিদির পরামর্শ বিবেচনা করবে নাকি আজমকে নেতৃত্বে সমর্থন করবে সেটাই এখন দেখার বিষয়।