img

পরীমণিকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে : ডিপজল

প্রকাশিত :  ০৬:১৮, ১০ জুন ২০২৪

পরীমণিকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে : ডিপজল

দুই বছর পর আবারও এফডিসির ভেতরে কোরবানি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ঢাকাই সিনেমার আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমণি। তবে সেক্ষেত্রে নায়িকার রয়েছে এক শর্ত। শুধুমাত্র এফডিসিতে আনন্দময় পরিবেশের নিশ্চয়তা পেলেই সেখানে কোরবানি দেবেন তিনি। 

এ বিষয়ে পরী বলেন, ‘এবারও কোরবানি দিতে চাই। যদি এফডিসির কেউ ভেতরে আনন্দময় পরিবেশে সবাইকে একসঙ্গে নিয়ে কোরবানি দেওয়ার নিশ্চয়তা দিতে পারে তবে সেখানে কোরবানি দেব।’

পরীমণির এমন বক্তব্যে দৃষ্টিগোচর করা হয়েছে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার হোসেন ডিপজলকে। এই অভিনেতা জানান, পরীমণিকে এফডিসিতে কোরবানির জন্য সকল ধরণের সহযোগিতা করা হবে। সেখানে আনন্দময় পরিবেশ থাকবে। 

ডিপজল বলেন, ‘আমরা সবাই একসঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করব। কেন এফডিসিতে কোরবানি দিতে বাধা দেওয়া হবে? সেসময় বাধার দেওয়া বিষয়ে আমি জানতাম না। আমরা একসঙ্গে কোরবানি দেব, আনন্দ-ভাগাভাগি করব। কোরবানি শেষে ময়লা ধুয়ে পরিস্কার করে দেওয়া হবে। পরীমণিকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে। আমরা তার পাশে আছি। তাকে সুন্দর পরিবেশের নিশ্চয়তা দিচ্ছি। এ নিয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলব। এবার এফডিসিতে উৎসবমুখর পরিবেশে কোরবানি দেওয়া হবে।’

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালে প্রথমবারের মতো এফডিসিতে কোরবানি দেন ঢাকাই সিনেমার আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমণি। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছেন পরবর্তী ৫ বছর। সর্বশেষ ২০২১ সালে ৬টি গরু কোরবানি দেন এই নায়িকা। কিন্তু সে বছর এফডিসির ভেতর কোরবানি দেওয়ার নিষেধাজ্ঞা থাকায় বাইরে কোরবানি দেন পরী।

এই নায়িকা জানিয়েছিলেন, যতদিন বেঁচে থাকবেন এফডিসিতে কোরবানি দেবেন। চলচ্চিত্রের অসচ্ছল সহশিল্পীদের মাঝে মাংস বিতরণ করবেন। কিন্তু ২০২২ সালে এফডিসিতে আর কোরবানি দিতে দেখা যায়নি পরীমণিকে। একই কাজ করেন ২০২৩ সালেও। 

গত দুই বছর কেনো কোরবানি দেননি, এমন প্রশ্নে অভিনেত্রী জানান, আমার দেওয়া বিগত কোরবানিগুলো সবাই মিলে আনন্দ-উৎসবের সঙ্গে দিয়েছি। তবে সবশেষ দেওয়া কোরবানি নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতা হয়েছে। তাই আমি এফডিসিতে কোরবানি দেওয়া থেকে সরে এসেছিলাম।

বর্তমানে ‘রঙিলা কিতাব’ নামে একটি ওয়েব কন্টেন্টের কাজ করছেন পরী। কিঙ্কর আহ্সানের ‘রঙিলা কিতাব’ উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিতব্য সাত পর্বের এ ওয়েব সিরিজের পরিচালনা করছেন অনম বিশ্বাস।

img

বিরল রোগে আক্রান্ত কিংবদন্তি গায়িকা অলকা

প্রকাশিত :  ০৮:৩০, ১৮ জুন ২০২৪

কিংবদন্তি গায়িকা অলকা ইয়াগনিককে অনেকদিন ধরেই পাওয়া যাচ্ছে না বলিউডে। যার ঝুলিতে রয়েছে প্রায় কয়েকশ সুপার হিট গানের লম্বা লিস্ট। যিনি বলিউডে রাজত্ব করছেন প্রায় নব্বইয়ের দশক থেকে। তার কণ্ঠের জনপ্রিয় গানগুলি গুণগুণ করে তরুণ থেকে প্রবীণ প্রজন্ম সবাই। গত বছরেই তার গান শোনার শ্রোতা সংখ্যা রেকর্ড গড়েছিল। পিছিয়ে দিয়েছিল বিশ্বের অন্যতম খ্যাতনামা ব্যান্ড ‘BTS’ আর্মি কেও। কিন্তু বহুদিন ধরেই, গায়িকা লাইমলাইটে নেই। যদি ও বর্তমানে তরুণ প্রজন্মের সঙ্গীত শিল্পীদের ভিড়ে হারিয়ে যাচ্ছে পুরোনো প্রজন্মের সংগীত শিল্পীরা । তাতে অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। কিন্তু অলকা ইয়াগনিকের কণ্ঠ যেন আইকনিক। সম্প্রতি গায়িকা তার হারিয়ে যাওয়ার কারণ নিজেই ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে ভক্তদের জানিয়েছেন। নিজের জীবনের একটি দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা শেয়ার করলেন। বিরল ভাইরাস আক্রমণ করেছে গায়িকাকে। যার কারণে তার বিরল সংবেদনশীল স্নায়ু শ্রবণশক্তি হ্রাস পেয়েছে।

পোস্টটি শেয়ার করে অলকা লিখেছেন, ‘আমার সমস্ত ভক্ত, বন্ধু, অনুরাগী এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের জন্য। কয়েক সপ্তাহ আগে, আমি যখন একটি ফ্লাইট থেকে নামছিলাম, তখন হঠাৎ অনুভব করলাম- আমি কিছুই শুনতে পাচ্ছি না। এই পর্বের কয়েক সপ্তাহ পর, আমি এখন আমার সমস্ত বন্ধু এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের জন্য এই পোস্ট। যারা জানতে চায় কেন আমি অ্য়াকশনে অনুপস্থিত।’

নিজের শরীরের আরও আপডেট দিয়ে অলকা লেখেন, ‘ভাইরাল আক্রমণের কারণে এটি একটি বিরল সংবেদনশীল স্নায়ুর সমস্যা। যার কারণে শ্রবণশক্তি হ্রাস পেয়েছে। এই আকস্মিক, বড় ধাক্কা আমার অজান্তেই শরীরে গ্রাস করেছে। আমি এটির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছি। দয়া করে আপনারা অমার জন্য প্রার্থনা করবেন।’

অলকা তার এই পোস্টে জোরে মিউজিক শোনা ও হেডফোনে খুব উচ্চ আওয়াজ রাখা থেকেও বিরত করেন নিজের অনুরাগীদের। লেখেন, ‘আমার অনুরাগী এবং তরুণ সহকর্মীদের জন্য, আমি খুব জোরে মিউজিক এবং হেডফোনের সংস্পর্শে আসার বিষয়ে সতর্কতামূলক শব্দ যোগ করব। আমি আমার পেশাগত জীবনের স্বাস্থ্যগত বিপদগুলি শেয়ার করতে চাই। আপনাদের সবার ভালোবাসা এবং সমর্থন দিয়ে আমি পুনরুদ্ধার করার আশা করছি। আমার বিশ্বাস, শিগগিরই আপনাদের কাছে ফিরে আসব।’

অলকা ইয়াগনিকের এই পোস্ট হতবাক করেছে তার অনুগামীদের। ইলা অরুণ লিখলেন, ‘এটা শুনে খুব কষ্ট পেলাম। প্রিয়তম অলকা আমি তোমার ছবি দেখেছি এবং সঙ্গে সঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছি। তারপর আমি যা পড়লাম, এটি হৃদয়বিদারক। তবে সেরা ডাক্তারদের ওপর ভরসা রাখ। তুমি ভালো থাকবে এবং শিগগিরই আমরা তোমার মিষ্টি কণ্ঠ শুনতে পাব। ভালোবাসা। সবসময় নিজের যত্ন নিও।’

সোনু নিগম লিখলেন, ‘আমার মনেই হয়েছিল সব ঠিক নেই। ফিরেই তোমার সঙ্গে দেখা করব। দ্রুত সেরে ওঠো।’ ৫৪ বছর বয়সী অলকার শেষ গান গেয়েছেন ‘ক্রু’ এবং ‘অমর সিং চামকিলা’ ছবিতে।