img

যেসব ড্রাই ফ্রুটস সকালে খেলে ক্ষতি

প্রকাশিত :  ১০:৪৫, ১০ জুন ২০২৪

যেসব ড্রাই ফ্রুটস সকালে খেলে ক্ষতি

সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর অনেকেই কিছু অভ্যাসের মধ্যে দিয়ে যান। খালিপেটে জল আর ড্রাই ফ্রুটস খাওয়া তার মধ্যে অন্যতম। সুস্থ থাকতে শরীরের যত্ন তো নিতেই হবে। না হলেই নানা শারীরিক সমস্যা এসে বাসা বাঁধবে শরীরে। তবে অনেক সময় নিয়মেও নানা গলদ থাকে। অজান্তেই ভুল হয়ে যায়। সেই ভুলের জেরে বিশেষ কোনও সুফল পাওয়া যায় না। এই যেমন সকালে ড্রাই ফ্রুটস খাওয়ার অভ্যাস অস্বাস্থ্যকর নয়। কিন্তু কিছু ড্রাই ফ্রুট সকালে খেলে আবার হিতে বিপরীত হতে পারে। জানেন সেগুলি কী?

কিশমিশ

অনেকেই রাতে কিশমিশ ভিজিয়ে রেখে সকালে খেয়ে থাকেন। তবে এটি মোটেও স্বাস্থ্যকর অভ্যাস নয়। ভেজানো কিশমিশ সকালে খেলে গ্যাসের সমস্যা দেখা দিতে পারে। সেই সঙ্গে পেট ফাঁপার আশঙ্কাও থেকে যায়।

শুকনো খেজুর

খেজুরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার। হজমশক্তি বৃদ্ধিতে ফাইবারের ভূমিকা প্রচুর। তবে খালিপেটে খেলে হতে পারে বিপদ। কারণ পেট ফাঁকা থাকলে ফাইবার সমৃদ্ধ খেয়ে শারীরিক অস্বস্তিতে তৈরি হয়। তাই সকাল সকাল শুকনো খেজুর না খাওয়াই ভালো।

কাজু বাদাম 

কিশমিশ ছাড়াও সকালে অনেকে খালি পেটে কাজু বাদামও খেয়ে থাকেন। কাজু বাদাম প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। কিন্তু এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট যা সকাল সকাল খালিপেটে এখেলে গ্যাস্ট্রিকের আশঙ্কা বাড়ায়। তাই কাজু বাদাম খালিপেটে খাওয়া উচিত নয় একেবারেই।


img

মাংস খাওয়ার পর ভুলেও যে খাবার খাবেন না

প্রকাশিত :  ০৬:৫৪, ১৭ জুন ২০২৪

পবিত্র ঈদুল আজহা আজ। ঈদুল আজহায় পশু কোরবানি দেওয়ার বিধান থাকায় সকল ধর্মপ্রাণ মুসলমানই ধর্মীয় রীতি আর সামর্থ্য অনুযায়ী পশু কোরবানি ও এর মাংস বণ্টন করে থাকেন। স্বাভাবিকভাবেই তাই বছরের অন্য সময়ের তুলনায় এসময় মাংস বেশি খাওয়া হয়। তবে এই মাংস খেতে হবে বুঝেশুনে। নয়তো দেখা দিতে পারে স্বাস্থ্য জটিলতা।

সাধারণত গরু, মহিষ, ছাগল, খালি, ভেড়া, উট, দুম্বা ইত্যাদি প্রাণী কুরবানি দেওয়া হয়। এসব পশুর মাংসে রয়েছে উচ্চমাত্রার প্রোটিন। তার সঙ্গে আরও অনেক ভারি খাবারের আয়োজন থাকে। ফলে স্বাস্থ্যঝুঁকি আরও বেড়ে যায়।

গরুর মাংস খাওয়ার পর একটি খাবার খাওয়া উচিত নয় বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। এটি কোন খাবার, চলুন জেনে নেই- ভারতের বিখ্যাত আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক নিকিতা কোহলি সম্প্রতি এক গণমাধ্যমে এই সম্পর্কে উপদেশ দিয়েছেন। তার মতে, মাংস খাওয়ার সঙ্গে বা খাওয়ার পর একটি খাবার খাওয়ার প্রবণতা আমাদের শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকারক হতে পারে। এটি হলো দুধ। মাংস খাওয়ার পর দুধ বা দুধজাতীয় কোনো খাবার খাওয়া মোটেও উচিত নয়। কেননা, দুধ হজম হতে অনেক বেশি সময় নেয়।

অন্যদিকে মাংসও সহজে হজম বা শোষণ হয় না। তাই দুটি খাবার একসঙ্গে খেলে পেটে গ্যাস বা হাই ব্লাড প্রেশারের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এছাড়া মাংস আর দুধ দুটো খাবার পাচনক্ষমতার বিরুদ্ধে কাজ করে, যা পরিপাক তন্ত্রকে দুর্বল করার পাশাপাশি এর ক্ষতিসাধন করতে শুরু করে। এটি ত্বকের নানা সমস্যা, অ্যালার্জি, স্টমাক সমস্যা, হজমের সমস্যা, গ্যাস হওয়া, আলসারের সমস্যা, কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে শুরু করে অ্যাসিড বা আরও রোগের কারণ হতে পারে। কোরবানির ঈদে ডেজার্ট হিসেবে দুধের পায়েস, ফিরনি থাকলে তা মাংস খাওয়ার পর পর খাবেন না। মাংস রান্নায় তরল দুধ ব্যবহার না করাই ভালো।