img

১৪০টি ঘুমের ট্যাবলেট খেয়ে পুলিশ কনস্টেবলের আত্মহত্যা

প্রকাশিত :  ০৫:৩৮, ১১ জুন ২০২৪

১৪০টি ঘুমের ট্যাবলেট খেয়ে পুলিশ কনস্টেবলের আত্মহত্যা

নেত্রকোনায় এক পুলিশ সদস্য পারিবারিক কলহে ১৪০টি ঘুমের ট্যাবলেট খেয়ে আত্মহত্যা করেছেন। নিহত ওই কনস্টেবলের নাম রুবেল মিয়া (২৮)। তিনি নেত্রকোনা মডেল থানায় কর্মরত ছিলেন। 

রোববার (৯ জুন) রাতে তিনি ওই থানার ব্যারাকে ট্যাবলেট খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে ময়মনসিংহে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সোমবার বিকেল পাঁচটার দিকে তিনি মারা যান। তিনি ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর উপজেলার সহনাটি গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদের ছেলে।

নেত্রকোনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো দায়িত্ব পালন শেষে তিনি রাত সাড়ে ৮টার দিকে থানার ম্যাসে রাতের খান। এরপর তিনি তার ফেসবুক আইডিতে ‘দ্যা এন্ড’ লিখে স্ট্যাটাস দেন। এটি রাত ১২টার দিকে তার ছোট ভাই দেখতে পেয়ে ৯৯৯-এ কল করে জানান। এরপর কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট থানাকে অবহিত করে।

ঘটনা জানার পর নেত্রকোণা মডেল থানা পুলিশ তাকে প্রথমে নেত্রকোণা আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এরপর তাকে ময়মনসিংহের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় সোমবার বিকেল পাঁচটার দিকে রুবেল মিয়া মারা যান।

তিনি নেত্রকোণা শহরের কোর্ট স্টেশন এলাকায় তার স্ত্রী জেসমিন আক্তার ও দুই সন্তান নিয়ে ভাড়া বাসায় থাকতেন। গত সপ্তাহে স্ত্রী ও সন্তানরা বাড়িতে চলে যাওয়ার পর থানা ব্যারাকে থাকতেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রুবেল মিয়ার বাবা মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ ও তার স্ত্রী জেসমিন আক্তারের মুঠোফোনে কল করেও কথা বলা সম্ভব হয়নি।

নেত্রকোনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান বলেন, কনস্টেবল রুবেল মিয়া ৮ বছর ৬ মাস ২৯ দিন আগে পুলিশে যোগদান করে। নেত্রকোণা মডেল থানায় ১ বছর ৬ মাস আগে যোগদান করে। পারিবারিক কলহের কারণে সে অতিরিক্ত ঘুমের ট্যাবলেট খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। ময়মনসিংহে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা যায়।

img

তিস্তায় নৌকাডুবি, ৫ জনের মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত :  ১৮:৫৪, ১৯ জুন ২০২৪

কুড়িগ্রামের তিস্তা নদীতে ২৬ জন যাত্রী নিয়ে নৌকা ডুবে গেছে। নৌকাডুবির এই ঘটনায় পাঁচজনের মরেদহ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (১৯ জুন) সন্ধ্যা ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। 

জানা গেছে, ডুবে যাওয়া নৌকায় ২৬ জন যাত্রী ছিলেন। এর মধ্যে ১৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছিল। নিখোঁজ ছিলেন আটজন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে গিয়ে পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে। তবে নিহতদের পরিচয় জানা যায়নি।

উলিপুর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ইনচার্জ আব্বাস বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আমরা ঘটনাস্থলেই আছি। এখন পর্যন্ত শিশুসহ ৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

উলিপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মর্তুজা বলেন, আমরা ঘটনাস্থলেই আছি। ঠিক কতজন নিখোঁজ তা বলা যাচ্ছে না। তবে স্থানীয়রা বলছেন ৫-৮ জন নিখোঁজ থাকতে পারেন।

বজরা ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল কাইয়ুম সরদার বলেন, নৌকা ডুবির ঘটনাটি ঘটেছে সন্ধ্যা ৭টার দিকে। আমি যতটুকু শুনেছি তারা নৌকা যোগে দাওয়াত খেতে যাচ্ছিলেন। তবে কতজন নিখোঁজ রয়েছেন সেই তথ্য আমার জানা নেই।