img

এবারও বিনা টিকিটের যাত্রী ঠেকাতে কমলাপুরে ‘বাঁশের বেড়া’

প্রকাশিত :  ০৭:২৬, ১১ জুন ২০২৪

এবারও বিনা টিকিটের যাত্রী ঠেকাতে কমলাপুরে ‘বাঁশের বেড়া’

ঈদুল আজহা উপলক্ষে যাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্যে বাড়ি ফিরতে এবারও নানা উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। এবারও টিকিটের ভোগান্তি এড়াতে শতভাগ টিকিট অনলাইনে বিক্রি করা হয়েছে। টিকিট কালোবাজারি এড়ানে নেওয়া হয়েছে কঠোর ব্যবস্থা। টিকিট ছাড়া কেউ যেন স্টেশনে প্রবেশ না করতে পারে সেজন্য এবারও দেওয়া হয়েছে বাঁশের বেড়া। যা গত ঈদুল ফিতরসহ গত বছরও করা হয়েছিল।

এবার টিকিটবিহীন যাত্রী ঠেকাতে কঠোর অবস্থানে রেলওয়ে সংশ্লিষ্টরা। স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে প্রবেশের ক্ষেত্রে কয়েক ধাপে করা হবে টিকিট চেকিংয়ের ব্যবস্থা। বিনা টিকিটের যাত্রী পেলেই ফিরিয়ে দেওয়া হবে।

রেলওয়ে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, টিকিট ছাড়া ঈদযাত্রায় ভ্রমণের কোনো সুযোগ নেই৷

রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে সরেজমিনে দেখা যায়, স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে প্রবেশের পূর্বের বাঁশের বেড়া দেওয়া হয়েছে। বাঁশ দিয়ে মোট ৫টি প্রবেশর লাইন তৈরি করা হয়েছে৷ এসব লাইন দিয়েই যাত্রীদের সুশৃঙ্খলভাবে প্রবেশ করতে হবে। প্রবেশ মুখে টিটিই টিকিট যাচাই করবেন। এছাড়া রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহীনী, পুলিশ এবং র্যাব আলাদা কন্ট্রোল রুম স্থাপন করেছে৷ এসব কন্ট্রোল রুম চব্বিশ ঘণ্টা খোলা রাখা হবে।

এছাড়া কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের বিভিন্ন স্থান জুড়ে মোট ৯৪টি সিসি ক্যামেরা রয়েছে। স্টেশন ম্যানেজারের অফিস থেকে পুরো স্টেশন এলাকায় নজর রাখা হয়। এছাড়া স্টেশন এলাকায় পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা থেকে শুরু করে সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করেছে কর্তৃপক্ষ৷

কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন ম্যানেজার মোহাম্মদ মাসুদ সারওয়ার বলেন, স্টেশনে বিনা টিকিটের যাত্রী ঠেকাতে সবাই সমন্বিতভাবে কাজ করবে। যাত্রীরা যাতে কোনোভাবে ভোগান্তির শিকার না হয় আমারা সেটি সবসময় খেয়াল রাখছি৷ স্টেশনে অতিরিক্ত পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা থাকবেন। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি যাত্রীরা যেন স্বাচ্ছন্দ্যে ঈদযাত্রা উপভোগ করতে পারে।

কমলাপুর রেলস্টেশন এলাকায় আলাদা কন্ট্রোল রুম স্থাপন করেছে ডিএমপির শাহজাহানপুর থানা পুলিশ। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজিত কুমার সাহা বলেন, কোনো যাত্রী যেন হয়রানির শিকার না হয় বা ছিনতাইকারী, পকেটমার, মলমপার্টির খপ্পরে না পড়ে সেসব বিষয়ে সতর্ক করা হবে। লিফলেট ও মাইকিং করে সচেতন করা হবে। কোনো যাত্রী যদি আইনগত সহায়তা চায় কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে সেটি নিশ্চিত করা হবে।

তিনি আরও বলেন, আগামী ১২ জুন থেকে কন্ট্রোল রুম চালু হয়ে চাঁদ রাত পর্যন্ত চলবে। যাত্রীদের সেবা দেওয়ার জন্য ২৪ ঘণ্টা এটি চালু থাকবে।

রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর (আর.এন.বি) ঢাকা বিভাগীয় কমান্ড্যান্ট মো. শহীদুল্লাহ  বলেন, যাত্রীদের ঈদ যাত্রা সুন্দর করতে আমরা রোববার রেল সচিবের নেতৃত্বে মিটিং করেছি। স্টেশনে আর.এন.বি\'র কন্ট্রোল রুম থাকবে। ঢাকা বিভাগের জন্য ১৯০ জন আনসার সদস্য এবং রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর ৮০ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।

শেষদিকে, অতিরিক্ত যাত্রী সমাগম হয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ঈদের একদিন বা দুইদিন আগে গার্মেন্টসের বেতন দেওয়া হয়। তখন যাত্রী চাপ বেড়ে যায়। সেসময় এমন এক পরিস্থিতি হয় যে সবাই বাড়ি যেতে চায়। মানবিকভাবে অনেক কিছু করা যায় না তখন

গণমাধ্যমকে কাদের

img

মিয়ানমার যদি আক্রমণে আসে আমরা কি বসে থাকবো?

প্রকাশিত :  ১০:৫৩, ১৯ জুন ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট: ১৫:৩৮, ১৯ জুন ২০২৪

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘সার্বভৌমত্ব ঠিক আছে। সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘিত হলে, আলাপ-আলোচনার সময় পেরিয়ে যদি যায়। যদি সত্যিই তারা আক্রমণে আসে, তখন কী আমরা বসে থাকবো? আমরা বসে বসে আঙুল চুষবো? আমাদেরও পাল্টা জবাব দিতে হবে।

আজ বুধবার সকালে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা বিনিময়কালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সেতুমন্ত্রী বলেন, তাদের অভ্যন্তরীণ ৫৪টি গোষ্ঠী আছে। ওদের অভ্যন্তরীণ অনেক সমস্যা। আমরা সীমান্তে আছি, গুলি এসে লাগতে পারে, গুলির আওয়াজ আসতে পারে। তাদের নৃতাত্ত্বিক বিদ্রোহীরা আছে। তাদের থেকেই এসব ঘটনা ঘটছে। সেটার জন্য কেন মিয়ানমার সরকারকে দায় দেবো? যতদিন সম্ভব শেষ পর্যন্ত আমরা আলাপ-আলোচনা চালিয়ে যেতে চেষ্টা করবো। 

সেন্টমার্টিন ইস্যুতে সরকার নতজানু পররাষ্ট্রনীতি নিয়েছে- বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্যের বিষয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, বিরোধীদলের একটা ভাষা আছে, সরকারি দলের সিদ্ধান্ত তারা নতজানু আখ্যায়িত করে। কিন্তু কীভাবে নতজানু, সেটা একটু ব্যাখ্যা করে দিক না। সেন্টমার্টিনে যে গুলিটা এসেছে, সেটা মিয়ানমার সরকার করেনি। এটা আরাকান আর্মি নামের যে বিদ্রোহীরা আছে, তাদের গুলি।

তিনি আরও বলেন, সেখানে যে জাহাজের কথা বলা হয়, সে জাহাজ সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ২৫ আগস্ট যখন রোহিঙ্গারা স্রোতের মতো বাংলাদেশে ঢুকেছিল, তখনও অনেকে উসকানি দিয়েছিল। আমাদের আকাশসীমা কখনো-কখনো অতিক্রম করেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তখন ওয়াশিংটনে। তখন সমস্ত বাহিনী প্রধানদের তিনি ফোন করে নির্দেশ দিতেন যে কোনো অবস্থাতেই আমরা যেন যুদ্ধে না যাই। মিয়ানমার উসকানি দিলে আমরা তাদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করবো। একটা সমাধান বের করবো। যুদ্ধে জড়াবো না।

সারা দেশে মোটরসাইকেল ও ইজিবাইকের জন্য সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এটা খুব দুর্ভাগ্যজনক ইদানিং যে দুর্ঘটনা ঘটছে সেখানে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা বেশি হচ্ছে। দেখা গেছে মোটরসাইকেলে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছে, এরপর ইজিবাইক। বেপরোয়া ড্রাইভিংও আছে। এটাকে বাদ দেয়ার উপায় নেই।

তিনি বলেন, সচিবকে বলবো দ্রুত নীতিমালা করার জন্য। সারা দেশে লাখ লাখ তিন চাকার যান ও মোটরসাইকেলের জন্য শৃঙ্খলা নষ্ট হচ্ছে। সেজন্য নীতিমালাটা জরুরি। মানুষের জীবন আগে জীবিকা পরে। জীবিকা রক্ষা করতে গিয়ে জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলা হচ্ছে।

সড়ক পরিবহন মন্ত্রী আরও বলেন, সড়কে ঈদযাত্রা অনেকটা ভালো হয়েছে। কিন্তু ফিরতি পথের বিষয়টি এখনো রয়েছে। এদিকে অনেকটা নজর কম থাকে, তাই দুর্ঘটনাও ঘটে অনেক সময়। তাই ফিরতি পথটাও এখন দেখতে হবে।