img

তজুমদ্দিনে বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন ফজলুল হক দেওয়ান

প্রকাশিত :  ০৮:০৯, ১১ জুন ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট: ০৮:১৩, ১১ জুন ২০২৪

তজুমদ্দিনে বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন ফজলুল হক দেওয়ান
ফজলুল হক দেওয়ান। ফাইল ছবি

ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন আনারস প্রতীকের প্রার্থী ফজলুল হক দেওয়ান। তিনি ২৪ হাজার ২৩১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোশারফ হোসেন দুলাল দোয়াত কলম প্রতীক নিয়ে ২১ হাজার ৫১৭ ভোট পেয়েছেন। 

তজুমদ্দিনে এবারের নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে চারজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। তারা হলেন-  মোশারেফ হোসেন দুলাল, মোহাম্মদ ফখরুল আলম (মোটরসাইকেল), মো. রেজাউল করিম নীরব (কাপ-পিরিচ)। 

বিজয়ী চেয়ারম্যান প্রার্থী ফজলুল হক দেওয়ান বলেন, ‘আমার শক্তি সাধারণ ভোটার। আমি দীর্ঘদিন তাদের পাশে ছিলাম। ভবিষ্যতেও পাশে থাকব। জনগণ আমাকে বিশ্বাস করে নির্বাচিত করেছেন। আমি তাদের বিশ্বাসের মর্যাদা রাখব ইনশা আল্লাহ।’ 

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে গত ২৯ মে তজুমদ্দিনে ভোট গ্রহণ করার কথা ছিল। প্রবল ঘূর্ণিঝড় রিমালের কারণে তখন নির্বাচন স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন। পরে ৯ জুন ভোট গ্রহণের নতুন তারিখ দেয়া হয়। রোববার সকাল ৮টা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

কোনোরকম অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই ৩৬টি কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ শেষ হয়। উপজেলায় ভোটার ১ লাখ ৩ হাজার ৩৮৮। এর মধ্যে ৫২ হাজার ৮২৬ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ভোট প্রদানের হার ৫১ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ। এবারের নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে আমিনুল ইসলাম চশমা প্রতীকে ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ফাতেমা বেগম কলস প্রতীকে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। 

img

তিস্তায় নৌকাডুবি, ৫ জনের মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত :  ১৮:৫৪, ১৯ জুন ২০২৪

কুড়িগ্রামের তিস্তা নদীতে ২৬ জন যাত্রী নিয়ে নৌকা ডুবে গেছে। নৌকাডুবির এই ঘটনায় পাঁচজনের মরেদহ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (১৯ জুন) সন্ধ্যা ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। 

জানা গেছে, ডুবে যাওয়া নৌকায় ২৬ জন যাত্রী ছিলেন। এর মধ্যে ১৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছিল। নিখোঁজ ছিলেন আটজন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে গিয়ে পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে। তবে নিহতদের পরিচয় জানা যায়নি।

উলিপুর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ইনচার্জ আব্বাস বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আমরা ঘটনাস্থলেই আছি। এখন পর্যন্ত শিশুসহ ৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

উলিপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মর্তুজা বলেন, আমরা ঘটনাস্থলেই আছি। ঠিক কতজন নিখোঁজ তা বলা যাচ্ছে না। তবে স্থানীয়রা বলছেন ৫-৮ জন নিখোঁজ থাকতে পারেন।

বজরা ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল কাইয়ুম সরদার বলেন, নৌকা ডুবির ঘটনাটি ঘটেছে সন্ধ্যা ৭টার দিকে। আমি যতটুকু শুনেছি তারা নৌকা যোগে দাওয়াত খেতে যাচ্ছিলেন। তবে কতজন নিখোঁজ রয়েছেন সেই তথ্য আমার জানা নেই।