img

সুইজারল্যান্ডে যেসব ইস্যু নিয়ে আলোচনা করবেন বিশ্বনেতারা

প্রকাশিত :  ১২:৩৩, ১৫ জুন ২০২৪

সুইজারল্যান্ডে যেসব ইস্যু নিয়ে আলোচনা করবেন বিশ্বনেতারা

ইউক্রেন যুদ্ধের অবসানের লক্ষ্যে শনিবার সুইজারল্যান্ডের বার্গেনস্টক রিসোর্টে শুরু হয়েছে ‘ইউক্রেন শান্তি সম্মেলন’।  শনিবার (১৫ জুন) থেকে শুরু হওয়া এই শীর্ষ সম্মেলনে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস এবং ব্রিটেন, কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালির রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানরা যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

জেলেনস্কির নির্দেশে এই শীর্ষ সম্মেলন আয়োজন করছে সুইজারল্যান্ড। এই সম্মেলনে রাশিয়াকে দাওয়াত দেওয়া না হলেও মস্কোকে সঙ্গে নিয়েই ভবিষ্যৎ শান্তি প্রক্রিয়ার পথ প্রশস্ত করতে চায় সুইজারল্যান্ড।

আলজাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইউক্রেনে যুদ্ধ বন্ধে রাশিয়ার ওপর চাপ বৃদ্ধি করতে এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। তবে রাশিয়ার প্রধান মিত্র চীন এতে অংশ না নেয়ায় সম্মেলনের প্রভাব কিছুটা ম্লান হয়ে যেতে পারে। এ ছাড়া চীনের সহায়তা না পাওয়ায় বিশ্ব থেকে রাশিয়াকে বিচ্ছিন্ন করার পশ্চিমা আশা ফিকে হয়ে গেছে।

ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের জাতিসংঘবিষয়ক পরিচালক রিচার্ড গোয়ান বলেছেন, এই বৈঠকটি ইউক্রেনের কূটনীতির সীমাবদ্ধতার বিষয়টি সামনে নিয়ে এসেছে। এরপরও ইউক্রেন যে জাতিসংঘ সনদের নীতিমালা রক্ষা করছে, বিষয়টি বিশ্ববাসীকে মনে করিয়ে দেওয়ার একটি সুযোগ তাদের সামনে এসেছে।

এদিকে এই সম্মেলনে আগের দিন শুক্রবার (১৪ জুন) মস্কোয় রুশ রাষ্ট্রদূতদের এক বৈঠকে ইউক্রেনে যুদ্ধ বন্ধ করতে দুটি শর্ত দেন পুতিন। রাশিয়ার অধিকৃত অঞ্চল থেকে ইউক্রনীয় সেনা প্রত্যাহার এবং পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোতে যোগদানের আলোচনা থেকে কিয়েভ সরে এলে রাশিয়া যুদ্ধবিরতি আলোচনা শুরু করবে বলে জানান তিনি। তবে পুতিনের এই যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন ইউক্রেন ও পশ্চিমরা।

img

হামাসের সক্ষমতা নিয়ে এবার যে স্বীকারোক্তি দিল ইসরাইল

প্রকাশিত :  ১১:৫১, ১৮ জুলাই ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট: ১১:৫৩, ১৮ জুলাই ২০২৪

অবরুদ্ধ গাজায় গত ৯ মাসে উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়ার পরেও ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের যোদ্ধারা এখনো তেল আবিব এবং জেরুজালেম শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাতে সক্ষম বলে স্বীকারোক্তি দিয়েছে দখলদার ইসরাইলি বাহিনী।

বুধবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে দখলদার ইসরাইলের বর্বর সামরিক বাহিনী এ স্বীকারোক্তি দেয়।

তাদের দাবি, গাজা উপত্যকায় চলমান আগ্রাসনের সময় ৬ জন ব্রিগেড কমান্ডার, ২০ জন ব্যাটালিয়ন কমান্ডার এবং ১৫০ জন কোম্পানি কমান্ডারসহ হামাসের প্রায় ১৪ হাজার যোদ্ধা হতাহত ও আটক হয়েছেন। তা সত্ত্বেও হামাস এখনো তেল আবিব ও জেরুজালেম শহরে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে হামলা চালাতে সক্ষম।

গত ৯ মাসে তারা হামাসের ৩৭ হাজার অবস্থান লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালিয়েছে উল্লেখ করে ইসরাইলি বাহিনী আরও জানিয়েছে, তবে হামাসের অর্ধেকেরও বেশি যোদ্ধা এখনো বেঁচে আছেন। 

এছাড়া হামাসের অপর তিনটি ব্রিগেডের বিরুদ্ধে এখনও ইসরাইল যুদ্ধই শুরু করেনি বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্যদিকে ইসরাইলি বাহিনীর বক্তব্য অনুযায়ী, হামাসের সঙ্গে যুদ্ধে তাদের ৬৮২ জন সেনা নিহত এবং ৯ হাজারের বেশি আহত হয়েছে। আহতদের প্রায় ৩৬ ভাগই মানসিক সমস্যায় ভুগছেন। সূত্র: ইরনা