img

জাপানে ছড়িয়ে পড়েছে ভয়াবহ ব্যাকটেরিয়া, মৃত্যু হতে পারে ৪৮ ঘণ্টায়!

প্রকাশিত :  ০৫:১২, ১৬ জুন ২০২৪

জাপানে ছড়িয়ে পড়েছে ভয়াবহ ব্যাকটেরিয়া, মৃত্যু হতে পারে ৪৮ ঘণ্টায়!

করোনা ভাইরাসের পর ফের উদ্বেগ ছড়াচ্ছে নতুন এক ব্যাকটেরিয়া। যা এখন জাপানজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে। মাংসখেকো এ ব্যাকটেরিয়া এতটাই মারাত্মক যে, এর সংক্রমণের পর ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই মানুষের মৃত্যু হতে পারে।

জাপানের সংক্রামক রোগ গবেষণা সংস্থা ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ইনফেকশাস ডিজিজের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর জানুয়ারি থেকে ২ জুন পর্যন্ত দেশটিতে এই রোগে আক্রান্ত হয়েছেন ৯৭৭ জন। গত বছর এসটিএসএসে আক্রান্ত হয়েছিলেন ৯৪১ জন মানুষ। ১৯৯৯ সাল থেকে এই রোগে আক্রান্ত ও মৃত্যুর তথ্য রেকর্ড করছে। 

সংক্রমণের এই ধারা অব্যাহত থাকলে এই বছরে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াবে আড়াইহাজারে। এই রোগে মৃত্যুর হার ভয়ঙ্করজনকভাবে বেশি, শতকরা ৩০ শতাংশ।

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ইনফেকশাস ডিজিজের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রতি বছরই জাপানে এসটিএসসে আক্রান্ত হওয়া রোগীদের সংখ্যা বাড়ছে। 

এই ব্যাকটেরিয়াটির বিভিন্ন প্রজাতি রয়েছে। কিছু কিছু প্রজাতির মূলত শিশুদের আক্রান্ত করে। এতে আক্রান্ত শিশুর গলা ফুলে যায়, সঙ্গে ব্যথাও থাকে। তবে কিছু প্রজাতি  মূলত ৫০ বছর বা তার চেয়ে বেশি বয়সী লোকজনকে আক্রমণ করে । 

এসব প্রজাতির সংক্রমণ ঘটলে প্রথমে গলা ব্যথা এবং পরে মাংসপেশীতে ব্যথা শুরু হয়। হাত-পা-মুখ ফুলে যায়, রক্তচাপ নেমে আসে এবং একপর্যায়ে মাংশপেশিতে পচন ধরে, শ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা হয়, অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিকল হয়ে পড়ে এবং রোগীর মৃত্যু ঘটে।

টোকিও উইম্যান্স মেডিকেল ইউনিভার্সিটির সংক্রামক রোগ বিভাগের অধ্যাপক কেন কিকুচি বলেন, এসব লক্ষণ দেখা দিলে একজন রোগীর ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মৃত্যু হতে পারে।

এই রোগের সংক্রমণ থেকে সুরক্ষা পেতে হাত পরিষ্কার রাখা এবং শরীরের যে কোনো ক্ষতস্থান খোলা অবস্থায় না রাখার পরামর্শ দিয়েছেন অধ্যাপক কেন কিকুচি। 

সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া

img

হামাসের সক্ষমতা নিয়ে এবার যে স্বীকারোক্তি দিল ইসরাইল

প্রকাশিত :  ১১:৫১, ১৮ জুলাই ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট: ১১:৫৩, ১৮ জুলাই ২০২৪

অবরুদ্ধ গাজায় গত ৯ মাসে উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়ার পরেও ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের যোদ্ধারা এখনো তেল আবিব এবং জেরুজালেম শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাতে সক্ষম বলে স্বীকারোক্তি দিয়েছে দখলদার ইসরাইলি বাহিনী।

বুধবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে দখলদার ইসরাইলের বর্বর সামরিক বাহিনী এ স্বীকারোক্তি দেয়।

তাদের দাবি, গাজা উপত্যকায় চলমান আগ্রাসনের সময় ৬ জন ব্রিগেড কমান্ডার, ২০ জন ব্যাটালিয়ন কমান্ডার এবং ১৫০ জন কোম্পানি কমান্ডারসহ হামাসের প্রায় ১৪ হাজার যোদ্ধা হতাহত ও আটক হয়েছেন। তা সত্ত্বেও হামাস এখনো তেল আবিব ও জেরুজালেম শহরে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে হামলা চালাতে সক্ষম।

গত ৯ মাসে তারা হামাসের ৩৭ হাজার অবস্থান লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালিয়েছে উল্লেখ করে ইসরাইলি বাহিনী আরও জানিয়েছে, তবে হামাসের অর্ধেকেরও বেশি যোদ্ধা এখনো বেঁচে আছেন। 

এছাড়া হামাসের অপর তিনটি ব্রিগেডের বিরুদ্ধে এখনও ইসরাইল যুদ্ধই শুরু করেনি বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্যদিকে ইসরাইলি বাহিনীর বক্তব্য অনুযায়ী, হামাসের সঙ্গে যুদ্ধে তাদের ৬৮২ জন সেনা নিহত এবং ৯ হাজারের বেশি আহত হয়েছে। আহতদের প্রায় ৩৬ ভাগই মানসিক সমস্যায় ভুগছেন। সূত্র: ইরনা