img

কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস: নিহত বেড়ে ৮, আহত ৫০

প্রকাশিত :  ০৯:৪৫, ১৭ জুন ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট: ০৯:৫১, ১৭ জুন ২০২৪

কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস: নিহত বেড়ে ৮, আহত ৫০

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত বেড়ে ৮ জনে দাঁড়িয়েছে। তাদের মধ্যে পাঁচ জন যাত্রী ও তিন জন রেল কর্মচারী। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৫০ জন। আজ সোমবার সকাল ৯টার দিকে পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিং জেলায় কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের সঙ্গে মালবাহী ট্রেনের সংঘর্ষ হয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এখনো উদ্ধারকাজ চলছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে রেল পুলিশ। 

দার্জিলিং পুলিশের অ্যাডিশনার এসপি অভিষেক রায়ের বরাতে আনন্দবাজার পত্রিকা জানায়, ‘কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসকে ধাক্কা দেয় পেছন থেকে আসা একটি মালগাড়ি। এতে বগি লাইনচ্যুত হলে ভেতরে আটকে পড়েন যাত্রীরা। সেখান থেকে উদ্ধার করে কাছেই একটি জায়গায় অস্থায়ী ভাবে আহতদের নিয়ে গিয়ে রাখা হচ্ছে। সেখান থেকে প্রয়োজন অনুযায়ী হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে।’

কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে দুর্ঘটনায় ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী। যাদের মৃত্যু হয়েছে, তাদের পরিবারকে দুলক্ষ টাকা এবং আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে তার দফতর।

কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের দুর্ঘটনা নিয়ে এক্স হ্যান্ডলে উদ্বেগ প্রকাশ করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, ‘এই মাত্র দার্জিলিঙের ফাঁসিদেওয়া এলাকায় ট্রেন দুর্ঘটনার খবর পেলাম। বিশদে এখনও জানতে পারিনি। কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে মালগাড়ি ধাক্কা দিয়েছে শুনেছি। জেলাশাসক, এসপি, চিকিৎসক ও অ্যাম্বুল্যান্স ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। উদ্ধারকাজ শুরু হচ্ছে।’ পোস্ট করেছেন রেলমন্ত্রীও।

এর আগে ২০২২ সালে জলপাইগুড়ির ময়নাগুড়ির কাছে দোমোহনিতে লাইনচ্যুত হয়েছিল বিকানের-গুয়াহাটি এক্সপ্রেস। পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছিল সেই ঘটনায়। ২০২৩ সালের ২ জুন ওড়িশার বালেশ্বরে দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিল করমণ্ডল এক্সপ্রেস। ওই ট্রেনের সঙ্গে একটি মালগাড়ি এবং বেঙ্গালুরু-হাওড়া সুপারফাস্ট এক্সপ্রেসের ধাক্কা লাগে। ২৮৯ জনের মৃত্যু হয়েছিল সেই ঘটনায়।


img

হামাসের সক্ষমতা নিয়ে এবার যে স্বীকারোক্তি দিল ইসরাইল

প্রকাশিত :  ১১:৫১, ১৮ জুলাই ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট: ১১:৫৩, ১৮ জুলাই ২০২৪

অবরুদ্ধ গাজায় গত ৯ মাসে উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়ার পরেও ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের যোদ্ধারা এখনো তেল আবিব এবং জেরুজালেম শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাতে সক্ষম বলে স্বীকারোক্তি দিয়েছে দখলদার ইসরাইলি বাহিনী।

বুধবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে দখলদার ইসরাইলের বর্বর সামরিক বাহিনী এ স্বীকারোক্তি দেয়।

তাদের দাবি, গাজা উপত্যকায় চলমান আগ্রাসনের সময় ৬ জন ব্রিগেড কমান্ডার, ২০ জন ব্যাটালিয়ন কমান্ডার এবং ১৫০ জন কোম্পানি কমান্ডারসহ হামাসের প্রায় ১৪ হাজার যোদ্ধা হতাহত ও আটক হয়েছেন। তা সত্ত্বেও হামাস এখনো তেল আবিব ও জেরুজালেম শহরে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে হামলা চালাতে সক্ষম।

গত ৯ মাসে তারা হামাসের ৩৭ হাজার অবস্থান লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালিয়েছে উল্লেখ করে ইসরাইলি বাহিনী আরও জানিয়েছে, তবে হামাসের অর্ধেকেরও বেশি যোদ্ধা এখনো বেঁচে আছেন। 

এছাড়া হামাসের অপর তিনটি ব্রিগেডের বিরুদ্ধে এখনও ইসরাইল যুদ্ধই শুরু করেনি বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্যদিকে ইসরাইলি বাহিনীর বক্তব্য অনুযায়ী, হামাসের সঙ্গে যুদ্ধে তাদের ৬৮২ জন সেনা নিহত এবং ৯ হাজারের বেশি আহত হয়েছে। আহতদের প্রায় ৩৬ ভাগই মানসিক সমস্যায় ভুগছেন। সূত্র: ইরনা