img

ভূমধ্যসাগরে নৌকা ডুবে বাংলাদেশিসহ নিহত ১১, উদ্ধার ৫১

প্রকাশিত :  ০৬:৪৪, ১৮ জুন ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট: ১০:৪৯, ১৮ জুন ২০২৪

ভূমধ্যসাগরে নৌকা ডুবে বাংলাদেশিসহ নিহত ১১, উদ্ধার ৫১

ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবির ঘটনায় ১১ অভিবাসীর মৃত্যু হয়েছে। এই সময় নৌকাটি থেকে ৫১ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃতদের মধ্যে বেশ কয়েকজন বাংলাদেশিও আছেন। এ ছাড়া এ দুর্ঘটনায় আরও ৬৪ জন নিখোঁজ রয়েছে।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা ইতালিয়ান কোস্ট গার্ড, জাতিসংঘের সংস্থা ও জার্মান একটি দাতব্য সংস্থার বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে।

জার্মান দাতব্য সংস্থা রেসকিউশিপ জানিয়েছে, তারা ডুবে যাওয়ার হাত থেকে অন্তত ৫১ জনকে উদ্ধার করেছে। নাদির নামে একটি উদ্ধারকারী জাহাজ পরিচালনাকারী গোষ্ঠী জানিয়েছে, কাঠের তৈরি একটি নৌকা ডুবে যাওয়ার সময় এই লোকদের উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃতদের মধ্যে দুজন অজ্ঞান ছিল। এ ছাড়া, নৌকাটির নিচের ডেকে আবদ্ধ অবস্থায় আরও ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার করেছে তারা।

রেসকিউশিপ জানিয়েছে, উদ্ধারকৃতদের ইতালির কোস্ট গার্ডের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে গতকাল সোমবার সকালে। জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার (ইউএনএইচসিআর), আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) ও জাতিসংঘের শিশু তহবিল (ইউনিসেফ) এক যৌথ বিবৃতিতে বলেছে, জার্মান দাতব্য সংস্থা যাদের উদ্ধার করেছে তাঁরা সিরিয়া, মিসর, পাকিস্তান ও বাংলাদেশি নাগরিক।

জাতিসংঘের সংস্থাগুলো জানিয়েছে, অপর নৌকাডুবিটি ঘটেছে ইতালির ক্যালিব্রিয়া অঞ্চলের সমুদ্রসীমায়। নৌকাটি আট দিন আগে তুরস্কের উপকূল থেকে রওনা হয়েছিল। একপর্যায়ে নৌকাটিতে আগুন ধরে গিয়ে তা উল্টে যায়। এই নৌকাডুবির ঘটনায় অন্তত ৬৪ জন নিখোঁজ হয়েছে। এ ঘটনায় এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া ১১ জনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করে ইতালির রোসেল্লা শহরে নেওয়া হয়েছে।

গত মার্চে প্রকাশিত আইওএমের মিসিং মাইগ্রেন্টস প্রজেক্টের প্রতিবেদন অনুসারে, উত্তর আফ্রিকা থেকে দক্ষিণ ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টা করার সময় গত এক দশকে ভূমধ্যসাগরে ২৭ হাজারের বেশি মানুষ মারা গেছে। ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবিতে বেশির ভাগ মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে লিবিয়ার উপকূলে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে আইওএম তিউনিসিয়ার উপকূলেও নৌকাডুবির সংখ্যার ব্যাপক বৃদ্ধি রেকর্ড করেছে। ২০২৩ সালে তিউনিসিয়ার উপকূলে কমপক্ষে ৭২৯ জন মারা গেছে, যা আগের বছরের তুলনায় ৪৬২ জন বেশি।

img

হামাসের সক্ষমতা নিয়ে এবার যে স্বীকারোক্তি দিল ইসরাইল

প্রকাশিত :  ১১:৫১, ১৮ জুলাই ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট: ১১:৫৩, ১৮ জুলাই ২০২৪

অবরুদ্ধ গাজায় গত ৯ মাসে উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়ার পরেও ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের যোদ্ধারা এখনো তেল আবিব এবং জেরুজালেম শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাতে সক্ষম বলে স্বীকারোক্তি দিয়েছে দখলদার ইসরাইলি বাহিনী।

বুধবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে দখলদার ইসরাইলের বর্বর সামরিক বাহিনী এ স্বীকারোক্তি দেয়।

তাদের দাবি, গাজা উপত্যকায় চলমান আগ্রাসনের সময় ৬ জন ব্রিগেড কমান্ডার, ২০ জন ব্যাটালিয়ন কমান্ডার এবং ১৫০ জন কোম্পানি কমান্ডারসহ হামাসের প্রায় ১৪ হাজার যোদ্ধা হতাহত ও আটক হয়েছেন। তা সত্ত্বেও হামাস এখনো তেল আবিব ও জেরুজালেম শহরে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে হামলা চালাতে সক্ষম।

গত ৯ মাসে তারা হামাসের ৩৭ হাজার অবস্থান লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালিয়েছে উল্লেখ করে ইসরাইলি বাহিনী আরও জানিয়েছে, তবে হামাসের অর্ধেকেরও বেশি যোদ্ধা এখনো বেঁচে আছেন। 

এছাড়া হামাসের অপর তিনটি ব্রিগেডের বিরুদ্ধে এখনও ইসরাইল যুদ্ধই শুরু করেনি বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্যদিকে ইসরাইলি বাহিনীর বক্তব্য অনুযায়ী, হামাসের সঙ্গে যুদ্ধে তাদের ৬৮২ জন সেনা নিহত এবং ৯ হাজারের বেশি আহত হয়েছে। আহতদের প্রায় ৩৬ ভাগই মানসিক সমস্যায় ভুগছেন। সূত্র: ইরনা