img

‘জেল থেকে বের হলে কাউকে ছাড়ব না’, ইমরানের হুঁশিয়ারি

প্রকাশিত :  ১২:২৪, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪

‘জেল থেকে বের হলে কাউকে ছাড়ব না’, ইমরানের হুঁশিয়ারি

জেল থেকে মুক্তি পেলে পাকিস্তানের ন্যাশনাল অ্যাকাউন্টিবিলিটি ব্যুরোর (এনএবি) চেয়ারম্যান ও কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পিটিআই নেতা ইমরান খান।

সম্প্রতি তোশাখানা সম্পর্কিত একটি নতুন মামলায় রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে অনুষ্ঠিত আদালতের কার্যক্রম চলাকালীন ইমরান খান এ হুঁশিয়ারি দেন। 

শুক্রবার এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এনএবি তদন্ত কর্মকর্তা মহসিন হারুনকে উদ্দেশ্য করে ইমরান খান বলেছেন, ‘আপনাদের করা মামলাতেই আমার স্ত্রী এখন কারাগারে বন্দি। একবার মুক্তি পেতে দিন, এ মামলাগুলোর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেব এবং আপনাদের ছাড়ব না’। 

ইমরান খানের এ বক্তব্য দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। 

সাবেক প্রধানমন্ত্রী এনএবির কর্মকাণ্ডকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উল্লেখ করে বলেন, তার বিরুদ্ধে করা মামলাগুলো নিশ্চিতভাবে ভিত্তিহীন।

ইমরান খান এ সময় অভিযোগ করে বলেন, তার পরিবারের সদস্যদের হয়রানি করা হচ্ছে এবং তাকে রাজনৈতিকভাবে দুর্বল করার চেষ্টা চলছে। 

স্ত্রী বুশরা বিবির নামে দেওয়া মামলাগুলোর প্রসঙ্গ তুলে ইমরান খান এনএবির নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘জেল থেকে একবার বের হই, আমি এনএবি চেয়ারম্যান ও কর্মকর্তাদের অবশ্যই আইনের আওতায় আনব’।

তার এমন বক্তব্যের পর পাকিস্তানের রাজনৈতিক মহলে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং এনএবির কর্মকাণ্ড নিয়ে দেশটিতে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। 

অন্যদিকে ইমরান খানের এ হুঁশিয়ারি তার সমর্থকদের মধ্যে আরও উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে। যাদের অনেকেই তাকে ‘রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের শিকার’ হিসেবে দেখছেন।

img

কিছু পুরোনো মিত্র দেশের আচরণে আমি হতাশ : ট্রাম্প

প্রকাশিত :  ০৫:৩৯, ১৭ মার্চ ২০২৬

হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী তেলবাহী জাহাজগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুরোনো মিত্র দেশগুলোর প্রতি যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump। তবে তার এই আহ্বানে সাড়া না দিয়ে তা প্রত্যাখ্যান করেছে সংশ্লিষ্ট মিত্র দেশগুলো। এতে হতাশা ও অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, কয়েক দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা নেওয়ার পরও তারা কৃতজ্ঞতার পরিচয় দিচ্ছে না।

রয়টার্সের খবরে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ এখন তৃতীয় সপ্তাহে প্রবেশ করেছে এবং এর শেষ কবে হবে তা স্পষ্ট নয়। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালি বর্তমানে প্রায় বন্ধ হয়ে আছে। এতে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি বৈশ্বিক মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কাও বাড়ছে।

এই সংঘাত ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোর ওপর অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করেছে। কারণ, ইরানের ওপর বিমান হামলার আগে তাদের সঙ্গে পরামর্শ করা হয়নি। এছাড়া ক্ষমতায় ফিরে আসার পর থেকেই ট্রাম্প তার মিত্রদের বিরুদ্ধে কঠোর সমালোচনা ও হুমকিমূলক বক্তব্য দিয়ে আসছেন।

মার্কিন মিত্রদের মধ্যে জার্মানি, স্পেন এবং ইতালি জানিয়েছে, কৌশলগত জলপথটি পুনরায় চালু করতে তারা আপাতত কোনো যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর পরিকল্পনা করছে না। ইরান ড্রোন ও নৌ-মাইন বসিয়ে কার্যত পথটি বন্ধ করে রেখেছে।

জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্জ বার্লিনে বলেন, জার্মান সংবিধান অনুযায়ী এ ধরনের পদক্ষেপ নিতে হলে জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন অথবা ন্যাটোর অনুমোদন প্রয়োজন। কিন্তু ওয়াশিংটন ও ইসরায়েল যুদ্ধ শুরুর আগে জার্মানির সঙ্গে কোনো আলোচনা করেনি।

ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউসের এক অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, অনেক দেশ আমাকে সহায়তার আশ্বাস দিলেও কিছু পুরোনো মিত্র দেশের আচরণে আমি হতাশ।

তিনি বলেন, কিছু দেশ এতে খুবই আগ্রহী, আবার কিছু নয়। এমন কিছু দেশ আছে যাদের আমরা বহু বছর ধরে সাহায্য করেছি এবং বাইরের ভয়াবহ হুমকি থেকে রক্ষা করেছি। কিন্তু তারা খুব একটা আগ্রহ দেখায়নি। আর সেই আগ্রহের মাত্রা আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ।


আন্তর্জাতিক এর আরও খবর