img

আবারও ফেল, এক বছর বোলিং করতে পারবেন না সাকিব

প্রকাশিত :  ১৪:৪২, ১১ জানুয়ারী ২০২৫
সর্বশেষ আপডেট: ১৬:৩৫, ১১ জানুয়ারী ২০২৫

আবারও ফেল, এক বছর বোলিং করতে পারবেন না সাকিব

আবারও বোলিং অ্যাকশন পরীক্ষায় ব্যর্থ হয়েছেন সাকিব আল হাসান। সেইসঙ্গে তাকে  দেওয়া হয়েছে এক বছরের নিষেধাজ্ঞাও। আগামী এক বছরের জন্য আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বল করতে পারবেন না সাকিব। এর ফলে তার আসন্ন চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলার সম্ভাবনা নস্যাৎ হয়ে গেল।

গতবছর ইংলিশ কাউন্টি ক্রিকেটে সারের হয়ে খেলার সময় তার বোলিং অ্যাকশন প্রশ্নবিদ্ধ হয়। তখন ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি) ইংলিশ ক্রিকেটে তার বোলিং নিষিদ্ধ করে। বোলিং অ্যাকশন বৈধ প্রমাণের জন্য তাকে পরীক্ষা দিতে বলা হয়।

গত ডিসেম্বরের শুরুর দিকে প্রথমবার যুক্তরাজ্যের লাফবরো বিশ্ববিদ্যালয়ে বোলিং অ্যাকশন পরীক্ষা দিলেও উত্তীর্ণ হতে পারেননি সাকিব। এবার ভারতের চেন্নাইয়ে পরীক্ষা দিয়েও একই ফল জুটেছে সাকিবের ভাগ্যে।

এর ফলে পরবর্তী বোলিং অ্যাকশন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার আগপর্যন্ত আর বোলিং করতে পারবেন না সাকিব। তবে শুধু ব্যাটার হিসেবে আন্তর্জাতিক এবং অন্য সব ধরনের ক্রিকেটে খেলা চালিয়ে যেতে পারবেন তিনি।



খেলাধূলা এর আরও খবর

খুলনাকে হারিয়ে প্রথম জয়ের স্বাদ নিল সিলেট

img

বিসিবির পদ ফিরে পেলেন সেই নাজমুল ইসলাম

প্রকাশিত :  ০৮:১৩, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৮:১৬, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের অর্থ কমিটির প্রধানের দায়িত্ব থেকে বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে সাময়িকভাবে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল এম নাজমুল ইসলামকে। ১০ দিন না পেরোতে তিনি আবারও অর্থ বিভাগের দায়িত্বে ফিরেছেন।

নিয়ম অনুযায়ী, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে শোকজের জবাব দিতে হয়। নির্ধারিত সময়ের পরে জবাব দিয়েছিলেন নাজমুল। ডিসিপ্লিনি কমিটির কাছে নিজের অবস্থান জানান নাজমুল, যা সন্তুষ্ট মনে হয়েছে বিসিবির। যে কারণে বিসিবির হারানো পদ এবার ফিরে পেলেন নাজমুল।

গতকাল বোর্ড সভার সিদ্ধান্তে নিজের পদ ফিরে পেলেন নাজমুল। ঢাকা পোস্টকে তিনি জানান বিসিবিকে দেওয়া জবাবে সন্তুষ্ট যে কারণে পদ ফিরে পেয়েছেন। এখন থেকে নিজের অর্থ কমিটির সব কাজ চালিয়ে যেতে পারবেন।

উল্লেখ্য, গত ১৪ জানুয়ারি নাজমুলকে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন, আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ না খেললে বিসিবি থেকে ক্রিকেটারদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে কি না? জবাবে বিসিবির এই পরিচালক বলেছিলেন, ‘বিসিবির হবে না, ক্রিকেটারদের ক্ষতি হবে। কারণ ক্রিকেটাররা খেললে ম্যাচ ফি পায়। ম্যাচসেরা হলেও পারফরম্যান্স অনুযায়ী (আলাদা ফি) পায়। এটা শুধুই ক্রিকেটারের পাওয়া। বোর্ডের লাভ-ক্ষতি নেই। অন্তত এই বিশ্বকাপের জন্য। ওরা গিয়ে যদি কিছুই না করতে পারে, আমরা যে ওদের পেছনে এত কোটি কোটি টাকা খরচ করছি, আমরা কি ওই টাকা ফেরত চাচ্ছি নাকি?’

ওই মন্তব্যের প্রতিবাদে সেদিন রাতেই নাজমুল ইসলামের পদত্যাগ চেয়ে বিপিএলসহ সব ধরনের ক্রিকেট বয়কটের ঘোষণা করে ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াব। সে কারণে পরদিন বিপিএলের দুটি ম্যাচই স্থগিত হয়ে যায়। এমনকি রাতের ম্যাচ না খেলায় অনির্দিষ্টকালের জন্য বিপিএল স্থগিত ঘোষণা করে বিসিবি। পরে রাতে বিসিবি ও কোয়াবের বৈঠক শেষে বদলে যায় দৃশ্যপট। শর্তসাপেক্ষে খেলায় ফেরার ঘোষণা দেন ক্রিকেটাররা। সেদিন সকালে নাজমুল ইসলামকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয় বিসিবি।

খেলাধূলা এর আরও খবর